ধাতু ও ক্রিয়াপদ ; সকর্মক ও অকর্মক ক্রিয়া; মৌলিক ও সাধিত ধাতু বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি - অষ্টম শ্রেণি। NCTB BOOK।। ৬০ টি MCQ প্রশ্ন-উত্তর
ক্রিয়াপদ
যে পদ দ্বারা কোনো কিছু করা বা কোনো কাজ করা বোঝায়, তাকে ক্রিয়াপদ বলে। যেমন
বাবা এসেছেন।
ঘড়িতে দশটা বাজে।
আমি অঙ্ক করছি।
ক্রিয়াপদ নানা রকম হয় :
ভাব প্রকাশের দিক থেকে ক্রিয়াপদ দুই প্রকার:
১. সমাপিকা ক্রিয়া : যে ক্রিয়া দ্বারা বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ প্রকাশিত হয়, তাকে সমাপিকা ক্রিয়া বলে।
যেমন :
সেতু স্কুলে যায়।
বিথু গান গায়৷
২. অসমাপিকা ক্রিয়া : যে ক্রিয়া দ্বারা বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ হয় না, তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলে।
যেমন :
আমি বাড়ি গিয়ে…..
সে বই নিয়ে…..
এখানে ‘গিয়ে’, ‘নিয়ে' ক্রিয়ার দ্বারা কথা শেষ হয় নি। বাক্যের অর্থ অসম্পূর্ণ রয়েছে। বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করার জন্য আরও ক্রিয়া চাই।
যেমন :
আমি বাড়ি গিয়ে খাব।
সে বই নিয়ে পড়তে বসেছে।
সুতরাং, ‘গিয়ে’, ‘নিয়ে' হচ্ছে অসমাপিকা ক্রিয়া। আর ‘খাব’, ‘বসেছে' এগুলো সমাপিকা ক্রিয়া৷
কর্ম অনুসারে ক্রিয়াপদ তিন প্রকার:
১. অকর্মক
২. সকর্মক
৩. দ্বিকর্মক
১. অকর্মক ক্রিয়া : যে ক্রিয়ার কোনো কর্ম থাকে না, তাকে অকর্মক ক্রিয়া বলে।
যেমন :
স্বপন লিখছে।
কাঞ্চন পড়ছে।
২. সকর্মক ক্রিয়া : যে ক্রিয়া পদের কর্ম থাকে তাকে সকর্মক ক্রিয়া বলে।
বাক্যের ক্রিয়াকে কী বা কাকে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাই কর্মপদ। কর্মযুক্ত ক্রিয়াই সকর্মক
ক্রিয়া।
যেমন :
স্বপন চিঠি লিখছে।
কাঞ্চন বই পড়ছে।
মা ভাত রান্না করছেন।
এ বাক্যে ক্রিয়াপদ হচ্ছে ‘রান্না করছেন'।
প্রশ্ন : কী রান্না করছেন?
উত্তর : ভাত।
অতএব ‘রান্না করছেন' ক্রিয়া পদটির কর্ম হচ্ছে ‘ভাত’। ‘রান্না করছেন' সকর্মক ক্রিয়া।
৫. দ্বিকর্মক ক্রিয়া :
যে ক্রিয়ার একটি বস্তুবাচক ও একটি ব্যক্তিবাচক কর্ম থাকে তাকে দ্বিকর্মক ক্রিয়া বলে।
যেমন :
যেমন
মা আমাকে জামাটি কিনে দিয়েছে।
পাবন স্যার আমাদের ব্যাকরণ পড়ান।
গঠন অনুসারে ক্রিয়াপদ
৬. প্রযোজক ক্রিয়া :
যে ক্রিয়া অন্যের দ্বারা চালিত হয়, তাকে প্রযোজক ক্রিয়া বলে।
যেমন :
মা খোকাকে চাঁদ দেখাচ্ছেন।
সাপুড়ে সাপ খেলায়।
৭. যৌগিক ক্রিয়া :
একটি অসমাপিকা ক্রিয়া ও একটি সমাপিকা ক্রিয়া মিলিত হয়ে যে ক্রিয়াপদ গঠিত হয়, তাকে যৌগিক ক্রিয়া বলে।
যেমন :
সে পাশ করে গেল৷
সাইরেন বেজে উঠল।
সকর্মক ও অকর্মক ক্রিয়া (৪.৬)
অকর্মক ক্রিয়া: যে ক্রিয়ার কর্ম নেই, তাকে অকর্মক ক্রিয়া বলে।
যেমন : সৌরভ পড়ে।
সৌরভ কী পড়ে? – এ প্রশ্নের উত্তর নেই। অর্থাৎ এ বাক্যে ‘পড়ে’ ক্রিয়াপদের কোনো কর্ম নেই। তাই ‘পড়ে’ অকর্মক ক্রিয়া।
সকর্মক ক্রিয়া : যে ক্রিয়া পদের কর্ম থাকে তাকে সকর্মক ক্রিয়া বলে।
বাক্যের ক্রিয়াকে কী বা কাকে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাই কর্মপদ। কর্মযুক্ত ক্রিয়াই সকর্মক
ক্রিয়া। যেমন :
মা ভাত রান্না করছেন।
এ বাক্যে ক্রিয়াপদ হচ্ছে ‘রান্না করছেন'।
প্রশ্ন : কী রান্না করছেন?
উত্তর : ভাত।
অতএব ‘রান্না করছেন' ক্রিয়া পদটির কর্ম হচ্ছে ‘ভাত’। ‘রান্না করছেন' সকর্মক ক্রিয়া।
প্রয়োগ-বৈশিষ্ট্যে সকর্মক ক্রিয়া অকর্মক ক্রিয়া হতে পারে। যেমন :
সকর্মক ক্রিয়া অকর্মক ক্রিয়া
১. আমি টিফিন খেয়েছি। ১. আমি টিফিনে খেয়েছি।
২. মাখন রায় গান গাচ্ছে। ২. মাখন রায় গানে মজেছে।
ধাতু
ক্রিয়ার মূল অংশকে ধাতু বলে।
ক্রিয়া পদকে বিশ্লেষণ করলে দুটো অংশ পাওয়া যায় :
১. ধাতু বা ক্রিয়ামূল : কর্, যা, খা, পা, বল্, দেখ্, খেল্, দে ইত্যাদি।
২. ক্রিয়াবিভক্তি : আ, ই, ছি, ছে, বে, তে, লে, লাম ইত্যাদি।
ধাতু তিন প্রকার।
যথা :
১. মৌলিক ধাতু
২. সাধিত ধাতু ও
৩. যৌগিক বা সংযোগমূলক ধাতু।
১. মৌলিক ধাতু : যেসব ধাতু বিশ্লেষণ করা যায় না, তাকে মৌলিক ধাতু বলে।
যেমন : কর্, চল্, পড়ু, বড়ু, পা, যা, দে, খা, হ্ ইত্যাদি।
২. সাধিত ধাতু : মৌলিক ধাতু বা নাম-শব্দের পরে আ- প্রত্যয়যোগে যে ধাতু গঠিত হয়, তাকে সাধিত ধাতু বলে।
যেমন :
কর্ + আ = করা
দেখ্ + আ = দেখা
বল্ + আ = বলা
৩. যৌগিক ধাতু : বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক অব্যয়ের সাথে কর্, দে, হ, পা, খা ইত্যাদি মৌলিক ধাতু মিলিত হয়ে যে নতুন ধাতু গঠিত হয়, তাকে যৌগিক বা সংযোগমূলক ধাতু বলে।
যেমন : ভয় কর্, ভালো হ্, উত্তর দে, মার খা, দুঃখ পা ইত্যাদি।
মৌলিক ও সাধিত ধাতু (৪.৭)
শব্দ ও পদ - বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি - অষ্টম শ্রেণি।। NCTB BOOK।।
মৌলিক ধাতু : মৌলিক ধাতুকে ভাঙা বা বিশ্লেষণ করা যায় না। এগুলোকে সিদ্ধ বা স্বয়ংসিদ্ধ ধাতুও বলা হয়ে থাকে।
বাংলা ভাষায় মৌলিক ধাতু তিন প্রকার। যথা :
১. সংস্কৃত ধাতু
২. বাংলা ধাতু
৩. বিদেশাগত ধাতু
১. সংস্কৃত ধাতু : তৎসম ক্রিয়াপদের ধাতুকে সংস্কৃত ধাতু বলে। যেমন :
অক্ + অন = অঙ্কন : ছোটদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিথু প্রথম হয়েছে।
দৃশ্ + য = দৃশ্য : দুর্ঘটনার মর্মান্তিক দৃশ্য বর্ণনা করা যায় না।
কৃ + তব্য = কর্তব্য : ছাত্রদের কর্তব্য লেখাপড়া করা।
হস্ + য = হাস্য : অকারণ হাস্য-পরিহাস ত্যাগ কর।
২. বাংলা ধাতু : যেসব ধাতু সংস্কৃত থেকে প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় ব্যবহৃত হয়, তাকে বাংলা ধাতু বা খাঁটি বাংলা ধাতু বলে। যেমন :
আঁক্ + আ = আঁকা : কী সব আঁকাআঁকি করছ ?
দেখ্ + আ দেখা : জাদুঘর আমার কয়েকবার দেখা।
কর্ + অ = কর : তুমি কী কর?
হাস্ + ই = হাসি : তোমার হাসিটি খুব সুন্দর।
৩. বিদেশাগত ধাতু : বিদেশি ভাষা থেকে আগত যেসব ধাতু বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়, তাকে বিদেশাগত ধাতু বা বিদেশি ধাতু বলে। যেমন :
খাট্ + বে = খাটবে : যত বেশি খাটবে ততই সুফল পাবে।
বিগড়ু + আনো : তোমার বিগড়ানো ছেলেকে ভালো করার সাধ্য আমার নেই ৷
টান্ + আ : আমাকে নিয়ে টানাটানি করো না, আমি যাব না।
জম্ + আট = জমাট : অন্ধকার বেশ জমাট বেঁধেছে।
সাধিত ধাতু : মৌলিক ধাতু বা নাম শব্দের পরে আ-প্রত্যয়যোগে সাধিত ধাতু গঠিত হয়ে থাকে।
সাধিত ধাতু তিন প্রকার। যথা :
১. প্রযোজক ধাতু
১. প্রযোজক ধাতু
৩. কর্মবাচ্যের ধাতু
১. প্রযোজক ধাতু : মৌলিক ধাতুর পরে (অপরকে নিয়োজিত করা অর্থে) আ-প্রত্যয়যোগে যে ধাতু গঠিত হয়, তাকে প্রযোজক ধাতু বা ণিজন্ত ধাতু বলে। যেমন :
পড়ু + আ = পড়া : শিক্ষক ছাত্রদের পড়াচ্ছেন।
কর্ + আ = করা : সে নিজে করে না, অন্যকে দিয়ে করায়
খেল্ + আ = খেলা : ‘হা - ডু - ডু' আমাদের জাতীয় খেলা৷
২. নাম ধাতু : বিশেষ্য, বিশেষণ ও অনুকার অব্যয়ের পরে আ-প্রত্যয়যোগে গঠিত ধাতুকে নাম ধাতু বলে। যেমন :
ঘুম্ + আ = ঘুমা : বাবা ঘুমাচ্ছেন।
ধমক্ + আ = ধমকা : আমাকে যতই ধমকাও, আমি এ কাজ করব না।
হাত্ + আ = হাতা : অন্যের পকেট হাতানো আমার স্বভাব নয়৷
৩. কর্মবাচ্যের ধাতু : বাক্যে কর্তার চেয়ে কর্মের সাথে যখন ক্রিয়ার সম্পর্ক প্রধান হয়ে ওঠে, তখন সে ক্রিয়াকে কর্মবাচ্যের ক্রিয়া বলে। কর্মবাচ্যের ক্রিয়ার মূলকে কর্মবাচ্যের ধাতু বলে৷
মৌলিক ধাতুর সাথে আ-প্রত্যয়যোগে কর্মবাচ্যের ধাতু গঠিত হয়। যেমন :
কর্ + আ = করা : আমি তোমাকে অঙ্কটি করতে বলেছি।
হার্ + আ = হারা : বইটি হারিয়ে ফেলেছি।
খা + ওয়া = খাওয়া : তোমার খাওয়া হলে আমাকে বলো৷
১. বাবা ঘুমাচ্ছেন।—এ বাক্যের ক্রিয়াপদটি কোন ধাতু দিয়ে গঠিত?
ক. প্রযোজক ধাতু
খ. নাম ধাতু
গ. কর্মবাচ্যের ধাতু
ঘ. মৌলিক ধাতু
উত্তর: খ. নাম ধাতু
২. বাবা এসেছেন।—এ বাক্যের ক্রিয়াপদ কোনটি?
ক. বাবা
খ. এসেছেন
গ. বাবা এসেছেন
ঘ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. এসেছেন
৩. ঘড়িতে দশটা বাজে।—এ বাক্যের ক্রিয়াপদ কোনটি?
ক. ঘড়িতে
খ. দশটা
গ. বাজে
ঘ. ঘড়িতে দশটা
উত্তর: গ. বাজে
৪. আমি অঙ্ক করছি।—এ বাক্যের ‘করছি’ ক্রিয়াপদের ধাতু কোনটি?
ক. কর্
খ. অঙ্ক
গ. ছি
ঘ. করছি
উত্তর: ক. কর্
৫. আমি অঙ্ক করছি।—এ বাক্যের ‘করছি’ ক্রিয়াপদের ক্রিয়াবিভক্তি কোনটি?
ক. কর্
খ. ছি
গ. অঙ্ক
ঘ. আমি
উত্তর: খ. ছি
৬. সেতু স্কুলে যায়।—এ বাক্যের ‘যায়’ কোন ধরনের ক্রিয়া?
ক. অসমাপিকা ক্রিয়া
খ. সমাপিকা ক্রিয়া
গ. যৌগিক ক্রিয়া
ঘ. প্রযোজক ক্রিয়া
উত্তর: খ. সমাপিকা ক্রিয়া
৭. সেতু স্কুলে যায়।—এ বাক্যের ‘যায়’ ক্রিয়াপদের ধাতু কোনটি?
ক. যা
খ. স্কুল
গ. যায়
ঘ. সেতু
উত্তর: ক. যা
৮. সেতু স্কুলে যায়।—এ বাক্যের ‘যা’ ধাতুকে মৌলিক ধাতু বলা হয় কেন?
ক. ধাতুটিকে বিশ্লেষণ করা যায় না
খ. ধাতুর সঙ্গে আ-প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে
গ. ক্রিয়াটির দুটি কর্ম রয়েছে
ঘ. ধাতুটি নাম-শব্দ থেকে গঠিত
উত্তর: ক. ধাতুটিকে বিশ্লেষণ করা যায় না
৯. বিথু গান গায়।—এ বাক্যের ‘গায়’ কোন ধরনের ক্রিয়া?
ক. সমাপিকা ক্রিয়া
খ. অসমাপিকা ক্রিয়া
গ. প্রযোজক ক্রিয়া
ঘ. যৌগিক ক্রিয়া
উত্তর: ক. সমাপিকা ক্রিয়া
১০. আমি বাড়ি গিয়ে খাব।—এ বাক্যের অসমাপিকা ক্রিয়া কোনটি?
ক. আমি
খ. বাড়ি
গ. গিয়ে
ঘ. খাব
উত্তর: গ. গিয়ে
১১. আমি বাড়ি গিয়ে খাব।—এ বাক্যের ‘খাব’ কোন ধরনের ক্রিয়া?
ক. অসমাপিকা ক্রিয়া
খ. সমাপিকা ক্রিয়া
গ. প্রযোজক ক্রিয়া
ঘ. যৌগিক ক্রিয়া
উত্তর: খ. সমাপিকা ক্রিয়া
১২. সে বই নিয়ে পড়তে বসেছে।—এ বাক্যের ‘নিয়ে’ কোন ধরনের ক্রিয়া?
ক. সমাপিকা ক্রিয়া
খ. অসমাপিকা ক্রিয়া
গ. দ্বিকর্মক ক্রিয়া
ঘ. প্রযোজক ক্রিয়া
উত্তর: খ. অসমাপিকা ক্রিয়া
১৩. সে বই নিয়ে পড়তে বসেছে।—এ বাক্যের ‘বসেছে’ কোন ধরনের ক্রিয়া?
ক. অসমাপিকা ক্রিয়া
খ. সমাপিকা ক্রিয়া
গ. যৌগিক ধাতু
ঘ. নাম ধাতু
উত্তর: খ. সমাপিকা ক্রিয়া
১৪. স্বপন চিঠি লিখছে।—এ বাক্যের ‘লিখছে’ কোন ধরনের ক্রিয়া?
ক. অকর্মক ক্রিয়া
খ. সকর্মক ক্রিয়া
গ. অসমাপিকা ক্রিয়া
ঘ. প্রযোজক ক্রিয়া
উত্তর: খ. সকর্মক ক্রিয়া
১৫. স্বপন চিঠি লিখছে।—এ বাক্যের কর্মপদ কোনটি?
ক. স্বপন
খ. চিঠি
গ. লিখছে
ঘ. স্বপন চিঠি
উত্তর: খ. চিঠি
১৬. কাঞ্চন বই পড়ছে।—এ বাক্যের ‘পড়ছে’ কোন ধরনের ক্রিয়া?
ক. সকর্মক ক্রিয়া
খ. অকর্মক ক্রিয়া
গ. যৌগিক ক্রিয়া
ঘ. অসমাপিকা ক্রিয়া
উত্তর: ক. সকর্মক ক্রিয়া
১৭. কাঞ্চন বই পড়ছে।—এ বাক্যের কর্মপদ কোনটি?
ক. কাঞ্চন
খ. বই
গ. পড়ছে
ঘ. কাঞ্চন বই
উত্তর: খ. বই
১৮. স্বপন লিখছে।—এ বাক্যের ‘লিখছে’ কোন ধরনের ক্রিয়া?
ক. সকর্মক ক্রিয়া
খ. অকর্মক ক্রিয়া
গ. দ্বিকর্মক ক্রিয়া
ঘ. যৌগিক ক্রিয়া
উত্তর: খ. অকর্মক ক্রিয়া
১৯. কাঞ্চন পড়ছে।—এ বাক্যের ‘পড়ছে’ কোন ধরনের ক্রিয়া?
ক. প্রযোজক ক্রিয়া
খ. দ্বিকর্মক ক্রিয়া
গ. অকর্মক ক্রিয়া
ঘ. সকর্মক ক্রিয়া
উত্তর: গ. অকর্মক ক্রিয়া
২০. শিক্ষক ছাত্রদের বাংলা পড়াচ্ছেন।—এ বাক্যের ক্রিয়াটি কোন ধরনের?
ক. অকর্মক ক্রিয়া
খ. দ্বিকর্মক ক্রিয়া
গ. অসমাপিকা ক্রিয়া
ঘ. যৌগিক ক্রিয়া
উত্তর: খ. দ্বিকর্মক ক্রিয়া
২১. শিক্ষক ছাত্রদের বাংলা পড়াচ্ছেন।—এ বাক্যের দুটি কর্ম কোনগুলো?
ক. শিক্ষক ও ছাত্রদের
খ. ছাত্রদের ও বাংলা
গ. বাংলা ও পড়াচ্ছেন
ঘ. শিক্ষক ও বাংলা
উত্তর: খ. ছাত্রদের ও বাংলা
২২. মা শিশুকে দুধ খাওয়াচ্ছেন।—এ বাক্যের ‘খাওয়াচ্ছেন’ কোন ধরনের ক্রিয়া?
ক. দ্বিকর্মক ক্রিয়া
খ. অকর্মক ক্রিয়া
গ. অসমাপিকা ক্রিয়া
ঘ. যৌগিক ক্রিয়া
উত্তর: ক. দ্বিকর্মক ক্রিয়া
২৩. মা শিশুকে দুধ খাওয়াচ্ছেন।—এ বাক্যের দুটি কর্ম কোনগুলো?
ক. মা ও শিশু
খ. মা ও দুধ
গ. শিশুকে ও দুধ
ঘ. দুধ ও খাওয়াচ্ছেন
উত্তর: গ. শিশুকে ও দুধ
২৪. মা খোকাকে চাঁদ দেখাচ্ছেন।—পাঠে বাক্যটি কোন ক্রিয়ার উদাহরণ হিসেবে দেওয়া হয়েছে?
ক. প্রযোজক ক্রিয়া
খ. অকর্মক ক্রিয়া
গ. অসমাপিকা ক্রিয়া
ঘ. যৌগিক ক্রিয়া
উত্তর: ক. প্রযোজক ক্রিয়া
২৫. সাপুড়ে সাপ খেলায়।—পাঠে ‘খেলায়’ কোন ধরনের ক্রিয়া?
ক. সমাপিকা ক্রিয়া
খ. প্রযোজক ক্রিয়া
গ. অসমাপিকা ক্রিয়া
ঘ. যৌগিক ক্রিয়া
উত্তর: খ. প্রযোজক ক্রিয়া
২৬. সে পাশ করে গেল।—এ বাক্যের ‘করে গেল’ কোন ধরনের ক্রিয়া?
ক. অকর্মক ক্রিয়া
খ. দ্বিকর্মক ক্রিয়া
গ. যৌগিক ক্রিয়া
ঘ. প্রযোজক ক্রিয়া
উত্তর: গ. যৌগিক ক্রিয়া
২৭. সে পাশ করে গেল।—যৌগিক ক্রিয়াটি কোন দুটি ক্রিয়ার সমন্বয়ে গঠিত?
ক. ‘পাশ’ ও ‘করে’
খ. ‘করে’ ও ‘গেল’
গ. ‘সে’ ও ‘গেল’
ঘ. ‘পাশ’ ও ‘গেল’
উত্তর: খ. ‘করে’ ও ‘গেল’
২৮. সাইরেন বেজে উঠল।—এ বাক্যের ‘বেজে উঠল’ কোন ধরনের ক্রিয়া?
ক. যৌগিক ক্রিয়া
খ. প্রযোজক ক্রিয়া
গ. অকর্মক ক্রিয়া
ঘ. দ্বিকর্মক ক্রিয়া
উত্তর: ক. যৌগিক ক্রিয়া
২৯. সাইরেন বেজে উঠল।—যৌগিক ক্রিয়াটির অসমাপিকা ও সমাপিকা অংশ কোন দুটি?
ক. সাইরেন ও বেজে
খ. সাইরেন ও উঠল
গ. বেজে ও উঠল
ঘ. বেজে ও সাইরেন
উত্তর: গ. বেজে ও উঠল
৩০. মা ভাত রান্না করছেন।—এ বাক্যের ক্রিয়াপদ কোনটি?
ক. মা
খ. ভাত
গ. রান্না
ঘ. রান্না করছেন
উত্তর: ঘ. রান্না করছেন
৩১. মা ভাত রান্না করছেন।—এ বাক্যের কর্মপদ কোনটি?
ক. মা
খ. ভাত
গ. রান্না
ঘ. করছেন
উত্তর: খ. ভাত
৩২. মা ভাত রান্না করছেন।—এ বাক্যের ‘রান্না করছেন’ কোন ধরনের ক্রিয়া?
ক. সকর্মক ক্রিয়া
খ. অকর্মক ক্রিয়া
গ. অসমাপিকা ক্রিয়া
ঘ. যৌগিক ক্রিয়া
উত্তর: ক. সকর্মক ক্রিয়া
৩৩. সৌরভ পড়ে।—এ বাক্যের ‘পড়ে’ কোন ধরনের ক্রিয়া?
ক. সকর্মক ক্রিয়া
খ. অকর্মক ক্রিয়া
গ. দ্বিকর্মক ক্রিয়া
ঘ. প্রযোজক ক্রিয়া
উত্তর: খ. অকর্মক ক্রিয়া
৩৪. আমি টিফিন খেয়েছি।—এ বাক্যের ‘খেয়েছি’ কোন ধরনের ক্রিয়া?
ক. অকর্মক ক্রিয়া
খ. অসমাপিকা ক্রিয়া
গ. সকর্মক ক্রিয়া
ঘ. যৌগিক ক্রিয়া
উত্তর: গ. সকর্মক ক্রিয়া
৩৫. আমি টিফিন খেয়েছি।—এ বাক্যের কর্মপদ কোনটি?
ক. আমি
খ. টিফিন
গ. খেয়েছি
ঘ. আমি টিফিন
উত্তর: খ. টিফিন
৩৬. আমি টিফিনে খেয়েছি।—পাঠ অনুসারে এ বাক্যের ‘খেয়েছি’ কোন ধরনের ক্রিয়া?
ক. অকর্মক ক্রিয়া
খ. সকর্মক ক্রিয়া
গ. দ্বিকর্মক ক্রিয়া
ঘ. প্রযোজক ক্রিয়া
উত্তর: ক. অকর্মক ক্রিয়া
৩৭. মাখন রায় গান গাচ্ছে।—এ বাক্যের ‘গাচ্ছে’ কোন ধরনের ক্রিয়া?
ক. অকর্মক ক্রিয়া
খ. সকর্মক ক্রিয়া
গ. অসমাপিকা ক্রিয়া
ঘ. যৌগিক ক্রিয়া
উত্তর: খ. সকর্মক ক্রিয়া
৩৮. মাখন রায় গান গাচ্ছে।—এ বাক্যের কর্মপদ কোনটি?
ক. মাখন রায়
খ. গান
গ. গাচ্ছে
ঘ. রায়
উত্তর: খ. গান
৩৯. মাখন রায় গানে মজেছে।—পাঠ অনুসারে ‘মজেছে’ কোন ধরনের ক্রিয়া?
ক. সকর্মক ক্রিয়া
খ. দ্বিকর্মক ক্রিয়া
গ. অকর্মক ক্রিয়া
ঘ. প্রযোজক ক্রিয়া
উত্তর: গ. অকর্মক ক্রিয়া
৪০. “আমি টিফিন খেয়েছি।” এবং “আমি টিফিনে খেয়েছি।” —বাক্য দুটি ক্রিয়ার কোন বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে?
ক. সকর্মক ক্রিয়া প্রয়োগ-বৈশিষ্ট্যে অকর্মক হতে পারে
খ. অকর্মক ক্রিয়া সব সময় দ্বিকর্মক হয়
গ. সব ক্রিয়াই প্রযোজক ক্রিয়া
ঘ. যৌগিক ক্রিয়ায় দুটি কর্ম থাকে
উত্তর: ক. সকর্মক ক্রিয়া প্রয়োগ-বৈশিষ্ট্যে অকর্মক হতে পারে
৪১. ছোটদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিথু প্রথম হয়েছে।—‘অক্ + অন = অঙ্কন’ বিশ্লেষণের ‘অক্’ কোন শ্রেণির মৌলিক ধাতু?
ক. সংস্কৃত ধাতু
খ. বাংলা ধাতু
গ. বিদেশাগত ধাতু
ঘ. নাম ধাতু
উত্তর: ক. সংস্কৃত ধাতু
৪২. দুর্ঘটনার মর্মান্তিক দৃশ্য বর্ণনা করা যায় না।—‘দৃশ্য’ শব্দটির সঠিক গঠন কোনটি?
ক. দৃশ্ + অন
খ. দৃশ্ + য
গ. দৃ + তব্য
ঘ. দৃশ্য + আ
উত্তর: খ. দৃশ্ + য
৪৩. ছাত্রদের কর্তব্য লেখাপড়া করা।—‘কর্তব্য’ শব্দটির সঠিক গঠন কোনটি?
ক. কর্ + আ
খ. কৃ + তব্য
গ. কৃ + য
ঘ. কর্ + অন
উত্তর: খ. কৃ + তব্য
৪৪. অকারণ হাস্য-পরিহাস ত্যাগ কর।—‘হাস্য’ শব্দটির সঠিক গঠন কোনটি?
ক. হাস্ + ই
খ. হস্ + য
গ. হাস্ + আ
ঘ. হস্ + অন
উত্তর: খ. হস্ + য
৪৫. কী সব আঁকাআঁকি করছ?—এ বাক্যের ‘আঁক্’ কোন শ্রেণির মৌলিক ধাতু?
ক. সংস্কৃত ধাতু
খ. বিদেশাগত ধাতু
গ. বাংলা ধাতু
ঘ. প্রযোজক ধাতু
উত্তর: গ. বাংলা ধাতু
৪৬. জাদুঘর আমার কয়েকবার দেখা।—‘দেখা’ শব্দটির সঠিক বিশ্লেষণ কোনটি?
ক. দেখ্ + আ
খ. দেখ্ + ই
গ. দৃশ্ + য
ঘ. দেখ্ + অন
উত্তর: ক. দেখ্ + আ
৪৭. তুমি কী কর?—এ বাক্যের ‘কর্’ কোন শ্রেণির মৌলিক ধাতু?
ক. বিদেশাগত ধাতু
খ. বাংলা ধাতু
গ. নাম ধাতু
ঘ. কর্মবাচ্যের ধাতু
উত্তর: খ. বাংলা ধাতু
৪৮. তোমার হাসিটি খুব সুন্দর।—‘হাসি’ শব্দটির সঠিক বিশ্লেষণ কোনটি?
ক. হাস্ + আ
খ. হাস্ + ই
গ. হস্ + য
ঘ. হাস্ + অন
উত্তর: খ. হাস্ + ই
৪৯. যত বেশি খাটবে ততই সুফল পাবে।—এ বাক্যের ‘খাট্’ কোন শ্রেণির মৌলিক ধাতু?
ক. সংস্কৃত ধাতু
খ. বাংলা ধাতু
গ. বিদেশাগত ধাতু
ঘ. নাম ধাতু
উত্তর: গ. বিদেশাগত ধাতু
৫০. তোমার বিগড়ানো ছেলেকে ভালো করার সাধ্য আমার নেই।—‘বিগড়ানো’ পাঠে কোন শ্রেণির ধাতুর উদাহরণ?
ক. সংস্কৃত ধাতু
খ. বিদেশাগত ধাতু
গ. বাংলা ধাতু
ঘ. কর্মবাচ্যের ধাতু
উত্তর: খ. বিদেশাগত ধাতু
৫১. আমাকে নিয়ে টানাটানি করো না, আমি যাব না।—‘টান্’ কোন শ্রেণির মৌলিক ধাতু?
ক. বিদেশাগত ধাতু
খ. সংস্কৃত ধাতু
গ. বাংলা ধাতু
ঘ. প্রযোজক ধাতু
উত্তর: ক. বিদেশাগত ধাতু
৫২. অন্ধকার বেশ জমাট বেঁধেছে।—এ বাক্যের ‘জম্’ কোন শ্রেণির মৌলিক ধাতু?
ক. বাংলা ধাতু
খ. সংস্কৃত ধাতু
গ. নাম ধাতু
ঘ. বিদেশাগত ধাতু
উত্তর: ঘ. বিদেশাগত ধাতু
৫৩. শিক্ষক ছাত্রদের পড়াচ্ছেন।—‘পড়াচ্ছেন’ ক্রিয়াপদের মূলটি কোন ধরনের সাধিত ধাতু?
ক. নাম ধাতু
খ. প্রযোজক ধাতু
গ. কর্মবাচ্যের ধাতু
ঘ. মৌলিক ধাতু
উত্তর: খ. প্রযোজক ধাতু
৫৪. সে নিজে করে না, অন্যকে দিয়ে করায়।—‘করায়’ ক্রিয়ায় মৌলিক ধাতুর পরে কোন প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে?
ক. অ-প্রত্যয়
খ. ই-প্রত্যয়
গ. আ-প্রত্যয়
ঘ. অন-প্রত্যয়
উত্তর: গ. আ-প্রত্যয়
৫৫. ‘হা-ডু-ডু’ আমাদের জাতীয় খেলা।—পাঠের শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী ‘খেল্ + আ = খেলা’ কোন ধরনের সাধিত ধাতু?
ক. প্রযোজক ধাতু
খ. নাম ধাতু
গ. কর্মবাচ্যের ধাতু
ঘ. বিদেশাগত ধাতু
উত্তর: ক. প্রযোজক ধাতু
৫৬. আমাকে যতই ধমকাও, আমি এ কাজ করব না।—‘ধমক্ + আ = ধমকা’ কোন ধরনের সাধিত ধাতু?
ক. প্রযোজক ধাতু
খ. নাম ধাতু
গ. কর্মবাচ্যের ধাতু
ঘ. মৌলিক ধাতু
উত্তর: খ. নাম ধাতু
৫৭. অন্যের পকেট হাতানো আমার স্বভাব নয়।—‘হাত্ + আ = হাতা’ কোন ধরনের সাধিত ধাতু?
ক. বিদেশাগত ধাতু
খ. কর্মবাচ্যের ধাতু
গ. নাম ধাতু
ঘ. প্রযোজক ধাতু
উত্তর: গ. নাম ধাতু
৫৮. আমি তোমাকে অঙ্কটি করতে বলেছি।—পাঠে ‘কর্ + আ = করা’ কোন ধরনের সাধিত ধাতুর উদাহরণ?
ক. প্রযোজক ধাতু
খ. নাম ধাতু
গ. কর্মবাচ্যের ধাতু
ঘ. বিদেশাগত ধাতু
উত্তর: গ. কর্মবাচ্যের ধাতু
৫৯. বইটি হারিয়ে ফেলেছি।—‘হার্ + আ = হারা’ কোন ধরনের সাধিত ধাতু?
ক. নাম ধাতু
খ. কর্মবাচ্যের ধাতু
গ. প্রযোজক ধাতু
ঘ. সংস্কৃত ধাতু
উত্তর: খ. কর্মবাচ্যের ধাতু
৬০. তোমার খাওয়া হলে আমাকে বলো।—‘খা + ওয়া = খাওয়া’ কোন ধরনের সাধিত ধাতু?
ক. কর্মবাচ্যের ধাতু
খ. নাম ধাতু
গ. প্রযোজক ধাতু
ঘ. বিদেশাগত ধাতু
উত্তর: ক. কর্মবাচ্যের ধাতু
No comments
Thank you, best of luck