সপ্তম শ্রেণি; বাংলা প্রথম পত্র; আনন্দপাঠ; কোকিল গল্পের বর্ণনামূলক প্রশ্ন-উত্তর
১.
ক. আসল কোকিল দেশ থেকে নির্বাসিত হলো কেন? ৩
খ. যন্ত্রের চাকচিক্য সবসময় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বিকল্প হয় না। 'কোকিল' গল্প অবলম্বনে আসল ও কৃত্রিম জিনিসের মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ করো। ৭
১. (ক) নম্বর প্রশ্নের উত্তর
হান্স ক্রিশ্চিয়ান আন্ডারসেনের 'কোকিল' গল্পে আসল কোকিলটির দেশ থেকে নির্বাসিত হওয়ার মূল কারণ ছিল একটি মণি-মুক্তো খচিত যান্ত্রিক বা কলের কোকিলের আগমন ও রাজার অবহেলা।
জাপানের সম্রাটের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে আসা নকল কোকিল পাখিটি দেখতে অত্যন্ত চমৎকার ছিল এবং এটি যান্ত্রিকভাবে বারবার একই সুরে গান গাইত। রাজসভার সংগীতবিশারদ ও সভাসদরা আসল কোকিলের চেয়ে এই কৃত্রিম পাখিটির গানেই বেশি মুগ্ধ হয়ে পড়েন কারণ এটি নিয়ম মেনে নিখুঁতভাবে গান গায়। অন্যদিকে, বনের আসল কোকিলটি গাইত তার নিজের খেয়াল ও স্বাধীনতায়। সবাই যখন নকল পাখিটির প্রশংসা নিয়ে ব্যস্ত, তখন আসল কোকিলটি অভিমানে বনে | ফিরে যায়। তাই বলা যায় আসল কোকিল নির্বাসিত হয় দেশ থেকে মূলত অবহেলার কারণে।
১. (খ) নম্বর প্রশ্নের উত্তর
'কোকিল' গল্পটিতে আসল ও কৃত্রিম জিনিসের পার্থক্যের মাধ্যমে লেখক প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের শ্রেষ্ঠত্ব ফুটিয়ে তুলেছেন।
আসল কোকিলটি দেখতে ছিল অত্যন্ত সাধারণ ও কালো রঙের। পক্ষান্তরে, কৃত্রিম বা কলের কোকিলটি ছিল হিরে, জহরত ও মণি-মুন্তোয় ঝলমলে। বনের কোকিল তার নিজস্ব মেজাজে ও স্বাধীনভাবে মনের আনন্দে গান গাইত, যা শুনে সম্রাটের চোখে জল আসত। অন্যদিকে, কৃত্রিম পাখিটি ছিল দম দেওয়া যন্ত্রের। এটি নির্দিষ্ট কিছু গৎ বাঁধা বা সুর ছাড়া অন্য কিছু গাইতে পারত না। নকল কোকিলটি বেশি ব্যবহারের ফলে এক সময় বিকল হয়ে যায়। এ তার কলকব্জা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সেটি আর আগের মতো গাইতে পারত না। কিন্তু প্রাকৃতিক কোকিলের সুর ছিল চিরন্তন; সম্রাটের চরম অসুস্থতার সময়ে সে গান গেয়ে তাঁকে নতুন জীবন দান করে। যন্ত্রের কোনো অনুভূতি নেই কিন্তু আসল কোকিলের মধ্যে ছিল নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, মানবিকতা ও কৃতজ্ঞতা। সে কোনো পুরস্কারের আশা না করেই সম্রাটের জীবন বাঁচাতে ফিরে এসেছিল।
সুতরাং বলা যায়, কৃত্রিম জিনিসের চাকচিক্য সাময়িকভাবে আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও বিপদের সময় বা মানসিক শান্তিতে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যই অপরিহার্য, যার কোনো বিকল্প হয় না।
২.
ক. পুথি পড়ে রাজা চমকে উঠলেন কেন? ব্যাখ্যা দাও। ৩
খ. 'কোকিল' গল্পটি নিঃস্বার্থভাবে পরোপকারের প্রেরণা জোগায়।- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো। ৭
২. (ক) নম্বর প্রশ্নের উত্তর:
হান্স ক্রিশ্চিয়ান আন্ডারসেনের 'কোকিল' গল্পে রাজা তাঁর বিশাল প্রাসাদ এবং বাগান নিয়ে অত্যন্ত গর্বিত। সারা পৃথিবী থেকে পর্যটকরা রাজার প্রাসাদ দেখতে আসে এবং পণ্ডিতরা রাজার প্রাসাদের বর্ণনা দিয়ে বড়ো বড়ো পুথি লেখেন। রাজা যখন তাঁর সিংহাসনে বসে সেই পুথিগুলো পড়েন, তখন দেখেন সেখানে লেখা আছে যে তাঁর রাজ্যের সবকিছুই চমৎকার কিন্তু বনের সেই সাধারণ কোকিলটি সবচেয়ে ভালো।
রাজা নিজের রাজ্য ও প্রাসাদের খুঁটিনাটি জানলেও তাঁর রাজ্যে যে এত চমৎকার গান গাইতে পারা একটি কোকিল পাখি আছে, তা তিনি জানতেন না। এমনকি তাঁর প্রধান অমাত্যও কোকিলের অস্তিত্বের কথা জানতেন না। পুথি পড়ে তার কথা প্রথম জানতে পারেন রাজা। তাই পুথি পড়ে এই পাখির কথা জানতে পেরে বিস্ময়ে রাজা চমকে ওঠেন।
২. (খ) নম্বর প্রশ্নের উত্তর:
'কোকিল' গল্পটি নিঃস্বার্থ পরোপকারের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। গল্পটিতে কোকিলের কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে দেখা যায়, প্রকৃত পরোপকারী কোনো বিনিময় বা প্রতিদানের আশা না করেই অন্যের উপকার করে।
রাজা বনের কোকিলকে প্রাসাদে এনে সোনার খাঁচায় রেখেছিলেন। পরবর্তীকালে একটি মণি-মুক্তো খচিত যান্ত্রিক বা কলের কোকিল আসার পর রাজা আসল কোকিলটিকে অবহেলা করেন। আসল কোকিল নির্বাসিত হয় দেশ থেকে। রাজার যন্ত্রের পাখিটি অকেজো হয়ে পড়ে। দুঃখ পেয়ে রাজা অসুস্থ হয়ে সয্যাগত হয়ে পড়েন। তখন আসল কোকিল তার পুরোনো ক্ষোভ ধরে রাখেনি। সে স্বেচ্ছায় ফিরে এসে তার সুমধুর গান দিয়ে মৃত্যুর হাত থেকে রাজার প্রাণ রক্ষা করে। কৃতজ্ঞ রাজা যখন কোকিলকে মূল্যবান পুরস্কার বা দিতে চান, কোকিল তা নিতে অস্বীকার করে। সে জানায়, রাজার চোখের আনন্দাশ্রুই তার জন্য শ্রেষ্ঠ পুরস্কার। কোকিল কোনো স্বার্থের টানে নয় বরং রাজাকে সুস্থ করতে এবং সাধারণ মানুষের দুঃখ-সুখের খবর রাজাকে পৌঁছে দিতেই গান গাওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়।
সুতরাং বলা যায়, গল্পের আসল কোকিলটি কৃত্রিম জৌলুসের চেয়ে নিঃস্বার্থ সেবাকে বড়ো করে দেখেছে। এটি আমাদের শিক্ষা দেয় যে, প্রকৃত পরোপকারী কোনো কিছু পাওয়ার আশায় উপকার করেন না, বরং মানুষের কল্যাণের মাধ্যমেই প্রকৃত সুখ খুঁজে পান। তাই বলা যায় যে, 'কোকিল' গল্পটি নিঃস্বার্থভাবে পরোপকারের প্রেরণা জোগায়।
৩.
ক. 'কোকিল' গল্পে চীন দেশের রাজার বাগানের বর্ণনা দাও। ৩
খ. কোকিলের গানের সুখ্যাতির স্বরূপ বিশ্লেষণ করো। ৭
৩. (ক) নম্বর প্রশ্নের উত্তর
'কোকিল' গল্পে চীন দেশের রাজার বাগান খুব সুন্দর; সেখানে নানারকম আশ্চর্য ফুল ফোটে এবং দূরদূরান্ত থেকে মানুষ সেই বাগান দেখার জন্য ছুটে আসে।
'কোকিল' গল্পে চীন দেশের রাজার একটি সুন্দর বাগান আছে। বাগানে নানারকমের আশ্চর্য ফুল ফোটে। এগুলোর মধ্যে যেসব ফুল খুব দামি, সে সব ফুলের গলায় রূপার ঘণ্টা বেঁধে রাখা হয়। ফুলের কাছ দিয়ে হেঁটে গেলে ঘণ্টার শব্দে ফিরে তাকাতেই হবে। রাজার বাগানের সব ব্যবস্থাই চমৎকার। বাগানটি এত বড়ো যে, মালি নিজেই জানে না এর শেষ কোথায়, বাগানের মধ্য দিয়ে হেঁটে গেলে এক বনের ধারে পৌঁছানো যায়। সেই বনে রয়েছে মস্ত উঁচু গাছ আর গভীর হ্রদ। বন সোজা সমুদ্রে চলে গিয়েছে, নীল জলের অতল সমুদ্র আর ঝুঁকে পড়া ডালপালার আড়ালে লুকিয়ে থাকে এক কোকিল। তার গান খুব মধুর। নানা দেশ থেকে নানা লোক চীন দেশের রাজার রাজধানীতে আসে। রাজার বাগান দেখে তাদের আর চোখের পলক পড়ে না।
অর্থাৎ, সব মিলিয়ে চীন দেশের রাজার বাগান অনেক বড়ো, আশ্চর্য ফুলে পরিপূর্ণ এবং মানুষের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু ছিল।
৩. (খ) নম্বর প্রশ্নের উত্তর
হান্স ক্রিশ্চিয়ান আন্দেরসেন রচিত 'কোকিল' গল্পটি চীনা রাজ্য ও একটি কোকিলকে ঘিরে আবর্তিত হয়েছে। এটি মূলত একটি রূপকথা। চীন দেশের রাজার রাজ্যে কালো রঙের একটি সুকণ্ঠী কোকিল পাখি ছিল। পাখির সুমধুর গানের সুখ্যাতি চীন দেশে তো বটেই, বিদেশেও ছড়িয়ে পড়েছিল। বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে সেসময় মানুষ চীন দেশে যেত শুধু কোকিল পাখির গান শোনার জন্য।
কোকিল' গল্পের কোকিল পাখিটির ছিল আশ্চর্য গুণ। সে প্রচণ্ড মধুর কণ্ঠে গান গাইতে পারত। পাখিটি বাস করত নীল জলের অতল সমুদ্র আর বনের ঝুঁকে-পড়া ডালপালার আড়ালে। তার গান এতই মধুর যে, জেলে মাছ ধরতে এসে হাতের কাজ ফেলে তার গান শুনত। নানান দেশ থেকে নানান লোক এসে রাজধানীর রাজপ্রাসাদ ও বাগান দেখে। কিন্তু যেই তারা কোকিলের গান শোনে, তখন তাদের মনে হয় অন্য কোনোকিছুই কোকিলের গানের মতো আশ্চর্যরকম ও চমকপ্রদ নয়। দেশে ফিরে তারা কোকিলের গল্প করে। পণ্ডিতেরা চীন দেশের বর্ণনা লিখতে গিয়ে হাজার হাজার পাতাজুড়ে কেবল কোকিল ও তার গানের প্রশংসা করেন। কবিরাও হৃদে ঘেরা বনের বুকের এই আশ্চর্য পাখিকে নিয়ে আশ্চর্য সব কবিতা লেখেন। কোকিল পাখিকে নিয়ে লেখা পণ্ডিতদের এসব পুথি ও কবিদের কবিতাগুলো পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে যায়। সবাই এগুলো পড়ে চীন দেশের আশ্চর্য কোকিল পাখি সম্পর্কে জানতে পারে। চীনা রাজার হাতেও এসব পুথি ও কবিতার কয়েকটি আসে। এগুলো পড়ে তিনি তাঁর রাজ্যের সুকণ্ঠী কোকিল পাখিটির বিশ্বজোড়া সুখ্যাতি উপলব্ধি করেন এবং তার জন্য রাজসভায় সোনার খাঁচার ব্যবস্থা করেন।
সুতরাং, উপরের আলোচনার ভিত্তিতে বলা যায়, কোকিলের গানের সুখ্যাতি চীনা রাজ্য ছাপিয়ে বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত ছিল।
৪.
ক. রাজার সভাসদরা কীভাবে কোকিলের সন্ধান পেলেন? ব্যাখ্যা করো। ৩
খ. 'কোকিল' গল্পের আসল কোকিল ও কলের কোকিলের মধ্যে তুলনামূলক আলোচনা করো। ৭
৪. (ক) নম্বর প্রশ্নের উত্তর:
রাজার সভাসদরা রাজপ্রাসাদের রান্নাঘরের সবচেয়ে ছোটো ঝি-এর মাধ্যমে কোকিলের সন্ধান পেলেন।
'কোকিল' গল্পে চীন দেশের রাজার রাজ্যে একটি কোকিল পাখি খুব মধুর কণ্ঠে গান গাইত। যে তার গান শুনত, সেই মুগ্ধ হয়ে যেত। সবার কাছে প্রশংসা শুনে রাজা একদিন কোকিলের গান শুনতে চাইলেন এবং সভাসদদের নির্দেশ দিলেন পাখিটিকে রাজসভায় নিয়ে আসার জন্য। প্রধান অমাত্যসহ সভাসদরা সব জায়গায় পাখির সন্ধান করতে লাগলেন। অবশেষে প্রাসাদের রান্নাঘরে ছোটো একটি মেয়ের সাথে তাদের দেখা হলো। রাজার পাঁচশ রাঁধুনির পাঁচশ ঝি, সেই ঝিদের মধ্যে সবচেয়ে ছোটো সে। সে জানত কোকিল কোথায় থাকে। তখন প্রধান অমাত্য মেয়েটিকে বলেন তাদেরকে কোকিলের কাছে নিয়ে যেতে। এর বিনিময়ে তাকে রাঁধুনি করে দেওয়ার এবং দরজার ধারে দাঁড়িয়ে রাজাকে দেখার অনুমতি পাইয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। মেয়েটি এ প্রস্তাবে রাজি হয় এবং সভাসদদের কোকিলের কাছে নিয়ে যায়। মেয়েটি একটি গাছের ঘন ডালের দিকে আঙুল তুলে কোকিলকে দেখিয়ে দেয়।
এভাবেই ছোটো মেয়েটির মাধ্যমে রাজার সভাসদরা কোকিলের সন্ধান পেয়েছিলেন।
৪. (খ) নম্বর প্রশ্নের উত্তর:
হান্স ক্রিশ্চিয়ান আন্দেরসেন রচিত এবং বুদ্ধদেব বসু অনূদিত 'কোকিল' গল্পে চীন দেশের একটি কোকিলের কাহিনি বর্ণিত হয়েছে। যন্ত্রের চাকচিক্য যে কখনো প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বিকল্প হতে পারে না, তা এ গল্পে খুব সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়েছে। গল্পটিতে আসল কোকিল ও কলের কোকিল উভয়ই সুন্দর গান করলেও কলের কোকিলের গুণ কোনোভাবেই আসল কোকিলের গুণাবলিকে ছাপিয়ে যেতে পারেনি।
'কোকিল' গল্পে আসল কোকিল চীন দেশের রাজধানীর কাছে একটি বনে থাকে। সমুদ্রের ধারে বনের গাছপালার আড়ালে সে গান গায়। তার সুমধুর কন্ঠের গান সবাই মন্ত্রমুগ্ধের মতো শোনে। তার গানে রয়েছে বৈচিত্র্য, সুরের মধ্যে রয়েছে নিজস্বতা। সে কোনো গৎবাঁধা সুরে গান গায়। যখন যেরকম ইচ্ছা, সেরকমভাবে গান গায়। কোকিল বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে রাজ্যের মানুষের অবস্থা দেখে। চারদিকে লুকানো ভালোমন্দ নিয়েও কোকিল সুরেলা কণ্ঠে গান বাঁধে।
অন্যদিকে, কলের কোকিলের গানের মধ্যে কোনো নিজস্বতা নেই। কলের কোকিলে দম দিলে সে গান করে বটে কিন্তু তার গান যেন কেবল একটি গৎবাঁধা সুর। কলের কোকিলের গানের তাল, লয়, সুর সবকিছুই একদম নিখুঁত। কিন্তু সে প্রতিবারই নিখুঁতভাবে একই গান শোনায়। ফলে কলের কোকিলের গানের প্রতিটি ছোটো ছোটো টান সম্রাটসহ রাজ্যের সবার মুখস্থ হয়ে যায়। এছাড়া কলের কোকিল এক বছর পেরোতেই অকেজো হয়ে যায়। এর ভিতরের তার ছিঁড়ে গান বন্ধ হয়ে যায়। মেরামত করার পরেও সে আর আগের মতো গান গাইতে পারত না। নকল কোকিলটি বেশি ব্যবহারের ফলে এক সময় বিকল হয়ে যায়। এ তার কলকব্জা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সেটি আর আগের মতো গাইতে পারত না। কিন্তু প্রাকৃতিক কোকিলের সুর ছিল চিরন্তন; সম্রাটের চরম অসুস্থতার সময়ে সে গান গেয়ে তাঁকে নতুন জীবন দান করে। যন্ত্রের কোনো অনুভূতি নেই কিন্তু আসল কোকিলের মধ্যে ছিল নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, মানবিকতা ও কৃতজ্ঞতা। সে কোনো পুরস্কারের আশা না করেই সম্রাটের জীবন বাঁচাতে ফিরে এসেছিল।
সুতরাং বলা যায়, কৃত্রিম জিনিসের চাকচিক্য সাময়িকভাবে আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও বিপদের সময় বা মানসিক শান্তিতে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যই অপরিহার্য, যার কোনো বিকল্প হয় না।
No comments
Thank you, best of luck