ক্রিয়াপদ ও ধাতু।। অষ্টম শ্রেণি।। ১০০টি এক বাক্যে উত্তরের প্রশ্ন-উত্তর নিচে দেওয়া হলো। Class 8।। Ben-2।। Board Book ।।
ধাতু ও ক্রিয়াপদ
১. ক্রিয়াপদ কাকে বলে?উত্তর: যে পদ দ্বারা কোনো কিছু করা বা কোনো কাজ করা বোঝায়, তাকে ক্রিয়াপদ বলে।
২. সমাপিকা ক্রিয়া কাকে বলে?
উত্তর: যে ক্রিয়া দ্বারা বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ প্রকাশিত হয়, তাকে সমাপিকা ক্রিয়া বলে।
৩. ‘বিথু গান গায়’—এখানে ‘গায়’ কোন ধরনের ক্রিয়া?
উত্তর: ‘গায়’ এখানে সমাপিকা ক্রিয়া।
৪. অসমাপিকা ক্রিয়া কাকে বলে?
উত্তর: যে ক্রিয়া দ্বারা বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ হয় না, তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলে।
৫. ‘আমি বাড়ি গিয়ে খাব’—এই বাক্যে অসমাপিকা ক্রিয়া কোনটি?
উত্তর: এই বাক্যে ‘গিয়ে’ হলো অসমাপিকা ক্রিয়া।
৬. সকর্মক ক্রিয়া কাকে বলে?
উত্তর: যে ক্রিয়ার কোনো কর্ম থাকে, তাকে সকর্মক ক্রিয়া বলে।
৭. ‘স্বপন চিঠি লিখছে’—এটি কোন ক্রিয়ার উদাহরণ?
উত্তর: এটি সকর্মক ক্রিয়ার উদাহরণ।
৮. অকর্মক ক্রিয়া কাকে বলে?
উত্তর: যে ক্রিয়ার কোনো কর্ম থাকে না, তাকে অকর্মক ক্রিয়া বলে।
৯. ‘কাঞ্চন পড়ছে’—এটি অকর্মক ক্রিয়া কেন?
উত্তর: কারণ ‘পড়ছে’ ক্রিয়াটির কোনো কর্ম নেই।
১০. দ্বিকর্মক ক্রিয়া কাকে বলে?
উত্তর: যে ক্রিয়ার দুটি কর্ম থাকে, তাকে দ্বিকর্মক ক্রিয়া বলে।
১১. প্রযোজক ক্রিয়া বলতে কী বোঝো?
উত্তর: যে ক্রিয়া অন্যের দ্বারা চালিত হয়, তাকে প্রযোজক ক্রিয়া বলে।
১২. ‘মা শিশুকে খিচুড়ি খাওয়াচ্ছেন’—এখানে ‘খাওয়াচ্ছেন’ কোন ক্রিয়া?
উত্তর: ‘খাওয়াচ্ছেন’ এখানে প্রযোজক ক্রিয়া।
১৩. যৌগিক ক্রিয়া কীভাবে গঠিত হয়?
উত্তর: একটি অসমাপিকা ক্রিয়া ও একটি সমাপিকা ক্রিয়া মিলিত হয়ে যৌগিক ক্রিয়া গঠিত হয়।
১৪. সংযোগ ক্রিয়ার অপর নাম কী?
উত্তর: সংযোগ ক্রিয়ার অপর নাম মিশ্র ক্রিয়া।
১৫. কর্মপদ চেনার উপায় কী?
উত্তর: বাক্যের ক্রিয়াকে ‘কী’ বা ‘কাকে’ প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাই কর্মপদ।
১৬. ধাতু কাকে বলে?
উত্তর: ক্রিয়ার মূল অংশকে ধাতু বলে।
১৭. ক্রিয়াপদকে বিশ্লেষণ করলে কয়টি অংশ পাওয়া যায়?
উত্তর: ক্রিয়াপদকে বিশ্লেষণ করলে দুটো অংশ পাওয়া যায়—ধাতু ও ক্রিয়াবিভক্তি।
১৮. ধাতু কত প্রকার?
উত্তর: ধাতু তিন প্রকার।
১৯. মৌলিক ধাতু কাকে বলে?
উত্তর: যেসব ধাতু বিশ্লেষণ করা যায় না, তাকে মৌলিক ধাতু বলে।
২০. মৌলিক ধাতুর তিনটি উদাহরণ দাও।
উত্তর: কর্, চল্, এবং খা।
২১. সাধিত ধাতু কীভাবে গঠিত হয়?
উত্তর: মৌলিক ধাতু বা নাম-শব্দের পরে ‘আ’ প্রত্যয় যোগে সাধিত ধাতু গঠিত হয়।
২২. যৌগিক বা সংযোগমূলক ধাতু কাকে বলে?
উত্তর: বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক অব্যয়ের সাথে মৌলিক ধাতু মিলিত হয়ে যে ধাতু গঠিত হয়, তাকে যৌগিক ধাতু বলে।
২৩. মৌলিক ধাতু কয় প্রকার?
উত্তর: মৌলিক ধাতু তিন প্রকার।
উত্তর: যে ক্রিয়ার কোনো কর্ম থাকে না, তাকে অকর্মক ক্রিয়া বলে।
৯. ‘কাঞ্চন পড়ছে’—এটি অকর্মক ক্রিয়া কেন?
উত্তর: কারণ ‘পড়ছে’ ক্রিয়াটির কোনো কর্ম নেই।
১০. দ্বিকর্মক ক্রিয়া কাকে বলে?
উত্তর: যে ক্রিয়ার দুটি কর্ম থাকে, তাকে দ্বিকর্মক ক্রিয়া বলে।
১১. প্রযোজক ক্রিয়া বলতে কী বোঝো?
উত্তর: যে ক্রিয়া অন্যের দ্বারা চালিত হয়, তাকে প্রযোজক ক্রিয়া বলে।
১২. ‘মা শিশুকে খিচুড়ি খাওয়াচ্ছেন’—এখানে ‘খাওয়াচ্ছেন’ কোন ক্রিয়া?
উত্তর: ‘খাওয়াচ্ছেন’ এখানে প্রযোজক ক্রিয়া।
১৩. যৌগিক ক্রিয়া কীভাবে গঠিত হয়?
উত্তর: একটি অসমাপিকা ক্রিয়া ও একটি সমাপিকা ক্রিয়া মিলিত হয়ে যৌগিক ক্রিয়া গঠিত হয়।
১৪. সংযোগ ক্রিয়ার অপর নাম কী?
উত্তর: সংযোগ ক্রিয়ার অপর নাম মিশ্র ক্রিয়া।
১৫. কর্মপদ চেনার উপায় কী?
উত্তর: বাক্যের ক্রিয়াকে ‘কী’ বা ‘কাকে’ প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাই কর্মপদ।
১৬. ধাতু কাকে বলে?
উত্তর: ক্রিয়ার মূল অংশকে ধাতু বলে।
১৭. ক্রিয়াপদকে বিশ্লেষণ করলে কয়টি অংশ পাওয়া যায়?
উত্তর: ক্রিয়াপদকে বিশ্লেষণ করলে দুটো অংশ পাওয়া যায়—ধাতু ও ক্রিয়াবিভক্তি।
১৮. ধাতু কত প্রকার?
উত্তর: ধাতু তিন প্রকার।
১৯. মৌলিক ধাতু কাকে বলে?
উত্তর: যেসব ধাতু বিশ্লেষণ করা যায় না, তাকে মৌলিক ধাতু বলে।
২০. মৌলিক ধাতুর তিনটি উদাহরণ দাও।
উত্তর: কর্, চল্, এবং খা।
২১. সাধিত ধাতু কীভাবে গঠিত হয়?
উত্তর: মৌলিক ধাতু বা নাম-শব্দের পরে ‘আ’ প্রত্যয় যোগে সাধিত ধাতু গঠিত হয়।
২২. যৌগিক বা সংযোগমূলক ধাতু কাকে বলে?
উত্তর: বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক অব্যয়ের সাথে মৌলিক ধাতু মিলিত হয়ে যে ধাতু গঠিত হয়, তাকে যৌগিক ধাতু বলে।
২৩. মৌলিক ধাতু কয় প্রকার?
উত্তর: মৌলিক ধাতু তিন প্রকার।
২৪. সংস্কৃত ধাতু কাকে বলে?
উত্তর: তৎসম ক্রিয়াপদের ধাতুকে সংস্কৃত ধাতু বলে।
২৫. বাংলা ধাতু বলতে কী বোঝো?
উত্তর: যেসব ধাতু সংস্কৃত থেকে প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে, তাদের বাংলা ধাতু বলে।
উত্তর: তৎসম ক্রিয়াপদের ধাতুকে সংস্কৃত ধাতু বলে।
২৫. বাংলা ধাতু বলতে কী বোঝো?
উত্তর: যেসব ধাতু সংস্কৃত থেকে প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে, তাদের বাংলা ধাতু বলে।
২৬. বিদেশাগত ধাতু কাকে বলে?
উত্তর: বিদেশি ভাষা থেকে যেসব ধাতু বাংলা ভাষায় এসেছে, তাদের বিদেশাগত ধাতু বলে।
২৭. সাধিত ধাতু কত প্রকার?
উত্তর: সাধিত ধাতু তিন প্রকার।
২৮. ‘বাবা এসেছেন’—বাক্যে ক্রিয়াপদ কোনটি?
উত্তর: এখানে ‘এসেছেন’ হলো ক্রিয়াপদ।
২৯. ‘ঘড়িতে দশটা বাজে’—বাক্যে ক্রিয়াপদ কোনটি?
উত্তর: এখানে ‘বাজে’ হলো ক্রিয়াপদ।
৩০. ‘সেতু স্কুলে যায়’—এটি কোন ধরনের ক্রিয়ার উদাহরণ?
উত্তর: এটি সমাপিকা ক্রিয়ার উদাহরণ।
৩১. অসমাপিকা ক্রিয়াকে পূর্ণ করতে কী প্রয়োজন?
উত্তর: অসমাপিকা ক্রিয়াকে পূর্ণ করার জন্য আরও সমাপিকা ক্রিয়া চাই।
৩২. ‘মা শিশুকে খিচুড়ি খেতে দেন’—বাক্যে কর্মপদ কয়টি?
উত্তর: এই বাক্যে কর্মপদ দুটি (শিশুকে, খিচুড়ি)।
৩৩. ‘সাপুড়ে সাপ খেলায়’—বাক্যে প্রযোজক ক্রিয়া কোনটি?
উত্তর: এখানে ‘খেলায়’ হলো প্রযোজক ক্রিয়া।
৩৪. ‘সাইরেন বেজে উঠল’—এটি কিসের উদাহরণ?
উত্তর: এটি একটি যৌগিক ক্রিয়ার উদাহরণ।
৩৫. সংযোগ ক্রিয়া গঠনে ‘করা’ ধাতু যুক্ত একটি উদাহরণ দাও।
উত্তর: ‘গান করা’ একটি সংযোগ ক্রিয়া।
৩৬. ‘মা ভাত রান্না করছেন’—বাক্যে ‘ভাত’ কোন পদ?
উত্তর: ‘ভাত’ হলো কর্মপদ।
৩৭. ‘সৌরভ পড়ে’—বাক্যে ক্রিয়াটি সকর্মক না অকর্মক?
উত্তর: এখানে ‘পড়ে’ হলো অকর্মক ক্রিয়া।
৩৮. ক্রিয়া বিভক্তি কাকে বলে?
উত্তর: ধাতুর পরে যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয়ে ক্রিয়াপদ গঠন করে, তাকে ক্রিয়া বিভক্তি বলে।
৩৯. ‘বল্ + আ = বলা’—এটি কোন ধাতুর উদাহরণ?
উত্তর: এটি সাধিত ধাতুর উদাহরণ।
৪০. ‘ভয় কর্’—এটি কোন ধরনের ধাতু?
উত্তর: এটি যৌগিক বা সংযোগমূলক ধাতু।
৪১. সংস্কৃত ধাতুর একটি উদাহরণ দাও।
উত্তর: ‘দৃশ্’ একটি সংস্কৃত ধাতু।
৪২. ‘আঁকা’ শব্দের মূল ধাতু কোনটি?
উত্তর: ‘আঁকা’ শব্দের মূল ধাতু ‘আঁক্’।
৪৩. ‘খাটবে’ শব্দের ধাতু কোনটি?
উত্তর: ‘খাটবে’ শব্দের ধাতু ‘খাট্’।
৪৪. প্রযোজক ধাতুর অপর নাম কী?
উত্তর: প্রযোজক ধাতুর অপর নাম ণিজন্ত ধাতু।
৪৫. নাম ধাতু কাকে বলে?
উত্তর: বিশেষ্য, বিশেষণ ও অনুকার অব্যয়ের পরে ‘আ’ প্রত্যয় যোগে গঠিত ধাতুকে নাম ধাতু বলে।
৪৬. কর্মবাচ্যের ধাতু কাকে বলে?
উত্তর: কর্মবাচ্যের ক্রিয়ার মূলকে কর্মবাচ্যের ধাতু বলে।
৪৭. ‘মৌলিক ধাতু + আ’—কোন ধাতুর গঠনতন্ত্র?
উত্তর: এটি সাধিত ধাতুর গঠনতন্ত্র।
৪৮. ‘মর্মান্তিক দৃশ্য বর্ণনা করা যায় না’—এখানে সংস্কৃত ধাতু কোনটি?
উত্তর: এখানে ‘দৃশ্’ হলো সংস্কৃত ধাতু।
৪৯. ‘তোমার হাসিটি খুব সুন্দর’—এখানে ‘হাসি’ কোন ধাতু থেকে এসেছে?
উত্তর: ‘হাসি’ বাংলা ধাতু ‘হাস্’ থেকে এসেছে।
৫০. ‘পা’ কোন ধরনের ধাতু?
উত্তর: ‘পা’ একটি মৌলিক ধাতু।
৫১. ‘সেতু স্কুলে যায়’ এবং ‘সেতু গান গায়’—উভয় বাক্যে ক্রিয়ার মিল কোথায়?
উত্তর: উভয় বাক্যের ক্রিয়াই সমাপিকা এবং সকর্মক বৈশিষ্ট্যের।
৫২. ‘সে বই নিয়ে পড়তে বসেছে’—বাক্যে সমাপিকা ও অসমাপিকা ক্রিয়াগুলো চিহ্নিত করো।
উত্তর: এখানে ‘নিয়ে’ ও ‘পড়তে’ অসমাপিকা এবং ‘বসেছে’ সমাপিকা ক্রিয়া।
৫৩. সকর্মক ক্রিয়া কখন অকর্মক ক্রিয়া হতে পারে?
উত্তর: প্রয়োগ-বৈশিষ্ট্যের কারণে কর্মপদ উহ্য থাকলে সকর্মক ক্রিয়া অকর্মক হতে পারে।
৫৪. ‘আমি টিফিন খেয়েছি’ এবং ‘আমি টিফিনে খেয়েছি’—এই বাক্য দুটির মধ্যে ক্রিয়ার পার্থক্য কী?
উত্তর: প্রথমটি সকর্মক ক্রিয়া এবং দ্বিতীয়টি অকর্মক ক্রিয়া।
৫৫. সংযোগ ক্রিয়া ও যৌগিক ক্রিয়ার মধ্যে প্রধান পার্থক্য কী?
উত্তর: যৌগিক ক্রিয়া ‘অসমাপিকা + সমাপিকা’ দিয়ে গঠিত, আর সংযোগ ক্রিয়া ‘নাম শব্দ + ক্রিয়া’ দিয়ে গঠিত।
৫৬. ‘শিক্ষক ছাত্রকে বাংলা বইটি উপহার দিলেন’—বাক্যে গৌণ কর্ম কোনটি?
উত্তর: এখানে ‘ছাত্রকে’ হলো গৌণ কর্ম।
৫৭. ‘মা শিশুকে খিচুড়ি খেতে দেন’—এই বাক্যে সমাপিকা ও অসমাপিকা ক্রিয়া চিহ্নিত করো।
উত্তর: এখানে ‘খেতে’ অসমাপিকা এবং ‘দেন’ সমাপিকা ক্রিয়া।
৫৮. প্রযোজক ক্রিয়ায় কয়টি পক্ষ থাকে?
উত্তর: প্রযোজক ক্রিয়ায় সাধারণত দুটি পক্ষ থাকে—প্রযোজক (যে চালায়) ও প্রযোজ্য (যাকে চালানো হয়)।
৫৯. ‘পকেট মারা’ কোন ধরনের ক্রিয়ার উদাহরণ এবং কেন?
উত্তর: এটি সংযোগ ক্রিয়া, কারণ এটি নাম শব্দ (পকেট) ও ক্রিয়া (মারা) এর মিলনে গঠিত।
৬০. ‘সৌরভ পড়ে’ বাক্যটিতে ক্রিয়াটি কেন অকর্মক?
উত্তর: কারণ ক্রিয়াটিকে ‘কী’ বা ‘কাকে’ দিয়ে প্রশ্ন করলে কোনো উত্তর পাওয়া যায় না।
৬১. ধাতু ও ক্রিয়াপদের মধ্যে সম্পর্ক কী?
উত্তর: ধাতুর সাথে ক্রিয়া বিভক্তি যুক্ত হয়ে ক্রিয়াপদ গঠিত হয়।
৬২. ‘অঙ্কন’ শব্দের বুৎপত্তিগত বিশ্লেষণ পাঠ্য অনুযায়ী কী?
উত্তর: অক্ + অন = অঙ্কন।
৬৩. মৌলিক ধাতুকে কেন ‘স্বয়ংসিদ্ধ ধাতু’ বলা হয়?
উত্তর: কারণ এই ধাতুগুলোকে আর কোনো ক্ষুদ্রতর অংশে বিশ্লেষণ করা যায় না।
৬৪. ‘দৃশ্ + য = দৃশ্য’—এখানে ‘দৃশ্’ কোন ভাষার ধাতু?
উত্তর: ‘দৃশ্’ সংস্কৃত বা তৎসম ভাষার ধাতু।
৬৫. ‘কৃ + তব্য = কর্তব্য’—এই উদাহরণটি কোন ধরনের ধাতুর প্রয়োগ নির্দেশ করে?
উত্তর: এটি সংস্কৃত ধাতুর সরাসরি বাংলা ভাষায় প্রয়োগ নির্দেশ করে।
৬৬. বাংলা ধাতুর উৎপত্তির ক্রমটি দেখাও।
উত্তর: সংস্কৃত > প্রাকৃত > বাংলা।
৬৭. ‘আঁকাআঁকি’ শব্দের মূল ধাতু ‘আঁক্’ কেন বাংলা ধাতু?
উত্তর: কারণ এটি সংস্কৃত ‘অঙ্ক’ থেকে প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে।
৬৮. ‘বিগড়ানো’ শব্দের ধাতু ‘বিগডু’ কোন শ্রেণিভুক্ত?
উত্তর: এটি একটি বিদেশাগত বা বিদেশি ধাতু।
৬৯. ‘অন্ধকার বেশ জমাট বেঁধেছে’—এখানে ‘জমাট’ কোন শ্রেণির ধাতু থেকে গঠিত?
উত্তর: এটি বিদেশি ধাতু ‘জম্’ থেকে গঠিত।
৭০. প্রযোজক ধাতু বা ণিজন্ত ধাতু গঠনের নিয়মটি কী?
উত্তর: মৌলিক ধাতুর পরে ‘আ’ প্রত্যয় যোগ করে এটি গঠিত হয়।
৭১. ‘শিক্ষক ছাত্রদের পড়াচ্ছেন’—এখানে ‘পড়াচ্ছেন’ ক্রিয়াটির মূল ধাতু কোনটি?
উত্তর: এর মূল ধাতু হলো প্রযোজক ধাতু ‘পড়ু + আ’।
৭২. ‘বাবা ঘুমাচ্ছেন’—এখানে ‘ঘুমা’ কেন নাম ধাতু?
উত্তর: কারণ এটি ‘ঘুম’ নামক বিশেষ্য পদের পরে ‘আ’ প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে।
৭৩. কর্মবাচ্যের ক্রিয়ার সংজ্ঞা দাও।
উত্তর: বাক্যে কর্তার চেয়ে কর্মের সাথে যখন ক্রিয়ার সম্পর্ক প্রধান হয়, তাকে কর্মবাচ্যের ক্রিয়া বলে।
৭৪. ‘বইটি হারিয়ে ফেলেছি’—এখানে ‘হারিয়ে ফেলেছি’ কোন ধরণের ধাতুর কাজ?
উত্তর: এটি কর্মবাচ্যের ধাতুর উদাহরণ।
৭৫. ‘দে’ এবং ‘খা’ ধাতু দুটি কোন কোন ধাতুর প্রকারভেদে পাওয়া যায়?
উত্তর: এই দুটি মৌলিক ধাতু এবং যৌগিক ধাতু গঠনেও ব্যবহৃত হয়।
৭৬. ‘কষ্ট পাওয়া’ এবং ‘মার খাওয়া’—এই সংযোগ ক্রিয়াগুলোর গঠনগত বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: এগুলো বিশেষ্য পদের পরে মৌলিক ধাতু (পা, খা) যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে।
৭৭. ‘হস্ + য = হাস্য’—এখানে ‘হস্’ কোন জাতীয় ধাতু?
উত্তর: ‘হস্’ একটি সংস্কৃত ধাতু।
৭৮. ‘তুমি কী কর?’—এখানে ‘কর’ ধাতুটি কোন শ্রেণিভুক্ত?
উত্তর: ‘কর’ এখানে খাঁটি বাংলা ধাতু হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
৭৯. ‘যত বেশি খাটবে ততই সুফল পাবে’—এখানে ‘খাট্’ ধাতুটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
উত্তর: এটি বিদেশি ভাষা থেকে আগত বিদেশাগত ধাতু।
৮০. ‘আমাকে নিয়ে টানাটানি করো না’—বাক্যে বিদেশাগত ধাতু কোনটি?
উত্তর: এখানে ‘টান্’ হলো বিদেশাগত ধাতু।
৮১. সাধিত ধাতুর তিনটি উপবিভাগের নাম লেখো।
উত্তর: প্রযোজক ধাতু, নাম ধাতু ও কর্মবাচ্যের ধাতু।
৮২. ‘সে নিজে করে না, অন্যকে দিয়ে করায়’—এখানে ‘করায়’ কোন ধাতু?
উত্তর: এটি প্রযোজক ধাতু।
৮৩. ‘আমাকে যতই ধমকাও’—এখানে ‘ধমকা’ কোন ধরণের ধাতু?
উত্তর: এটি একটি নাম ধাতু।
৮৪. ‘অন্যের পকেট হাতানো আমার স্বভাব নয়’—এখানে ‘হাতানো’ কোন ধাতু থেকে এসেছে?
উত্তর: এটি বিশেষ্য ‘হাত’ থেকে গঠিত নাম ধাতু ‘হাতা’ থেকে এসেছে।
৮৫. ‘তোমার খাওয়া হলে আমাকে বলো’—এখানে ‘খাওয়া’ কোন ধাতুর উদাহরণ?
উত্তর: এটি কর্মবাচ্যের ধাতুর উদাহরণ।
৮৬. ‘মৌলিক ধাতু’ ও ‘মৌলিক শব্দ’ এর মধ্যে একটি সাধারণ মিল কী?
উত্তর: উভয়কেই আর বিশ্লেষণ করা যায় না।
৮৭. ‘শিক্ষক ছাত্রদের বাংলা পড়াচ্ছেন’—এই বাক্যে ‘বাংলা’ কোন পদ?
উত্তর: ‘বাংলা’ হলো প্রধান কর্মপদ।
৮৮. ‘মা শিশুকে চাঁদ দেখাচ্ছেন’—বাক্যে প্রযোজক কর্তা কে?
উত্তর: এখানে ‘মা’ হলো প্রযোজক কর্তা।
৮৯. সমাপিকা ক্রিয়া ছাড়া কি বাক্য গঠন সম্ভব?
উত্তর: না, বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করার জন্য কমপক্ষে একটি সমাপিকা ক্রিয়া প্রয়োজন।
৯০. ‘ভাঙন ধরা’ সংযোগ ক্রিয়াটি কোন কোন পদের সমন্বয়ে গঠিত?
উত্তর: নাম শব্দ (বিশেষ্য) ‘ভাঙন’ এবং ক্রিয়া ‘ধরা’ এর সমন্বয়ে।
৯১. সংস্কৃত ‘কৃ’ ধাতু থেকে বাংলা ভাষায় প্রচলিত একটি শব্দের উদাহরণ দাও।
উত্তর: কর্তব্য।
৯২. কর্মবাচ্যের ধাতু এবং প্রযোজক ধাতুর গঠনের মিল কোথায়?
উত্তর: উভয়ই মৌলিক ধাতুর সাথে ‘আ’ প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়।
৯৩. নাম শব্দ বলতে পাঠ্যবইয়ে কোন কোন পদকে বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক শব্দ।
৯৪. ‘মাখন রায় গানে মজেছে’—বাক্যে ‘মজেছে’ কেন অকর্মক ক্রিয়া?
উত্তর: কারণ এখানে কোনো কর্ম নেই, ‘গানে’ পদটি এখানে অধিকরণ হিসেবে কাজ করছে।
৯৫. ‘আমি অঙ্ক করছি’—বাক্যে ক্রিয়াপদটি কোন ধাতুর উদাহরণ?
উত্তর: এটি ‘কর্’ নামক মৌলিক ধাতুর উদাহরণ।
৯৬. ‘দুর্ঘটনার মর্মান্তিক দৃশ্য বর্ণনা করা যায় না’—এখানে ‘করা যায় না’ কোন প্রকারের ক্রিয়া?
উত্তর: এটি একটি সংযোগ ক্রিয়া।
৯৭. ‘হ’ মৌলিক ধাতুটির একটি যৌগিক ধাতুরূপ দেখাও।
উত্তর: ভালো হ্।
৯৮. ‘ছি, ছে, বে’—এগুলো ব্যাকরণের ভাষায় কী?
উত্তর: এগুলো হলো ক্রিয়া বিভক্তি।
৯৯. ‘সাইরেন বেজে উঠল’—এই যৌগিক ক্রিয়ায় অসমাপিকা রূপ কোনটি?
উত্তর: ‘বেজে’।
১০০. ‘আমি তোমাকে অঙ্কটি করতে বলেছি’—এটি কোন বাচ্যের ধাতুর উদাহরণ?
উত্তর: এটি কর্মবাচ্যের ধাতুর উদাহরণ।
উত্তর: বিদেশি ভাষা থেকে যেসব ধাতু বাংলা ভাষায় এসেছে, তাদের বিদেশাগত ধাতু বলে।
২৭. সাধিত ধাতু কত প্রকার?
উত্তর: সাধিত ধাতু তিন প্রকার।
২৮. ‘বাবা এসেছেন’—বাক্যে ক্রিয়াপদ কোনটি?
উত্তর: এখানে ‘এসেছেন’ হলো ক্রিয়াপদ।
২৯. ‘ঘড়িতে দশটা বাজে’—বাক্যে ক্রিয়াপদ কোনটি?
উত্তর: এখানে ‘বাজে’ হলো ক্রিয়াপদ।
৩০. ‘সেতু স্কুলে যায়’—এটি কোন ধরনের ক্রিয়ার উদাহরণ?
উত্তর: এটি সমাপিকা ক্রিয়ার উদাহরণ।
৩১. অসমাপিকা ক্রিয়াকে পূর্ণ করতে কী প্রয়োজন?
উত্তর: অসমাপিকা ক্রিয়াকে পূর্ণ করার জন্য আরও সমাপিকা ক্রিয়া চাই।
৩২. ‘মা শিশুকে খিচুড়ি খেতে দেন’—বাক্যে কর্মপদ কয়টি?
উত্তর: এই বাক্যে কর্মপদ দুটি (শিশুকে, খিচুড়ি)।
৩৩. ‘সাপুড়ে সাপ খেলায়’—বাক্যে প্রযোজক ক্রিয়া কোনটি?
উত্তর: এখানে ‘খেলায়’ হলো প্রযোজক ক্রিয়া।
৩৪. ‘সাইরেন বেজে উঠল’—এটি কিসের উদাহরণ?
উত্তর: এটি একটি যৌগিক ক্রিয়ার উদাহরণ।
৩৫. সংযোগ ক্রিয়া গঠনে ‘করা’ ধাতু যুক্ত একটি উদাহরণ দাও।
উত্তর: ‘গান করা’ একটি সংযোগ ক্রিয়া।
৩৬. ‘মা ভাত রান্না করছেন’—বাক্যে ‘ভাত’ কোন পদ?
উত্তর: ‘ভাত’ হলো কর্মপদ।
৩৭. ‘সৌরভ পড়ে’—বাক্যে ক্রিয়াটি সকর্মক না অকর্মক?
উত্তর: এখানে ‘পড়ে’ হলো অকর্মক ক্রিয়া।
৩৮. ক্রিয়া বিভক্তি কাকে বলে?
উত্তর: ধাতুর পরে যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয়ে ক্রিয়াপদ গঠন করে, তাকে ক্রিয়া বিভক্তি বলে।
৩৯. ‘বল্ + আ = বলা’—এটি কোন ধাতুর উদাহরণ?
উত্তর: এটি সাধিত ধাতুর উদাহরণ।
৪০. ‘ভয় কর্’—এটি কোন ধরনের ধাতু?
উত্তর: এটি যৌগিক বা সংযোগমূলক ধাতু।
৪১. সংস্কৃত ধাতুর একটি উদাহরণ দাও।
উত্তর: ‘দৃশ্’ একটি সংস্কৃত ধাতু।
৪২. ‘আঁকা’ শব্দের মূল ধাতু কোনটি?
উত্তর: ‘আঁকা’ শব্দের মূল ধাতু ‘আঁক্’।
৪৩. ‘খাটবে’ শব্দের ধাতু কোনটি?
উত্তর: ‘খাটবে’ শব্দের ধাতু ‘খাট্’।
৪৪. প্রযোজক ধাতুর অপর নাম কী?
উত্তর: প্রযোজক ধাতুর অপর নাম ণিজন্ত ধাতু।
৪৫. নাম ধাতু কাকে বলে?
উত্তর: বিশেষ্য, বিশেষণ ও অনুকার অব্যয়ের পরে ‘আ’ প্রত্যয় যোগে গঠিত ধাতুকে নাম ধাতু বলে।
৪৬. কর্মবাচ্যের ধাতু কাকে বলে?
উত্তর: কর্মবাচ্যের ক্রিয়ার মূলকে কর্মবাচ্যের ধাতু বলে।
৪৭. ‘মৌলিক ধাতু + আ’—কোন ধাতুর গঠনতন্ত্র?
উত্তর: এটি সাধিত ধাতুর গঠনতন্ত্র।
৪৮. ‘মর্মান্তিক দৃশ্য বর্ণনা করা যায় না’—এখানে সংস্কৃত ধাতু কোনটি?
উত্তর: এখানে ‘দৃশ্’ হলো সংস্কৃত ধাতু।
৪৯. ‘তোমার হাসিটি খুব সুন্দর’—এখানে ‘হাসি’ কোন ধাতু থেকে এসেছে?
উত্তর: ‘হাসি’ বাংলা ধাতু ‘হাস্’ থেকে এসেছে।
৫০. ‘পা’ কোন ধরনের ধাতু?
উত্তর: ‘পা’ একটি মৌলিক ধাতু।
৫১. ‘সেতু স্কুলে যায়’ এবং ‘সেতু গান গায়’—উভয় বাক্যে ক্রিয়ার মিল কোথায়?
উত্তর: উভয় বাক্যের ক্রিয়াই সমাপিকা এবং সকর্মক বৈশিষ্ট্যের।
৫২. ‘সে বই নিয়ে পড়তে বসেছে’—বাক্যে সমাপিকা ও অসমাপিকা ক্রিয়াগুলো চিহ্নিত করো।
উত্তর: এখানে ‘নিয়ে’ ও ‘পড়তে’ অসমাপিকা এবং ‘বসেছে’ সমাপিকা ক্রিয়া।
৫৩. সকর্মক ক্রিয়া কখন অকর্মক ক্রিয়া হতে পারে?
উত্তর: প্রয়োগ-বৈশিষ্ট্যের কারণে কর্মপদ উহ্য থাকলে সকর্মক ক্রিয়া অকর্মক হতে পারে।
৫৪. ‘আমি টিফিন খেয়েছি’ এবং ‘আমি টিফিনে খেয়েছি’—এই বাক্য দুটির মধ্যে ক্রিয়ার পার্থক্য কী?
উত্তর: প্রথমটি সকর্মক ক্রিয়া এবং দ্বিতীয়টি অকর্মক ক্রিয়া।
৫৫. সংযোগ ক্রিয়া ও যৌগিক ক্রিয়ার মধ্যে প্রধান পার্থক্য কী?
উত্তর: যৌগিক ক্রিয়া ‘অসমাপিকা + সমাপিকা’ দিয়ে গঠিত, আর সংযোগ ক্রিয়া ‘নাম শব্দ + ক্রিয়া’ দিয়ে গঠিত।
৫৬. ‘শিক্ষক ছাত্রকে বাংলা বইটি উপহার দিলেন’—বাক্যে গৌণ কর্ম কোনটি?
উত্তর: এখানে ‘ছাত্রকে’ হলো গৌণ কর্ম।
৫৭. ‘মা শিশুকে খিচুড়ি খেতে দেন’—এই বাক্যে সমাপিকা ও অসমাপিকা ক্রিয়া চিহ্নিত করো।
উত্তর: এখানে ‘খেতে’ অসমাপিকা এবং ‘দেন’ সমাপিকা ক্রিয়া।
৫৮. প্রযোজক ক্রিয়ায় কয়টি পক্ষ থাকে?
উত্তর: প্রযোজক ক্রিয়ায় সাধারণত দুটি পক্ষ থাকে—প্রযোজক (যে চালায়) ও প্রযোজ্য (যাকে চালানো হয়)।
৫৯. ‘পকেট মারা’ কোন ধরনের ক্রিয়ার উদাহরণ এবং কেন?
উত্তর: এটি সংযোগ ক্রিয়া, কারণ এটি নাম শব্দ (পকেট) ও ক্রিয়া (মারা) এর মিলনে গঠিত।
৬০. ‘সৌরভ পড়ে’ বাক্যটিতে ক্রিয়াটি কেন অকর্মক?
উত্তর: কারণ ক্রিয়াটিকে ‘কী’ বা ‘কাকে’ দিয়ে প্রশ্ন করলে কোনো উত্তর পাওয়া যায় না।
৬১. ধাতু ও ক্রিয়াপদের মধ্যে সম্পর্ক কী?
উত্তর: ধাতুর সাথে ক্রিয়া বিভক্তি যুক্ত হয়ে ক্রিয়াপদ গঠিত হয়।
৬২. ‘অঙ্কন’ শব্দের বুৎপত্তিগত বিশ্লেষণ পাঠ্য অনুযায়ী কী?
উত্তর: অক্ + অন = অঙ্কন।
৬৩. মৌলিক ধাতুকে কেন ‘স্বয়ংসিদ্ধ ধাতু’ বলা হয়?
উত্তর: কারণ এই ধাতুগুলোকে আর কোনো ক্ষুদ্রতর অংশে বিশ্লেষণ করা যায় না।
৬৪. ‘দৃশ্ + য = দৃশ্য’—এখানে ‘দৃশ্’ কোন ভাষার ধাতু?
উত্তর: ‘দৃশ্’ সংস্কৃত বা তৎসম ভাষার ধাতু।
৬৫. ‘কৃ + তব্য = কর্তব্য’—এই উদাহরণটি কোন ধরনের ধাতুর প্রয়োগ নির্দেশ করে?
উত্তর: এটি সংস্কৃত ধাতুর সরাসরি বাংলা ভাষায় প্রয়োগ নির্দেশ করে।
৬৬. বাংলা ধাতুর উৎপত্তির ক্রমটি দেখাও।
উত্তর: সংস্কৃত > প্রাকৃত > বাংলা।
৬৭. ‘আঁকাআঁকি’ শব্দের মূল ধাতু ‘আঁক্’ কেন বাংলা ধাতু?
উত্তর: কারণ এটি সংস্কৃত ‘অঙ্ক’ থেকে প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে।
৬৮. ‘বিগড়ানো’ শব্দের ধাতু ‘বিগডু’ কোন শ্রেণিভুক্ত?
উত্তর: এটি একটি বিদেশাগত বা বিদেশি ধাতু।
৬৯. ‘অন্ধকার বেশ জমাট বেঁধেছে’—এখানে ‘জমাট’ কোন শ্রেণির ধাতু থেকে গঠিত?
উত্তর: এটি বিদেশি ধাতু ‘জম্’ থেকে গঠিত।
৭০. প্রযোজক ধাতু বা ণিজন্ত ধাতু গঠনের নিয়মটি কী?
উত্তর: মৌলিক ধাতুর পরে ‘আ’ প্রত্যয় যোগ করে এটি গঠিত হয়।
৭১. ‘শিক্ষক ছাত্রদের পড়াচ্ছেন’—এখানে ‘পড়াচ্ছেন’ ক্রিয়াটির মূল ধাতু কোনটি?
উত্তর: এর মূল ধাতু হলো প্রযোজক ধাতু ‘পড়ু + আ’।
৭২. ‘বাবা ঘুমাচ্ছেন’—এখানে ‘ঘুমা’ কেন নাম ধাতু?
উত্তর: কারণ এটি ‘ঘুম’ নামক বিশেষ্য পদের পরে ‘আ’ প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে।
৭৩. কর্মবাচ্যের ক্রিয়ার সংজ্ঞা দাও।
উত্তর: বাক্যে কর্তার চেয়ে কর্মের সাথে যখন ক্রিয়ার সম্পর্ক প্রধান হয়, তাকে কর্মবাচ্যের ক্রিয়া বলে।
৭৪. ‘বইটি হারিয়ে ফেলেছি’—এখানে ‘হারিয়ে ফেলেছি’ কোন ধরণের ধাতুর কাজ?
উত্তর: এটি কর্মবাচ্যের ধাতুর উদাহরণ।
৭৫. ‘দে’ এবং ‘খা’ ধাতু দুটি কোন কোন ধাতুর প্রকারভেদে পাওয়া যায়?
উত্তর: এই দুটি মৌলিক ধাতু এবং যৌগিক ধাতু গঠনেও ব্যবহৃত হয়।
৭৬. ‘কষ্ট পাওয়া’ এবং ‘মার খাওয়া’—এই সংযোগ ক্রিয়াগুলোর গঠনগত বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: এগুলো বিশেষ্য পদের পরে মৌলিক ধাতু (পা, খা) যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে।
৭৭. ‘হস্ + য = হাস্য’—এখানে ‘হস্’ কোন জাতীয় ধাতু?
উত্তর: ‘হস্’ একটি সংস্কৃত ধাতু।
৭৮. ‘তুমি কী কর?’—এখানে ‘কর’ ধাতুটি কোন শ্রেণিভুক্ত?
উত্তর: ‘কর’ এখানে খাঁটি বাংলা ধাতু হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
৭৯. ‘যত বেশি খাটবে ততই সুফল পাবে’—এখানে ‘খাট্’ ধাতুটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
উত্তর: এটি বিদেশি ভাষা থেকে আগত বিদেশাগত ধাতু।
৮০. ‘আমাকে নিয়ে টানাটানি করো না’—বাক্যে বিদেশাগত ধাতু কোনটি?
উত্তর: এখানে ‘টান্’ হলো বিদেশাগত ধাতু।
৮১. সাধিত ধাতুর তিনটি উপবিভাগের নাম লেখো।
উত্তর: প্রযোজক ধাতু, নাম ধাতু ও কর্মবাচ্যের ধাতু।
৮২. ‘সে নিজে করে না, অন্যকে দিয়ে করায়’—এখানে ‘করায়’ কোন ধাতু?
উত্তর: এটি প্রযোজক ধাতু।
৮৩. ‘আমাকে যতই ধমকাও’—এখানে ‘ধমকা’ কোন ধরণের ধাতু?
উত্তর: এটি একটি নাম ধাতু।
৮৪. ‘অন্যের পকেট হাতানো আমার স্বভাব নয়’—এখানে ‘হাতানো’ কোন ধাতু থেকে এসেছে?
উত্তর: এটি বিশেষ্য ‘হাত’ থেকে গঠিত নাম ধাতু ‘হাতা’ থেকে এসেছে।
৮৫. ‘তোমার খাওয়া হলে আমাকে বলো’—এখানে ‘খাওয়া’ কোন ধাতুর উদাহরণ?
উত্তর: এটি কর্মবাচ্যের ধাতুর উদাহরণ।
৮৬. ‘মৌলিক ধাতু’ ও ‘মৌলিক শব্দ’ এর মধ্যে একটি সাধারণ মিল কী?
উত্তর: উভয়কেই আর বিশ্লেষণ করা যায় না।
৮৭. ‘শিক্ষক ছাত্রদের বাংলা পড়াচ্ছেন’—এই বাক্যে ‘বাংলা’ কোন পদ?
উত্তর: ‘বাংলা’ হলো প্রধান কর্মপদ।
৮৮. ‘মা শিশুকে চাঁদ দেখাচ্ছেন’—বাক্যে প্রযোজক কর্তা কে?
উত্তর: এখানে ‘মা’ হলো প্রযোজক কর্তা।
৮৯. সমাপিকা ক্রিয়া ছাড়া কি বাক্য গঠন সম্ভব?
উত্তর: না, বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করার জন্য কমপক্ষে একটি সমাপিকা ক্রিয়া প্রয়োজন।
৯০. ‘ভাঙন ধরা’ সংযোগ ক্রিয়াটি কোন কোন পদের সমন্বয়ে গঠিত?
উত্তর: নাম শব্দ (বিশেষ্য) ‘ভাঙন’ এবং ক্রিয়া ‘ধরা’ এর সমন্বয়ে।
৯১. সংস্কৃত ‘কৃ’ ধাতু থেকে বাংলা ভাষায় প্রচলিত একটি শব্দের উদাহরণ দাও।
উত্তর: কর্তব্য।
৯২. কর্মবাচ্যের ধাতু এবং প্রযোজক ধাতুর গঠনের মিল কোথায়?
উত্তর: উভয়ই মৌলিক ধাতুর সাথে ‘আ’ প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়।
৯৩. নাম শব্দ বলতে পাঠ্যবইয়ে কোন কোন পদকে বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক শব্দ।
৯৪. ‘মাখন রায় গানে মজেছে’—বাক্যে ‘মজেছে’ কেন অকর্মক ক্রিয়া?
উত্তর: কারণ এখানে কোনো কর্ম নেই, ‘গানে’ পদটি এখানে অধিকরণ হিসেবে কাজ করছে।
৯৫. ‘আমি অঙ্ক করছি’—বাক্যে ক্রিয়াপদটি কোন ধাতুর উদাহরণ?
উত্তর: এটি ‘কর্’ নামক মৌলিক ধাতুর উদাহরণ।
৯৬. ‘দুর্ঘটনার মর্মান্তিক দৃশ্য বর্ণনা করা যায় না’—এখানে ‘করা যায় না’ কোন প্রকারের ক্রিয়া?
উত্তর: এটি একটি সংযোগ ক্রিয়া।
৯৭. ‘হ’ মৌলিক ধাতুটির একটি যৌগিক ধাতুরূপ দেখাও।
উত্তর: ভালো হ্।
৯৮. ‘ছি, ছে, বে’—এগুলো ব্যাকরণের ভাষায় কী?
উত্তর: এগুলো হলো ক্রিয়া বিভক্তি।
৯৯. ‘সাইরেন বেজে উঠল’—এই যৌগিক ক্রিয়ায় অসমাপিকা রূপ কোনটি?
উত্তর: ‘বেজে’।
১০০. ‘আমি তোমাকে অঙ্কটি করতে বলেছি’—এটি কোন বাচ্যের ধাতুর উদাহরণ?
উত্তর: এটি কর্মবাচ্যের ধাতুর উদাহরণ।
No comments
Thank you, best of luck