ছবির রং।। (সপ্তম অধ্যায়) হাশেম খান ।। গদ্য ।। সপ্তবর্ণা।। সপ্তম শ্রেণি।। NCTB BOOK।।
ছবি আঁকতে ইচ্ছে হচ্ছে?কাগজ তো সাদা। পেনসিলে আঁকা যায়। হাতের কলমটা দিয়েও আঁকা যায় এই সাদা জমিনে।
রং হলে খুউব ভালো হয়। ইচ্ছেমতো লাল, নীল, সবুজ, বেগুনি, হলুদ, কালো রং ঘষে ঘষে সাদা কাগজটা ভরে ফেলা যায়। সুন্দর এক রঙিন ছবি আঁকা হয়ে যায়।
হলুদ, নীল ও লাল এই তিনটিই কিন্তু আসল রং। এই তিন রং থাকলে নানা রঙে ভরা পরিপূর্ণ রঙিন ছবি আঁকা যায়। এই তিনটি রং মিলিয়ে মিশিয়ে অনেক রং পাওয়া যায়। যেমন-
হলুদ ও নীল মেশালে পাবে সবুজ।
নীল ও লাল মেশালে পাবে বেগুনি।
লাল ও হলুদ মেশালে পাবে কমলা।
এভাবে একটির সঙ্গে আরেকটি রং বা একাধিক রং মিশিয়ে কত রকম রং যে পাওয়া যায় তার মধ্যে কয়েকটি রং ছাড়া সবগুলো সঠিক নামে চেনা সম্ভব নয়। তাই সিদ্ধান্ত হয়েছে লাল, হলুদ ও নীল এই তিনটিই হলো মৌলিক রং বা প্রাথমিক রং। সবুজ, কমলা ও বেগুনি হলো দ্বিতীয় পর্যায়ের বা মাধ্যমিক রং এবং অন্যান্য রং পরবর্তী পর্যায়ের। সাদা ও কালো রং ছবি আঁকার ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মৌলিক রং মিলিয়ে মিশিয়ে এই দুটো রং পাওয়া যাবে না। তবে সবুজ ও লাল ঘন করে মিশিয়ে কালোর কাছাকাছি গাঢ় একটি রং তৈরি করা সম্ভব।
রংধনুর সাতটি রং। বৃষ্টির পর আকাশে যখন রংধনু ফুটে ওঠে, একটি একটি করে গুণে সাতটি রং খুঁজে বের করা যায়। হলুদ, কমলা, লাল, সবুজ, নীল, বেগুনি ও গোলাপি।
বাংলাদেশ ষড়ঋতুর দেশ। বছরের ১২ মাসকে আমরা ২ মাস করে প্রকৃতি ও আবহাওয়ার কারণে ভাগ করে নিয়েছি।
বৈশাখ জ্যৈষ্ঠ এই ২ মাস গ্রীষ্মকাল। আবহাওয়া থাকে শুষ্ক ও গরম। বৃষ্টি হয় কম। গাছপালা, খাল-বিল-নদী শুকিয়ে যায়। প্রচণ্ড রোদে গাছের সবুজ-সতেজ রং বিবর্ণ হয়ে যায়। আবার হঠাৎ করে আকাশে কালো রঙের মেঘের ছুটাছুটি, বিদ্যুৎ চমকানো, সঙ্গে কানে তালালাগা প্রচণ্ড শব্দে বজ্রপাত হয়। তারপর ঝড় ও বৃষ্টি। প্রকৃতিতে রঙের নানা রকম খেলা চলে। রং-বেরঙের ফল আম, জাম, কলা, লিচু, তরমুজ এই গ্রীষ্ম ঋতুতে পাওয়া যায়। লাল, নীল, কালো, হলুদ, গোলাপি, কমলা সবুজ রঙের এই বাহারি ফলগুলোর স্বাদও মিষ্টি।
বর্ষাকাল হলো আষাঢ়-শ্রাবণ মাস। ঝিরঝিরে অল্প বৃষ্টি থেকে ঝর ঝর করে প্রবল বেগে বৃষ্টি হয় এ সময়। মাঠ-ঘাট, নদী-নালা, ঝিল-বিল পানিতে টইটুম্বুর। পানি পেয়ে গাছপালা সতেজ হয়ে যায়- নানা রকম সবুজ রঙে ভরে যায় গাছপালা, বন-জঙ্গল, ধানক্ষেত, পাটক্ষেত ইত্যাদি। সাদা ও কমলা রঙের কদম ফুল বর্ষা ঋতুর ফুল। এই ঋতুতে সতেজ ও সবুজ কচুবনে যখন কমলা রঙের লম্বা লম্বা ফুল ফোটে, চমৎকার লাগে দেখতে। কচুফুল তরকারি হিসেবেও সুস্বাদু।
শরৎকাল- সাদা ও স্বচ্ছ নীলের ছড়াছড়ি। ভাদ্র ও আশ্বিন এই দুই মাস শরৎকাল। এ সময়ে বৃষ্টি বসে যায়। সুন্দর নীল আকাশে পেঁজা তুলোর মতো গুচ্ছ গুচ্ছ মেঘ ভেসে বেড়ায়। গাছপালা নদীনালা প্রকৃতির সবকিছু এই ঋতুতে ঝকঝকে। নদীর ধারে ও বিলে অল্প পানিতে কাদামাটিতে সবুজ গাছ থেকে বের হয়ে আসে নরম সাদা কাশফুল। বাতাসের দোলায় এই কাশফুল যখন দোলে, সুন্দর নরম রঙের কারণে মন তখন আনন্দে নেচে ওঠে। বিলে, পুকুরে এ সময় শাপলাফুল ফোটে। বেশির ভাগ শাপলা সাদা, লাল শাপলাও আছে যা দেখতে খুবই সুন্দর। ভরা নদী ও খালে সাদা, লাল, নীল ও হলুদ বিভিন্ন রঙের পালতোলা নৌকা-চলাচলের দৃশ্য মোহনীয়।
হেমন্ত ঋতু হলো কার্তিক ও অগ্রহায়ণ মাস। সবুজ ধানক্ষেতের রং হলুদ হতে শুরু করে। ঋতুর শেষ দিকে - অর্থাৎ অগ্রহায়ণ মাসে পুরো মাঠে হলুদ বা গেরুয়া রঙের বাহার। ধান পেকে গেছে। চাষিরা দল বেঁধে ফসল কাটা শুরু করে।
এরপরেই পৌষ ও মাঘ মাস- - শীতকাল। বনে-জঙ্গলে, বাড়ির আঙিনায় সর্বত্রই নানা রঙের ফুল ফোটা শুরু হয়। এই ফুল ফোটা শীতের পরে বসন্ত ঋতু পর্যন্ত চলতে থাকে। শিমুল, পলাশ আর কৃষ্ণচূড়া গাছে যখন ফুল ফোটে, হলদে গাছের ঝলমলে হলুদ রঙের ফুলে পুরো প্রকৃতি যেন রঙের উৎসবে মেতে ওঠে। মাঠে তিলের ক্ষেতে সাদা ও হালকা বেগুনি ফুল এবং সরষের ক্ষেতে ফুলে ফুলে হলুদের বন্যা নামে এই শীতকালেই। শীতের কারণে মানুষের পোশাকে আসে রঙের বৈচিত্র্য। লাল, নীল, হলুদ, কালো বিচিত্র রঙের গরম কাপড় ও টুপি ব্যবহার করে মানুষ।
শীতকালে কুয়াশাও প্রকৃতিতে ধোঁয়াটে ধরনের এক মায়াবী রং আমাদের চোখের সামনে তুলে ধরে। খুবই ঠান্ডা ও বরফ-পড়া দেশ থেকে চলে আসে আমাদের দেশে লক্ষ পাখি। ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে এসে এরা আশ্রয় নেয় আমাদের দেশের খালে-বিলে-নদীতে যাদের বলা হয় অতিথি পাখি। রং-বেরঙের পালক এসব পাখির। শীতের শেষে বসন্তের শুরুতে এরা আবার চলে যায় নিজের দেশে।
ফাল্গুন ও চৈত্র বসন্তকাল। ষড়ঋতুর শেষ ঋতু। এ সময় গাছে গাছে যেন প্রতিযোগিতা- কে কত সুন্দর ও সতেজ ফুল ফোটাতে পারে। নানা রঙের পালকে সেজে ছোটবড় সব পাখি গাছে গাছে নেচে বেড়ায়, উড়ে বেড়ায়। ফুলের মধু খেয়ে উড়ে বেড়ায় আনন্দে। অন্যদিকে হাজার লক্ষ রঙিন প্রজাপতি। এত রং-বেরঙের যে হিসেব করা সম্ভব নয়। নানা রঙের মোহময় প্রেরণায় মানুষও স্বভাবসুলভ আনন্দে মেতে ওঠে। বাসন্তী ও উজ্জ্বল রঙের পোশাকে, সাজসজ্জায় উৎসবে মেতে ওঠে। তাই বসন্ত ঋতুই হলো রঙের ঋতু।
অনেক কাল আগে থেকেই বাংলাদেশের ষড়ঋতুতে আমাদের পরিবেশে, নিসর্গে উজ্জ্বল-সুন্দর নানা রঙের যে সমাবেশ ঘটেছে রূপের রকমফের ঘটে চলেছে তা বাঙালির মনকে নানাভাবে প্রভাবিত করেছে। তাই আমরা দেখি আমাদের গ্রামীণ সমাজের লোকশিল্পীরা মাটির পুতুল, কাঠের পুতুল, কাপড় ও তুলার পুতুল, সোনার পুতুল, লক্ষ্মীসরা, শখের হাঁড়ি, নকশিকাঁথা, হাতপাখা, পাটি, গল্প বলার পটে তথা লোকশিল্পে উজ্জ্বল ও সতেজ রং ব্যবহার করে ছবি ও শিল্পকে সুন্দর ও মোহনীয় রূপ দিয়ে চলেছে তাঁতে তৈরি কাপড়ে তাঁতিরা এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর লোকেরা তাদের তৈরি তাঁতের পোশাকে রঙিন সুতোর বুনটে নানা রঙের ঝলমলে মনকাড়া সব শাড়ি ও পোশাক বানিয়ে চলেছে। আমাদের শিশুরা এখন ছবি আঁকে। বিভিন্ন দেশের তুলনায় বাংলাদেশের শিশুদের ছবির রং অনেক উজ্জ্বল, সাহসী এবং মৌলিক রং ঘেঁষা। তাই খুব সহজেই বাংলার শিশুদের ছবিকে আলাদা বৈশিষ্ট্যে চেনা যায়।
চারুকলা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষাপ্রাপ্ত চিত্রশিল্পীদের ছবির সামনে দাঁড়ালে একই কথা মনে হবে। বাংলাদেশের শিল্পীরা অনেক মুক্ত, সহজ ও সাহসী। লাল, নীল, হলুদ, সবুজ, বেগুনি, কমলা, কালো ও সাদা রংকে শিল্পীরা সুন্দরভাবে ছবিতে, নকশিকাঁথায়, হাতপাখায়, পুতুলে, হাঁড়িপাতিলে ব্যবহার করছেন। তাই বাংলার শিল্পীদের শিল্পকর্ম সারা বিশ্বে প্রশংসা পাচ্ছে।
১. 'ছবির রং' প্রবন্ধের লেখক কে?
ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
খ. কাজী নজরুল ইসলাম
গ. হাশেম খান
ঘ. সুকুমার রায়
সঠিক উত্তর: গ. হাশেম খান
২. মৌলিক বা প্রাথমিক রং কয়টি?
ক. দুটি
খ. তিনটি
গ. চারটি
ঘ. পাঁচটি
সঠিক উত্তর: খ. তিনটি
৩. হলুদ ও নীল রং মেশালে কোন রং পাওয়া যায়?
ক. কমলা
খ. বেগুনি
গ. সবুজ
ঘ. গোলাপি
সঠিক উত্তর: গ. সবুজ
৪. দ্বিতীয় পর্যায়ের বা মাধ্যমিক রং কোনগুলো?
ক. লাল, নীল, হলুদ
খ. সবুজ, কমলা ও বেগুনি
গ. সাদা, কালো, গোলাপি
ঘ. নীল, বেগুনি, সাদা
সঠিক উত্তর: খ. সবুজ, কমলা ও বেগুনি
৫. বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ মাস মিলে কোন ঋতু হয়?
ক. বর্ষাকাল
খ. শরৎকাল
গ. গ্রীষ্মকাল
ঘ. হেমন্তকাল
সঠিক উত্তর: গ. গ্রীষ্মকাল
৬. বর্ষাকালের ফুল হিসেবে পাঠ্যবইতে কোনটির নাম উল্লেখ করা হয়েছে?
ক. শাপলা ফুল
খ. কদম ফুল
গ. শিমুল ফুল
ঘ. কৃষ্ণচূড়া ফুল
সঠিক উত্তর: খ. কদম ফুল
৭. ভাদ্র ও আশ্বিন এই দুই মাস মিলে কোন ঋতু?
ক. শরৎকাল
খ. হেমন্তকাল
গ. শীতকাল
ঘ. বসন্তকাল
সঠিক উত্তর: ক. শরৎকাল
৮. কোন ঋতুকে 'রঙের ঋতু' বলা হয়েছে?
ক. গ্রীষ্মকাল
খ. বর্ষাকাল
গ. শরৎকাল
ঘ. বসন্তকাল
সঠিক উত্তর: ঘ. বসন্তকাল
৯. বাংলাদেশের শিশুদের ছবির রং কেমন?
ক. মলিন ও অনুজ্জ্বল
খ. উজ্জ্বল, সাহসী এবং মৌলিক রং ঘেঁষা
গ. ফিকে ও সাদামাটা
ঘ. কালচে ও গম্ভীর
সঠিক উত্তর: খ. উজ্জ্বল, সাহসী এবং মৌলিক রং ঘেঁষা
১০. কোন ঋতুতে আমাদের দেশে অতিথি পাখি আসে?
ক. গ্রীষ্মকালে
খ. বর্ষাকালে
গ. শীতকালে
ঘ. বসন্তকালে
সঠিক উত্তর: গ. শীতকালে
১১. মৌলিক রং হিসেবে কোন তিনটি রংকে চিহ্নিত করা হয়েছে?
ক. লাল, হলুদ ও নীল
খ. সবুজ, কমলা ও বেগুনি
গ. সাদা, কালো ও লাল
ঘ. নীল, সবুজ ও হলুদ
সঠিক উত্তর: ক. লাল, হলুদ ও নীল
১২. সাদা ও কালো রং সম্পর্কে পাঠে কোন বিষয়টি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে?
ক. এগুলো দ্বিতীয় পর্যায়ের রং
খ. এগুলো মৌলিক রং মিশিয়ে তৈরি করা যায়
গ. এগুলো ছবি আঁকার ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং মৌলিক রং মিলিয়ে এগুলো পাওয়া যাবে না
ঘ. এগুলো কেবল শীতকালে দেখা যায়
সঠিক উত্তর: গ. এগুলো ছবি আঁকার ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং মৌলিক রং মিলিয়ে এগুলো পাওয়া যাবে না
১৩. শরৎকালের নিসর্গ সম্পর্কে পাঠে কী বলা হয়েছে?
ক. এ সময়ে চারপাশ কেবল কালচে মেঘে ঢাকা থাকে
খ. সাদা ও স্বচ্ছ নীলের ছড়াছড়ি থাকে এবং নীল আকাশে পেঁজা তুলোর মতো মেঘ ভেসে বেড়ায়
গ. মাঠে মাঠে শুধু পেকে যাওয়া ধানের হলুদ রং দেখা যায়
ঘ. প্রবল বৃষ্টিতে নদীনালা তলিয়ে যায়
সঠিক উত্তর: খ. সাদা ও স্বচ্ছ নীলের ছড়াছড়ি থাকে এবং নীল আকাশে পেঁজা তুলোর মতো মেঘ ভেসে বেড়ায়
১৪. হেমন্ত ঋতুর শেষ দিকে প্রকৃতির রূপ কেমন ধারণ করে?
ক. মাঠে মাঠে হলুদ বা গেরুয়া রঙের বাহার দেখা যায়
খ. গাছে গাছে লাল ফুলের মেলা বসে
গ. চারপাশ কুয়াশায় ঢাকা পড়ে যায়
ঘ. কদম ফুলে চারপাশ ভরে ওঠে
সঠিক উত্তর: ক. মাঠে মাঠে হলুদ বা গেরুয়া রঙের বাহার দেখা যায়
১৫. গ্রামীণ সমাজের লোকশিল্পীরা তাদের শিল্পকর্মে কেমন রং ব্যবহার করেন?
ক. অত্যন্ত ফিকে ও মলিন রং
খ. উজ্জ্বল ও সতেজ রং
গ. কেবল সাদা ও কালো রং
ঘ. অনুজ্জ্বল ও ম্রিয়মাণ রং
সঠিক উত্তর: খ. উজ্জ্বল ও সতেজ রং
---
### প্রয়োগমূলক প্রশ্ন (১৬-১৮.
১৬. নিচের কোন জোড়টি সঠিক?
i. নীল ও লাল মেশালে বেগুনি রং পাওয়া যায়।
ii. লাল ও হলুদ মেশালে কমলা রং পাওয়া যায়।
iii. সবুজ ও কমলা মেশালে মৌলিক রং পাওয়া যায়।
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii
খ. ii ও iii
গ. i ও iii
ঘ. i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: ক. i ও ii
১৭. বাংলাদেশের ষড়ঋতুর বৈচিত্র্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য—
i. বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ মাস মিলে গ্রীষ্মকাল এবং এ সময় গাছপালা ও নদী-নালা শুকিয়ে যায়।
ii. আষাঢ় ও শ্রাবণ মাস হলো বর্ষাকাল এবং এ সময় মাঠ-ঘাট পানিতে টইটুম্বুর থাকে।
iii. কার্তিক ও অগ্রহায়ণ মাস হলো শীতকাল এবং এ সময় নানা রঙের ফুল ফোটে।
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii
খ. ii ও iii
গ. i ও iii
ঘ. i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: ক. i ও ii
১৮. 'ছবির রং' প্রবন্ধের তথ্যানুযায়ী লোকশিল্প ও লোকজীবনের উপাদানগুলো হলো—
i. নকশিকাঁথা ও শখের হাঁড়ি
ii. মাটির পুতুল ও হাতপাখা
iii. ডিজিটাল রঙিন পোস্টার
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii
খ. ii ও iii
গ. i ও iii
ঘ. i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: ক. i ও ii
---
### উচ্চতর দক্ষতামূলক প্রশ্ন (১৯-২০.
১৯. উদ্দীপক: নিবিরদের গ্রামের বাড়ি গিয়ে সে দেখল শীতের ভোরে পুরো প্রকৃতি কুয়াশায় ধোঁয়াটে এক মায়াবী রূপ ধারণ করেছে। ঠিক তখনই সাইবেরিয়া থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে রঙিন পালকের নানা রঙের অতিথি পাখি এসে বিলের জলে আশ্রয় নিয়েছে।
উদ্দীপকের প্রকৃতি ও জীবের এই রূপ 'ছবির রং' প্রবন্ধের কোন ঋতুর সঙ্গে সরাসরি মিল রয়েছে?
ক. গ্রীষ্মকাল
খ. শরৎকাল
গ. শীতকাল
ঘ. বসন্তকাল
সঠিক উত্তর: গ. শীতকাল
২০. উদ্দীপক: মিতু সপ্তম শ্রেণির চারু ও কারুকলা ক্লাসে ছবি আঁকতে গিয়ে তার শিক্ষককে বলল, "স্যার, আমি আমার ছবিতে লাল, নীল ও হলুদ রঙের মিশ্রণে বিভিন্ন নতুন রং তৈরি করব এবং বাংলার লোকশিল্পের মতো ছবিটিকে রঙিন ও সাহসী করে তুলব।"
মিতুর এই কাজের মধ্যে 'ছবির রং' প্রবন্ধের কোন মূলভাবটি প্রতিফলিত হয়েছে?
ক. মৌলিক রংয়ের সঠিক ব্যবহার এবং বাংলার লোকশিল্পীদের উজ্জ্বল রঙের ঐতিহ্য
খ. শুধু শীতকালের অতিথি পাখির রূপ বৈচিত্র্য ফুটিয়ে তোলা
গ. কৃত্রিম উপায়ে রঙের মান নিয়ন্ত্রণ করা
ঘ. গ্রামীণ জীবনের দুঃখ-কষ্ট ফুটিয়ে তোলা
সঠিক উত্তর: ক. মৌলিক রংয়ের সঠিক ব্যবহার এবং বাংলার লোকশিল্পীদের উজ্জ্বল রঙের ঐতিহ্য

No comments
Thank you, best of luck