header ads

অন্ধবধূ (যতীন্দ্রমোহন বাগচী) কবিতা।। বাংলা ১ম পত্র।। এসএসসি।। NCTB BOOK।।

পায়ের তলায় নরম ঠেকল কী!
আস্তে একটু চল না ঠাকুরঝি –
ওমা, এ যে ঝরা-বকুল ! নয়?
তাইতো বলি, বসে দোরের পাশে,
রাত্তিরে কাল— মধুমদির বাসে
আকাশ-পাতাল— কতই মনে হয়।

জ্যৈষ্ঠ আসতে ক-দিন দেরি ভাই -
আমের গায়ে বরণ দেখা যায়?
অনেক দেরি? কেমন করে হবে!
কোকিল-ডাকা শুনেছি সেই কবে,
দখিন হাওয়া – বন্ধ কবে ভাই;

দীঘির ঘাটে নতুন সিঁড়ি জাগে -
শ্যাওলা-পিছল – এমনি শঙ্কা লাগে,
পা-পিছলিয়ে তলিয়ে যদি যাই!
মন্দ নেহাত হয় না কিন্তু তায়- 
অন্ধ চোখের দ্বন্দ্ব চুকে যায় !
দুঃখ নাইকো সত্যি কথা শোন,
অন্ধ গেলে কী আর হবে বোন?
বাঁচবি তোরা – দাদা তো তোর আগে?
এই আষাঢ়েই আবার বিয়ে হবে,
বাড়ি আসার পথ খুঁজে না পাবে -
দেখবি তখন - প্রবাস কেমন লাগে?

‘চোখ গেল’ ওই চেঁচিয়ে হলো সারা ।
আচ্ছা দিদি, কী করবে ভাই তারা-
জন্ম লাগি গিয়েছে যার চোখ !
কাঁদার সুখ যে বারণ তাহার – ছাই!

কাঁদতে পেলে বাঁচত সে যে ভাই,
কতক তবু কমত যে তার শোক ।
‘চোখ গেল’— তার ভরসা তবু আছে—
চক্ষুহীনার কী কথা কার কাছে!
টানিস কেন? কিসের তাড়াতাড়ি-


সেই তো ফিরে যাব আবার বাড়ি,
একলা-থাকা- সেই তো গৃহকোণ—
তার চেয়ে এই স্নিগ্ধ শীতল জলে
দুটো যেন প্রাণের কথা বলে—
দরদ-ভরা দুখের আলাপন;

পরশ তাহার মায়ের স্নেহের মতো
ভুলায় খানিক মনের ব্যথা যত!

১. মানুষের জীবন ক্ষণস্থায়ী। জীবনের এই স্বল্প সময়ের সমগ্র হিসাব চুকিয়ে, সব সম্পর্ক ছিন্ন করে পরপারে চলে যেতে হয়। গৃহবধূ সুদীপা মাঝে মাঝে দুঃখ করে বলেন, 'সুন্দর এই পৃথিবী, ঝিঁ ঝিঁ ডাকা সন্ধ্যা, জোছনাভরা রাত সব ছেড়ে আমাদের বিদায় নিতে হবে।'

(ক) 'মধুমদির বাসে' কথাটির অর্থ কী? ১

'মধুমদির বাসে' কথাটির অর্থ মধুর গন্ধে মোহময় সুগন্ধে আচ্ছন্ন।

(খ) 'কোকিল-ডাকা শুনেছি সেই কবে' পঙ্ক্তিটি দ্বারা প্রকৃতির কোন রূপের ইঙ্গিত পাওয়া যায়? ২

'কোকিল-ডাকা শুনেছি সেই কবে' পঙ্ক্তিটি দ্বারা প্রকৃতির বসন্ত ঋতুর শেষ হয়ে আসা এবং জ্যৈষ্ঠ আসার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

'অন্ধবধূ' কবিতায় কবি একজন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মানুষের অনুভবের অসাধারণ জগৎকে তুলে ধরেছেন। প্রকৃতির বিচিত্র রঙের ধারণা ও অনুভবে সে সমৃদ্ধ। কোকিলের ডাকে ঋতু পরিবর্তনের বিষয়টি সে অনুভব করতে পারে। পায়ের তলায় নরম বস্তু যে ঝরা-বকুল সেটি বুঝতে তার অসুবিধা হয় না। সে জ্যৈষ্ঠ আসার দিন অনুমান করতে পারে। মূলত অন্ধ হলেও সে প্রকৃতির কাছে মনের দৃষ্টি মেলে বসে থাকে, আর সেই বসে থাকার মধ্য দিয়ে প্রকৃতির পরিবর্তন অনুভব করতে চায়।

(গ) উদ্দীপকের বক্তব্য 'অন্ধবধূ' কবিতার যে বিশেষ দিকটিকে আলোকপাত করেছে তা ব্যাখ্যা কর। ৩

উদ্দীপকের বক্তব্য 'অন্ধবধূ' কবিতার অন্ধবধূর মৃত্যুর আশঙ্কার দিকটিকে আলোকপাত করেছে।

মানুষ মরণশীল। প্রত্যেক মানুষকেই একদিন মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। জগতের রূপ, রস, গন্ধ, বর্ণ ইত্যাদি দেখার মধ্যে যে আনন্দ, তা আর অন্য কিছুতেই নেই। যাদের দৃষ্টিশক্তি নেই, তারা মনের চোখ মেলে প্রকৃতিকে যতটুকু দেখে তা পূর্ণাঙ্গ নয়।

উদ্দীপকে মানুষের ক্ষণস্থায়ী জীবন অবসানের বিষয়টি ফুটে উঠেছে। সেখানে গৃহবধূ সুদীপার মধ্য দিয়ে মৃত্যু যে আমাদের সবার দিকেই হাত বাড়াবে সেই সত্যটি তুলে ধরা হয়েছে। এখানে মৃত্যু সম্পর্কে সুদীপার অনুভবটি মূর্ত হয়ে উঠেছে। উদ্দীপকের এই বিষয়টির সাথে 'অন্ধবধূ' কবিতার অন্ধবধূর মৃত্যুর অনুভবটি সম্পর্কযুক্ত। কিছুটা পার্থক্য থাকলেও তাদের মৃত্যুচিন্তাটি একই রকম। দিঘির ঘাটে শ্যাওলাপড়া সিঁড়িতে পা পিছলে ডুবে মারা যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে অন্ধবধূ। প্রকৃতির নানা অনুভব থেকে তখন তার মুক্তি হবে বলে সে মনে করেছে। উদ্দীপকে সুন্দর পৃথিবী, ঝিঝি ডাকা সন্ধ্যা, জোছনাভরা রাত ছেড়ে মৃত্যুর মধ্য দিয়ে বিদায় নেওয়ার বিষয়টি অন্ধবধূর মৃত্যু আশঙ্কার সাথে এক এবং অভিন্ন।

(ঘ) "উদ্দীপকের বক্তব্যে 'অন্ধবধূ' কবিতার সমগ্র ভাবের প্রতিফলন ঘটেনি"- বিশ্লেষণ কর। ৪

"উদ্দীপকের বক্তব্যে 'অন্ধবধূ' কবিতার সমগ্র ভাবের প্রতিফলন ঘটেনি”- মন্তব্যটি যথার্থ।

মানুষকে অবশ্যই এ সত্যের মুখোমুখি হতে হয়। জাগতিক নিয়মে মানুষ প্রকৃতির নানা কিছু থেকে ঋণ গ্রহণ করে বেঁচে থাকে। তাদের সেই বেঁচে থাকায় আনন্দ আছে, স্বপ্ন আছে, স্বপ্ন পূরণ না হওয়ার হতাশা আছে, কান্না আছে। এতকিছুর পরও মানুষ স্বপ্ন দেখে, ভালোবাসে, বেঁচে থাকে। যে অন্ধ, তার অনুভূতিতেও প্রকৃতির উপস্থিতি অম্লান হয়ে ধরা দেয়। মানুষ স্বপ্ন দেখতে পারে বলেই এমনটি হয়।




উদ্দীপকে গৃহবধূ সুদীপা মৃত্যুকে অনুভব করছেন তার অনুভূতি দিয়ে। সুন্দর পৃথিবীর প্রকৃতির মোহ বন্ধন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মৃত্যুর দেশে হারিয়ে যেতে হবে তাঁকে। তাঁর এ অনুভব তাঁর একার নয়। বৃহৎ অর্থে এ অনুভব সমস্ত মানুষের। তাঁর এ অনুভবটি ভিন্নভাবে আলোচ্য কবিতার অন্ধবধূর মৃত্যুর আশঙ্কার সাথে সম্পর্কিত। অন্ধবধূ জগৎসংসারের দ্বন্দ্ব চুকিয়ে দেওয়ার বিষয়ে, দিঘির ঘাটে শ্যাওলা জমা সিড়িতে পিছলে জলে ডুবে মরার বিষয়ে ভেবেছে। আর এ বিষয়টির সাথেই উদ্দীপকের ভাবের মিল পাওয়া যায়। তাছাড়া ঋতু পরিবর্তন, কোকিলের ডাক, জ্যৈষ্ঠ মাসে আমের বরণ, ঝরা-বকুল, শীতল জলের স্নিগ্ধতা, মায়ের স্নেহের পরশ ইত্যাদি উদ্দীপকে নেই।

'অন্ধবধূ' কবিতায় অন্ধবধূর অন্তর্দৃষ্টিতে উজ্জ্বল হয়ে ওঠা প্রকৃতির সাথে আলোচ্য উদ্দীপকের মিল সামান্যই। 'অন্ধবধূ' কবিতার অন্ধবধূম্র প্রতি পরিবার-পরিজন ও সমাজের অবজ্ঞা এবং অন্ধবধূর একলা থাকা গৃহকোণে ফিরে যাওয়ার তাড়া অনুভব না করাও উদ্দীপকের গৃহবধূ সুদীপার মধ্যে নেই। এসব কারণ বিশ্লেষণ করে দেখা যায় যে, উদ্দীপকের বক্তব্যে 'অন্ধবধূ' কবিতার সমগ্র ভাবের প্রতিফলন ঘটেনি।

২. দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ফুলবানুর ইচ্ছে ছিল লেখাপড়া শিখে স্বনির্ভর হবে। বাবার সহযোগিতায় সে ব্রেইল পদ্ধতিতে লেখাপড়া শিখে পরবর্তীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত হয়। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হলেও অদম্য ইচ্ছার কাছে হার মেনেছে অন্ধত্বের অভিশাপ।

(ক) সমাজ কাদের অবজ্ঞা করে? ১

সমাজ দৃষ্টিহীনদের অবজ্ঞা করে।

(খ). "দিঘির ঘাটে নতুন সিঁড়ি জাগে"- কথাটি বুঝিয়ে বল।

"দিঘির ঘাটে নতুন সিঁড়ি জাগে" বলতে কবি অন্ধবধূর অন্তর্দৃষ্টি প্রসারিতকরণ বা অনুভূতির তীক্ষ্ণতাকে বুঝিয়েছেন।

সমাজের দৃষ্টিহীনেরা নিজেদের অসহায় ভাবে। তারা সমাজের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষ। ইন্দ্রিয়সচেতনতা তাদের এই প্রতিবন্ধিতা দূর করতে পারে। কারণ তারা অনুভবঋদ্ধ মানুষ। 'অন্ধবধূ' কবিতায় দেখা যায়, অন্ধবধূ অন্তর্দৃষ্টি প্রসারিত করে পায়ের নিচে নরম বস্তুর অস্তিত্ব, কোকিলের ডাক শুনে নতুন ঋতুর আগমন, শ্যাওলায় পা রেখে নতুন সিঁড়ি জেগে ওঠার বিষয়গুলো বুঝতে পারে। দিঘির ঘাটে নতুন সিঁড়ি জাগার বিষয়টি অনুমান করে অন্ধবধূ ঋতু পরিবর্তনের অনুমান করার পাশাপাশি পা পিছলে পড়ে যাওয়ার শঙ্কার বিষয়টিও অনুভব করেছে, যা তার অনুভূতির তীক্ষ্ণতার প্রমাণ।

(গ) উদ্দীপকের সাথে 'অন্ধবধূ' কবিতার কোন অংশটি সাদৃশ্যপূর্ণ- ব্যাখ্যা কর। ৩
উদ্দীপকের সাথে 'অন্ধবধূ' কবিতার অন্ধবধূর ইন্দ্রিয়সচেতনতার অংশটি সাদৃশ্যপূর্ণ।

স্বাভাবিকভাবে মানুষ প্রকৃতি ও পরিবেশের রূপসৌন্দর্য স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করে। আর যারা দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী তারা কেবল তাদের প্রখর অনুভূতি শক্তি দিয়েই তা অনুভব করে। দৃষ্টিশক্তি না থাকলেও অন্যান্য ইন্দ্রিয় দিয়ে তারা প্রকৃতির রূপ-রস-গন্ধ অনুভব করে।




উদ্দীপকে একজন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মেয়ের ইন্দ্রিয়সচেতনতার কথা বলা হয়েছে। সে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হয়েও ইন্দ্রিয়সচেতনতা দিয়ে তার এই প্রতিবন্ধিতা জয় করতে সক্ষম হয়েছে। ব্রেইল পদ্ধতিতে লেখাপড়া শিখে সে শিক্ষকতা করছে। এই ভাবটির সাথে 'অন্ধবধূ' কবিতার একজন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী বধূর ইন্দ্রিয়সচেতনতার দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ। কবিতার প্রথম অংশে দেখা যায়, বধূটি অনুভূতি শক্তির দ্বারা প্রকৃতির পরিবর্তন বুঝতে পারে। ফুলের গন্ধে সে সময়ের অনুভব করে। পায়ের নিচে নরম বস্তুর অস্তিত্ব, পাখির ডাকে ঋতু পরিবর্তন বুঝতে পারে। এভাবেই উদ্দীপকের সাথে 'অন্ধবধূ' কবিতার অন্ধবধূর ইন্দ্রিয়সচেতনতার অংশটি সাদৃশ্যপূর্ণ।

(ঘ) "উদ্দীপকের ফুলবানু এবং অন্ধবধূ চরিত্রের ভাব সম্পূর্ণ আলাদা।"- মূল্যায়ন করো। ৪

"উদ্দীপকের ফুলবানু এবং অন্ধবধূ চরিত্রের ভাব সম্পূর্ণ আলাদা।"- মন্তব্যটি যথার্থ।

প্রতিবন্ধীরা সমাজের অন্য দশজন স্বাভাবিক মানুষের মতো নয়। তাদের দিকে সমাজের বিশেষ দৃষ্টির প্রয়োজন। স্বাভাবিক মানুষের সহযোগিতা ও সহমর্মিতা পেলে এই বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষগুলোও নিজেদের মেলে ধরতে পারে। তারাও দুঃখের অন্ধকার ছেড়ে স্বনির্ভর জীবনের অধিকারী হতে পারে।

উদ্দীপকের ফুলবানু দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হলেও তার অদম্য ইচ্ছাশক্তির জোরে সে জীবনের আমূল পরিবর্তন ঘটাতে সক্ষম হয়। বাবার সহযোগিতায় সে ব্রেইল পদ্ধতিতে লেখাপড়া শিখে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে যোগদান করে। তার অদম্য ইচ্ছা ও চেষ্টার কাছে অন্ধত্বের অভিশাপ পরাজিত হয়। এই ফুলবানু এবং 'অন্ধবধূ' কবিতার অন্ধবধূ সম্পূর্ণ আলাদা। কারণ অন্ধবধূ নিয়তির কাছে আত্মসমর্পণ করেছে, প্রতিবন্ধিতাকে জয় করতে পারেনি।

'অন্ধবধূ' কবিতায় দেখা যায়, অন্ধবধূটি তার প্রখর অনুভূতি শক্তি দ্বারা জগৎ সংসারের সমস্ত কিছু অনুভব করতে পারে। তার জীবন সামাজিক নাগপাশে বাঁধা পড়ে আছে। সমাজে সে অবহেলিত ও অপাঙ্ক্তেয়। সে পরিবারে যোগ্য মর্যাদা পায় না। তার স্বামী তাকে অবহেলা করে প্রবাসে জীবন কাটায়। অন্ধত্বের অভিশাপের পাশাপাশি আত্মীয়-পরিজনদের কাছ থেকে অবহেলা পেয়ে জীবন তার কাছে অর্থহীন মনে হয়। তাই তো সে ডুবে মরে সব যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে চায়। সে অন্ধত্বকে জয় করতে পারেনি। অন্যদিকে উদ্দীপকের ফুলবানু অন্ধত্বকে জয় করে স্বনির্ভর হতে পেরেছে। এ কারণেই বলা যায়, উদ্দীপকের ফুলবানু এবং অন্ধবধূর ভাব সম্পূর্ণ আলাদা।

(৩) নিশাতের সাথে ভালোবেসে বিয়ে হয় তৌহিদের। একদিন তৌহিদ স্ত্রীকে নিয়ে মোটর সাইকেলে শহর থেকে বাড়ি ফেরার পথে মারাত্মক দুর্ঘটনার শিকার হয়। দুজনে প্রাণে বেঁচে গেলেও নিশাত দুইটি পা হারিয়ে চিরদিনের জন্য পঙ্গু হয়ে যায়। তৌহিদ ও পরিবারের অন্য সদস্যরাও নিশাতের দৈনন্দিন কাজে যত্ন নিতে থাকে। নিশাত এখন আর নিজেকে অসহায় ভাবে না।

(ক) পায়ের তলায় নরম কী ঠেকেছিল? ১

পায়ের তলায় নরম ঠেকেছিল ঝরা-বকুল।

(খ) বধূটির ঘরে ফিরে যাওয়ার তাড়া ছিল না কেন? ২

বধূটির ঘরে ফিরে যাওয়ার তাড়া ছিল না। কারণ সেখানে তার প্রাণের দোসর কেউ ছিল না।

'অন্ধবধূ' কবিতায় একজন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মানুষের অনুভবের অসাধারণ এক জগৎ ফুটে উঠেছে। প্রকৃতির বিচিত্র রঙের ধারণা ও অনুভবে এই অন্ধবধূ সমৃদ্ধ। বধূটি একদিন তার ননদের সাথে গ্রামের দিঘিতে যায়। সেখানে মায়ের স্নেহের পরশের মতো দিঘির জলে এ বধূ কিছুটা সময় কাটাতে চায়। ননদ তাকে ঘরে ফিরতে তাড়া দেয়। তখন বধূটি তার ননদকে বলে- এত তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরে সে কী করবে? সে অন্ধ বলে স্বামী বাড়ি আসতে চায় না। পরিবারে সে যোগ্য মর্যাদা পায় না। সেখানে তো সে একা। তাই একা একা গৃহকোণে পড়ে থাকার জন্য সে তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরে যেতে চায় না।

(গ) উদ্দীপকে 'অন্ধবধূ' কবিতার যে বিপরীত সত্তার পরিচয় পাওয়া যায় তা ব্যাখ্যা করো। ৩

উদ্দীপকে 'অন্ধবধূ' কবিতার যে বিপরীত সত্তার পরিচয় পাওয়া যায় তা হলো নিশাত নিজেকে অসহায় ভাবে না।

প্রতিবন্ধীরা সমাজের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষ। স্বাভাবিকভাবেই সমাজের অন্যান্য স্বাভাবিক মানুষের সহায়তা তাদের প্রয়োজন হয়। পর্যাপ্ত সুযোগ ও সহযোগিতা পেলে প্রতিবন্ধীরাও নিজেদের প্রতিবন্ধিতাকে অতিক্রম করে স্বাভাবিক কর্মক্ষম হয়ে উঠতে পারে।




'অন্ধবধূ' কবিতায় অন্ধবধূ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হলেও অন্ধবধূর অনুভবের জগৎ স্বচ্ছ। সে তার অনুভূতি দিয়ে জগতের রূপ-রস-গন্ধ সম্পর্কে জ্ঞান রাখে। তবু সে নিজেকে সমাজের কর্মময় জীবনের সাথে সম্পৃক্ত করতে পারে না। প্রতিবন্ধিতাহীন মানুষের মতো নিজেকে স্বাভাবিক ভাবতে পারে না। অন্ধত্বের কারণে তার স্বামী প্রবাসী হয়েছে। তার একাকী জীবনযাপনের কথা ভেবে মৃত্যুর মধ্য দিয়ে জীবন থেকে ছুটি নিতে চায়। কবিতার এই অসহায় বধূটির বিপরীত সত্তার অধিকারী আলোচ্য উদ্দীপকের নিশাত। নিশাত দুর্ঘটনায় দুই, পা হারিয়ে প্রতিবন্ধী। কিন্তু তার স্বামী তৌহিদ এবং তার পরিবারের লোকজনের আদর-যত্ন ও সহযোগিতার ফলে নিশাত নিজেকে আর অসহায় ভাবে না। সে নতুনভাবে বাঁচার স্বপ্ন দেখে। নিজেকে সে স্বাভাবিক মানুষের মতোই ভাবে। এভাবেই উদ্দীপকের নিশাত আলোচ্য 'অন্ধবধূ' কবিতার অন্ধবধূর বিপরীত সত্তা হিসেবে চিহ্নিত।

(ঘ) "অন্ধবধূর প্রবাসী স্বামী যদি তৌহিদের মতো হতো তবে অন্ধবধূকে এত বিড়ম্বনায় পড়তে হতো না।" উক্তিটির যথার্থতা বিচার কর। ৪

"অন্ধবধূর প্রবাসী স্বামী যদি তৌহিদের মতো হতো তবে অন্ধবধূকে এত বিড়ম্বনায় পড়তে হতো না।"- উক্তিটি যথার্থ।




প্রতিবন্ধীরা সমাজের অন্য দশজন স্বাভাবিক মানুষের মতো নয়। তাদের প্রতি সমাজের স্বাভাবিক মানুষদের বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন। সমাজের স্বাভাবিক মানুষের সহায়তা পেলে এই বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষগুলোও নিজেদের আর অসহায় ভাববে না। তারাও স্বাভাবিক মানুষের মতো বাঁচার স্বপ্ন দেখতে পারবে।




উদ্দীপকে দুর্ঘটনায় দুই পা হারানোর পরও এক বধূ কীভাবে নিজেকে সমাজের স্বাভাবিক মানুষের মতো মনে করতে পারছে তার নেপথ্য বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। এখানে তৌহিদের সাহায্য-সহযোগিতা এবং তার পরিবারের অন্য সদস্যদের সহানুভূতির মাধ্যমে নিশাত স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে সক্ষম হয়েছে। অসহায়-দুর্বলের প্রতি মানুষের সামান্য সহানুভূতি যে তাকে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন বিভোর করে তার জ্বলন্ত প্রমাণ উদ্দীপকের নিশাতের জীবন।




'অন্ধবধূ' কবিতায় একজন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী গ্রাম্যবধূর অসহায় জীবনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। যেখানে বধূটি ননদের সাথে চলতে গিয়ে দিঘির শ্যাওলাপড়া পিছল ঘাটে পড়ে গিয়ে ডুবে মরার আশঙ্কা করেছে। এভাবে তার অন্ধ চোখের দ্বন্দ্ব চুকে যাওয়ার কথাও সে ভেবেছে। কারণ তার অন্ধত্বের কারণে স্বামী প্রবাসী হয়েছে। সে একাকী অসহায় জীবনযাপনের প্রতি বীতশ্রদ্ধ। মৃত্যুর মধ্য দিয়েই সে ওই জীবন থেকে মুক্তি চায়। এখানে অন্ধবধূটির স্বামী যদি উদ্দীপকের তৌহিদের মতো স্ত্রীকে সহায়তা করত তাহলে তার নিজেকে এত অসহায় মনে হতো না, সংসার জীবনে তাকে এমন বিড়ম্বনায় পড়তে হতো না। এই বিচারে প্রশ্নোক্ত উক্তিটি যথার্থ।

৪. মা-বাবার একমাত্র মেয়ে রূপা দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। চাকরিজীবী মা-বাবা অফিসে চলে গেলে রূপাকে সারাদিন ঘরে বন্দি থাকতে হয়। সে অন্যান্য বালক-বালিকার মতো মাঠে দৌড়াদৌড়ি, খেলাধুলা করতে চাইলেও পারে না। সুন্দর পৃথিবী, ঝিঝি ডাকা সন্ধ্যা, জ্যোৎস্নাপ্লাবিত রাত, গাঁয়ের মেঠোপথ সবকিছু তাকে ব্যথিত করে তোলে। এভাবেই রূপার জীবন কাটে ঘরের কোণে।

(ক) দৃষ্টিহীনদের প্রতিবন্ধিতা কীভাবে দূর করা যায়? ১

ইন্দ্রিয়সচেতনতার মাধ্যমে দৃষ্টিহীনদের প্রতিবন্ধিতা দূর করা যায়।

(খ) "পায়ের তলায় নরম ঠেকল কী!" -লাইনটিতে কী বোঝানো হয়েছে? ২

"পায়ের তলায় নরম ঠেকল কী" বলতে অন্ধবধূর ইন্দ্রিয়সচেতনতার বিষয়টি বোঝানো হয়েছে।




অন্ধবধূ দৃষ্টিহীন। কিন্তু তার অনুভবশক্তি প্রবল। প্রকৃতির রূপ-রস-গন্ধ সবকিছুই সে অনুভব করে। পায়ের তলায় নরম কোনোকিছু ঠেকলে সে ঠিকই বুঝতে পারে সেই বস্তুটা আসলে কী। 'অন্ধবন্ধু' কবিতায় দেখা যায়, পায়ের তলের নরম বস্তুটি যে বকুল ফুল সেটি সে খুব সহজেই বুঝতে পারে। আসলে আলোচ্য চরণটি দ্বারা অন্ধবধূর এই ইন্দ্রিয়সচেতনতাকে বোঝানো হয়েছে।




(গ) উদ্দীপকটিতে 'অন্ধবধূ' কবিতার কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো। ৩

উদ্দীপকটিতে 'অন্ধবধূ' কবিতার অন্ধবধূর প্রতিবন্ধিতার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।

জীবনে প্রতিবন্ধিতা নানা দিক থেকেই আসতে পারে। শারীরিক প্রতিবন্ধিতা মানুষকে স্বাভাবিক জগৎ থেকে পৃথক করে দেয়। অন্ধত্ব এক ধরনের শারীরিক প্রতিবন্ধিতা। যারা দৃষ্টিহীন তারা এই সুন্দর পৃথিবীকে দৃষ্টি দিয়ে না দেখলেও হৃদয় দিয়ে ঠিকই উপলব্ধি করতে পারে।




'অন্ধবধূ' কবিতায় অন্ধবধূ দৃষ্টিহীন। এটা নিয়ে সে আক্ষেপ করে। বাড়িতে সে একলা, স্বামী পরবাসী। সে অনুভব করে যে, পুকুরে ডুবে মরলে তার অন্ধত্বের অভিশাপ ঘুচে যেত। উদ্দীপকের রূপাও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। ইচ্ছে করলেও অন্যদের সাথে সে খেলাধুলা করতে পারে না। দৃষ্টিহীনতার কারণে প্রকৃতির অনুপম সৌন্দর্য থেকেও সে বঞ্চিত। তার জীবন কাটে একলা ঘরের কোণে। এভাবেই উদ্দীপকটিতে 'অন্ধবধূ' কবিতার অন্ধবধূর প্রতিবন্ধিতার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।

(ঘ) উদ্দীপকের রূপার জীবন এবং 'অন্ধবধূ' কবিতার অন্ধবন্ধুর জীবন সমসূত্রে বাঁধা বলা কতটুকু যৌক্তিক? বিশ্লেষণ করো। ৪

উদ্দীপকের রূপার জীবন এবং 'অন্ধবধূ' কবিতার অন্ধবধূর জীবন সমসূত্রে বাঁধা বলা পুরোপুরি যৌক্তিক নয়।




অন্ধত্ব কোনো অভিশাপের নামান্তর নয়। দৃষ্টিহীন যারা, তারা কেবল চোখে দেখতে পায় না, কিন্তু স্বাভাবিক মানুষের মতো অনুভূতিপ্রবণ। তাই সমাজের অবহেলা তাদের আঘাত করে।




'অন্ধবধূ' কবিতায় বধূটি অন্ধ হলেও নৈরাশ্যবাদী নয়। চোখে দেখতে না পাওয়ার কারণে তার দুঃখবোধ আছে ঠিকই, তাই বলে জীবনের প্রতি মমত্ববোধহীন নয়। পায়ের নিচে নরম বস্তুর অস্তিত্ব, কোকিলের ডাক মানে নতুন ঋতুর আগমন, পুকুরঘাটে শ্যাওলায় পা রেখে নতুন সিঁড়ি জেগে ওঠার কথা সমস্তই সে বোঝে। অন্যদিকে উদ্দীপকের রূপার দৃষ্টিপ্রতিবন্ধিতার কারণে ঘরের কোণে দিন কাটে। সুন্দর পৃথিবীর সৌন্দর্য দেখতে না পাওয়ার ব্যথায় সে ব্যথিত।




রূপা এবং অন্ধবধূর জীবনে অন্ধত্বের দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ। কিন্তু অন্ধবধূ রূপার মতো নৈরাশ্যবাদী নয়। সে রূপার মতো ঘরের কোণে বসে থাকে না, বরং নিজের ইন্দ্রিয়ের সাহায্যে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপলব্ধি করে। তাই রূপা ও অন্ধবধূর জীবন সমসূত্রে বাঁধা বলাটা পুরোপুরি যৌক্তিক নয়।

(৫) ফুয়াদ হাসান কয়েক বছর যাবৎ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে বিছানায় পড়ে আছেন। তাকে নিয়ে পরিবারের সবাই বিরক্ত। তাদের আচরণ দেখেই তিনি তা বুঝতে পারেন। এদিকে ফুয়াদ হাসানও নিজ জীবনের ভার বহনে অক্ষম। মৃত্যুই যেন তার মুক্তিদূত।

(ক) কীসের মধ্য দিয়ে দুঃখ-শোকের লাঘব ঘটে? ১

কান্নার মধ্য দিয়ে দুঃখ-শোকের লাঘব ঘটে।

(খ) "অন্ধ চোখের দ্বন্দ্ব চুকে যায়"- বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ২

"অন্ধ চোখের দ্বন্দ্ব চুকে যায়" বলতে অন্ধবধূর মৃত্যুর মধ্য দিয়ে তার অন্ধত্বের অভিশাপমুক্তির বিষয়কে বোঝানো হয়েছে।

'অনন্ধবধূ' কবিতায় একজন দৃষ্টিহীন গ্রাম্যবধূর অসহায় জীবনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। কবিতায় বধূটি ননদের সঙ্গে চলতে চলতে শ্যাওলা পড়া পিছিল ঘাটে পড়ে গিয়ে দিঘির জলে ডুবে মরার আশঙ্কা করেছে। তার স্বামী প্রবাসী। তাই সে একলা ঘরে চুপটি করে পড়ে থাকে। তার এই অসহায় জীবনযাপনের কথা মনে আসায় সে ভাবে, পা পিছলে দিঘির জলে ডুবে মরলেই তার প্রতিবন্ধী জীবনের অবসান ঘটে, অন্ধ চোখের দ্বন্দ্ব চুকে যায়।

(গ) উদ্দীপকে 'অন্ধবধূ' কবিতার ফুটে ওঠা দিকটি ব্যাখ্যা কর। ৩

উদ্দীপকে 'অন্ধবধূ' করিতার অন্ধবধূর মানসিক যন্ত্রণার দিকটি ফুটে উঠেছে।




প্রতিবন্ধীরা সমাজের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন, মানুষ। জন্মগতভাবে অথবা কোনো দুর্ঘটনায় পড়ে অনেকে প্রতিবন্ধী হয়ে পড়ে। তখন তাদের জীবনে স্বাভাবিক মানুষের সহযোগিতা ও সহমর্মিতার প্রয়োজন হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পরিবারের লোকজন প্রতিবন্ধী মানুষটিকে অভিশাপ ও সংসারের বোঝা মনে করে।




উদ্দীপকে একজন প্রতিবন্ধী মানুষের জীবন-যন্ত্রণা এবং তার প্রতি পরিবারের লোকজনের আচরণের দিকটি তুলে ধরা হয়েছে। পক্ষাঘাতগ্রস্ত প্রতিবন্ধী ফুয়াদ হাসানের প্রিয়জনরা বিরক্ত। ফুয়াদ নিজেও তার জীবনের ভার বহনে অক্ষম। তাই তিনি কষ্ট-যন্ত্রণার জীবন থেকে 'মুক্তি চান। মৃত্যুকেই তিনি তার মুক্তির দূত মনে করেন। এই বিষয়টি 'অন্ধবধূ' কবিতার অন্ধবধূর জীবন-যন্ত্রণার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। সে অন্ধ বলে একলা গৃহকোণে পড়ে থাকে। তাই তার মরে যেতে ইচ্ছে করে। তার সেই যন্ত্রণার কথা সে ননদের কাছে প্রকাশ করে। এভাবেই উদ্দীপকে 'অন্ধবধূ' কবিতার অন্ধবধূর মানসিক যন্ত্রণার দিকটি ফুটে উঠেছে।

(ঘ) উদ্দীপকের ফুয়াদ হাসান 'অন্ধবধূ' কবিতার কার প্রতিনিধি?- বিশ্লেষণ কর। ৪

উদ্দীপকের ফুয়াদ হাসান 'অন্ধবধূ' কবিতার অন্ধবধূর প্রতিনিধি।

আমাদের সমাজের অধিকাংশ মানুষই প্রতিবন্ধীদের অবজ্ঞার চোখে দেখে। তাদের যথাযথ পরিচর্যা এবং আত্মনির্ভরশীল হয়ে ওঠার ক্ষেত্রে, কোনো প্রকার সহযোগিতা করতে চায় না। ফলে প্রতিবন্ধীরা তখন পরিবার, সমাজ থেকে নিজেদের বিচ্ছিন্ন মনে করে। ধীরে ধীর তারা জগৎ ও জীবন থেকে নিজেদের বিচ্ছিন্ন ভাবতে থাকে।

উদ্দীপকের পক্ষাঘাতগ্রস্ত প্রতিবন্ধী ফুয়াদ হাসান মৃত্যুর মধ্য দিয়ে মুক্তি লাভ করতে চান। তাকে নিয়ে তার পরিবারের লোকজন অসুখী। তিনি নিজেও তার ভার বইতে অক্ষম। এ অবস্থায় তার আর বেঁচে থাকার ইচ্ছা হয় না। তিনি মনে করেন মৃত্যুই তার মুক্তির সহজ পথ। উদ্দীপকের এই বিষয়টি 'অন্ধবধূ' কবিতার অন্ধবধূর প্রতিবন্ধী জীবনের, সেই জীবন থেকে তার মুক্তির ভাবনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। অন্ধবধূটিও প্রতিবন্ধী বলে নিঃসঙ্গ গৃহকোণে পড়ে থাকতে হয়। তাই সেও মৃত্যুর মধ্য দিয়ে মুক্তি চায় এবং পরিবারের লোকদের মুক্তি দিতে চায়।

'অন্ধবধূ' কবিতায় অন্ধবধূর জীবন-যন্ত্রণা ও মানসিক অবস্থার প্রতিফলন লক্ষ করা যায় উদ্দীপকের ফুয়াদ হাসানের মানসিক অবস্থা ও জীবন-যন্ত্রণায়। তারা উভয়েই প্রতিবন্ধী। তারা উভয়েই জীবন-যন্ত্রণা থেকে মুক্তি চান। এসব দিক বিচারে তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের ফুয়াদ হাসান 'অন্ধবধূ' কবিতার অন্ধবধূর প্রতিনিধি।



No comments

Thank you, best of luck

Theme images by sbayram. Powered by Blogger.