header ads

সপ্তম শ্রেণি।। মাধ্যমিক - বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি।। ধ্বনি ও বর্ণ।। NCTB BOOK।।



ধ্বনি: 
ভাষার ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি। কোনো ভাষার উচ্চারিত শব্দকে সূক্ষ্মভাবে বিশ্লেষণ করলে তার যে অবিভাজ্য ক্ষুদ্রতম অংশ পাওয়া যায়, তা-ই ধ্বনি। মানুষের বাগ্যন্ত্রের সহায়তায় উচ্চারিত ধ্বনি থেকেই ভাষার সৃষ্টি। বস্তুত ভাষাকে বিশ্লেষণ করলে চারটি মৌলিক উপাদান পাওয়া যায়। এই উপাদানগুলো হলো-ধ্বনি, শব্দ, বাক্য ও অর্থ। মানুষ তার মনের ভাব প্রকাশ করার জন্য 'কথা' বলে। মানুষের 'কথা' হলো অর্থযুক্ত কিছু ধ্বনি। ব্যাকরণ শাস্ত্রে মানুষের কণ্ঠনিঃসৃত শব্দ বা আওয়াজকেই ধ্বনি বলা হয়। বস্তুত অর্থবোধক ধ্বনিসমূহই মানুষের বিভিন্ন ভাষার বাধ্বনি। ধ্বনিই ভাষার মূল ভিত্তি।

ধ্বনি নির্গত হয় মুখ দিয়ে। ধ্বনি উৎপাদনে মুখ, নাসিকা, কণ্ঠ প্রভৃতি বাক্-প্রত্যঙ্গ ব্যবহৃত হলেও ধ্বনি উৎপাদনের মূল উৎস হলো ফুসফুস। ফুসফুসের সাহায্যে আমরা শ্বাস গ্রহণ ও ত্যাগ করি। ফুসফুস থেকে বাতাস বেরিয়ে আসার সময় বিভিন্ন বাক্-প্রত্যঙ্গের সংস্পর্শে আসে। ফুসফুস থেকে বাতাস স্বরযন্ত্রের মধ্য দিয়ে বেরিয়ে আসার সময় মুখের বিভিন্ন জায়গায় ঘষা খায়। এই ঘর্ষণের ফলে মুখে নানা ধরনের ধ্বনির সৃষ্টি হয়। অর্থাৎ ফুসফুস নির্গত বাতাস স্বরযন্ত্রের মধ্য দিয়ে মুখগহ্বরে প্রবেশের পর বিভিন্ন বাক্-প্রত্যঙ্গের সংস্পর্শে আঘাত লাগার দরুন ধ্বনি গঠিত বা তৈরি হয়। ধ্বনি গঠনে বিভিন্ন বাক্- প্রত্যঙ্গের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ধ্বনির শ্রেণিবিভাগ: 
'ধ্বনি'র সাধারণ অর্থ যেকোনো ধরনের 'আওয়াজ'। কিন্তু ব্যাকরণে মানুষের বাগ্যন্ত্রের সাহায্যে তৈরি আওয়াজকে ধ্বনি বলে। ধ্বনি দুই প্রকার। যেমন: ক. স্বরধ্বনি ও খ. ব্যঞ্জনধ্বনি।

বর্ণ: 
কোনো ভাষার ধ্বনিগুলোকে লিখে প্রকাশ করার জন্য যে প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহৃত হয়, তাকে বর্ণ বলে। অ, আ, ক, খ প্রভৃতি বাংলা ভাষার একেকটি ধ্বনি-প্রতীক বা বর্ণ।

বর্ণমালা: 
কোনো ভাষার বর্ণসমষ্টির সুনির্দিষ্ট সাজানো ক্রমকে বর্ণমালা বলে। ধ্বনি যেমন দুই প্রকার-স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনি; তেমনি এদের লিখিত প্রতীকও দুই প্রকার। যথা: স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণ।

স্বরধ্বনি ও স্বরবর্ণ:
যেসব ধ্বনি অন্য ধ্বনির সাহায্য ছাড়া নিজে নিজে পূর্ণ ও স্পষ্টরূপে উচ্চারিত হয়, তাকে স্বরধ্বনি বলে। আর এই স্বরধ্বনির প্রতীক বা লিখিত রূপই হচ্ছে স্বরবর্ণ। যেমন: অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ। স্বববর্ণের সংখ্যা মোট ১১টি।

ব্যঞ্জনধ্বনি ও ব্যঞ্জনবর্ণ:
যেসব ধ্বনি স্বরধ্বনির সাহায্য ছাড়া নিজে নিজে পূর্ণ বা স্পষ্টরূপে উচ্চারিত হতে পারে না, তাকে ব্যঞ্জনধ্বনি বলে। আর এই ব্যঞ্জনধ্বনির লিখিত রূপই হচ্ছে ব্যঞ্জনবর্ণ। যেমন: ক, খ, গ, ঘ, ঙ, চ, ছ, জ, ঝ, ঞ, ট, ঠ, ড, ঢ, ণ, ত, থ, দ, ধ, ন, প, ফ, ব, ভ, ম, য, র, ল, শ, ষ, স, হ, ড়, ঢ়, য়, ৎ, ং, ঃ, ঁ। ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা মোট ৩৯টি।

স্বরধ্বনির উচ্চারণ স্থান ও বৈশিষ্ট্য
ধ্বনি/বর্ণ                 উচ্চারণ স্থান                         উচ্চারণ স্থান অনুসারে নাম
অ, আ                     কণ্ঠ                                       কণ্ঠ্যধ্বনি
ই, ঈ                         তালু                                     তালব্যধ্বনি
উ, উ                         ঠোঁট বা ওষ্ঠ                         ওষ্ঠ্যধ্বনি
                            মূর্ধা                                     মূর্ধন্যধ্বনি
এ, ঐ                         কণ্ঠ ও তালু                         কণ্ঠ্যতালব্যধ্বনি
ও, ঔ                         কণ্ঠ ও ওষ্ঠ                             কণ্ঠৌষ্ঠ্যধ্বনি

উচ্চারণস্থান অনুসারে ব্যঞ্জনধ্বনির পাঁচটি বিভাগ রয়েছে। এই বিভাগগুলোকে বর্গ বলে। প্রথম ধ্বনির নাম অনুসারে বর্গের নাম নির্দেশ করা হয়। যেমন:
ক বর্গ                 ক খ গ ঘ ঙ
চ বর্গ                     চ ছ জ ঝ ঞ
ট বর্গ                     ট ঠ ড ঢ ণ
ত বর্গ                     ত থ দ ধ ন
প বর্গ                     প ফ ব ভ ম

ব্যঞ্জনধ্বনির উচ্চারণস্থান ও বৈশিষ্ট্য

ধ্বনি/বর্ণ                             উচ্চারণ স্থান                                             উচ্চারণ স্থান অনুসারে নাম
ক, খ, গ, ঘ, ঙ                     কণ্ঠ বা জিহ্বামূল                                       কণ্ঠ্য বা জিহ্বামূলীয় ধ্বনি
চ, ছ, জ, ঝ, শ                     তালু                                                          তালব্যধ্বনি
ট, ঠ, ড, ঢ, ড়, ঢ়                 মূর্ধা                                                           মূর্ধন্যধ্বনি
ত, থ, দ, ধ                           দাঁত বা দন্ত                                                দন্ত্যধ্বনি
প, ফ, ব, ভ, ম                     ঠোঁট বা ওষ্ঠ                                               ওষ্ঠ্যধ্বনি

কণ্ঠ্যধ্বনি: যেসব ধ্বনির উচ্চারণস্থান কণ্ঠনালির উপরিভাগ বা জিহ্বামূল, তাদের কণ্ঠ্যধ্বনি বলে। যেমন: অ, আ, ক, খ, গ, ঘ, ঙ, হ কণ্ঠ্যধ্বনির উদাহরণ।

তালব্যধ্বনি: 
যেসব ধ্বনির উচ্চারণস্থান তালু, তাদের তালব্যধ্বনি বলে। যেমন: চ, ছ, জ, ঝ, শ তালব্যধ্বনির উদাহরণ।

মূর্ধন্যধ্বনি: 
যেসব ধ্বনির উচ্চারণস্থান মূর্ধা বা তালুর অগ্রভাগ, তাদের মূর্ধন্যধ্বনি বলে। যেমন: ট, ঠ, ড, ঢ, ড়, ঢ়, মূর্ধন্যধ্বনির উদাহরণ।

দন্ত্যধ্বনি
যেসব ধ্বনির উচ্চারণস্থান দন্তমূল, তাদের দন্ত্যধ্বনি বলে। ত, থ, দ, ধ দন্ত্যধ্বনির উদাহরণ।

ওষ্ঠ্যধ্বনি: 
যেসব ধ্বনির উচ্চারণস্থান ওষ্ঠ, তাদের ওষ্ঠ্যধ্বনি বলে। উ, ঊ, প, ফ, ব, ভ, ম ওষ্ঠ্যধ্বনি।

নাসিক্য বা অনুনাসিকধ্বনি: 
ঙ, ঞ, ণ, ন, ম-এগুলোর উচ্চারণকালে মুখবিবরের বাতাস নাক দিয়ে বের হয় বলে এগুলোকে নাসিক্য বা অনুনাসিকধ্বনি বলে।

অঘোষধ্বনি: 
প্রত্যেক বর্গের প্রথম দুটি ধ্বনি এবং শ, স এগুলোর উচ্চারণকালে আঘাতজনিত ঘোষ বা শব্দ সৃষ্টি হয় না বলে, এগুলোকে অঘোষধ্বনি বলে। এদেরকে শ্বাসধ্বনিও বলা হয়।

ঘোষধ্বনি: 
বর্গের তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম ধ্বনি এবং হ এগুলোর উচ্চারণকালে আঘাতজনিত ঘোষ বা শব্দ সৃষ্টি হয় বলে, এগুলোকে ঘোষধ্বনি বলে। ঘোষধ্বনিকে নাদধ্বনিও বলা হয়।

অল্পপ্রাণ ধ্বনি: 
প্রত্যেক বর্গের প্রথম, তৃতীয় ও পঞ্চম ধ্বনির উচ্চারণকালে বাতাসের চাপের স্বল্পতা থাকে বলে এদের অল্পপ্রাণ ধ্বনি বলে। যেমন ক, গ, ঙ, চ, জ, ঞ ইত্যাদি।

মহাপ্রাণ ধ্বনি: 
প্রত্যেক বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ ধ্বনির উচ্চারণকালে বাতাসের চাপের আধিক্য থাকে বলে এদের মহাপ্রাণ ধ্বনি বলে। যেমন: খ, ঘ; ছ, ঝ ইত্যাদি।

ধ্বনি-প্রকৃতি                         অল্পপ্রাণ ধ্বনি                             মহাপ্রাণ ধ্বনি
অঘোষ                                 ক চ ট ত প                                 খ ছ ঠ থ ফ
ঘোষ                                     গ জ ড দ ব                                 ঙ ঞ ণ ন ম ঘ ঝ ঢ় ধ ভ

পরাশ্রয়ী ধ্বনি: 
'ং' (অনুস্বার), 'ঃ' (বিসর্গ) এবং 'ঁ' (চন্দ্রবিন্দু) এই ধ্বনি তিনটি স্বতন্ত্রভাবে উচ্চারিত হতে পারে না বলে এদের পরাশ্রয়ী ধ্বনি বলে। এদের অযোগবহ ধ্বনিও বলে।

অ্যা ধ্বনির উচ্চারণ: 
উচ্চারণ একটি বাচনিক প্রক্রিয়া। ভাষায় উচ্চারণের শুদ্ধতা রক্ষিত না হলে মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়। মনের ভাব প্রকাশের উদ্দেশ্যে উচ্চারিত অর্থবোধক ধ্বনিসমষ্টিই ভাষা। দুভাবে ধ্বনি বা ভাষাকে প্রকাশ করা যায়। এক. মুখ দিয়ে উচ্চারণ করে; দুই. লিখে। মনের ভাব লিখে কিংবা উচ্চারণ করে যেভাবেই প্রকাশ করা হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে যথার্থ বানান ও বিশুদ্ধ উচ্চারণ অপরিহার্য। শুদ্ধ উচ্চারণ সঠিক মনোভাব প্রকাশের সহায়ক। পক্ষান্তরে, অশুদ্ধ উচ্চারণ শব্দের অর্থবিভ্রান্তি ও বিকৃতি ঘটায়। তাই শুদ্ধ উচ্চারণের গুরুত্ব অপরিসীম। শুদ্ধ উচ্চারণের ক্ষেত্রে প্রমিত কথ্য ভাষার বাচনভঙ্গির অনুসরণ প্রয়োজন। সেইসাথে স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনির যথাযথ উচ্চারণ সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকা আবশ্যক। এ ছাড়াও ভাষা ব্যবহারে আঞ্চলিকতা পরিহার করা এবং উচ্চারণসূত্র সম্পর্কে সম্যক ধারণা অর্জন করা দরকার।
মনে রাখা প্রয়োজন প্রতিটি ধ্বনি-প্রতীকের নিজস্ব উচ্চারণ ও ধ্বনিগাম্ভীর্য রয়েছে। উল্লেখ্য, একাধিক ধ্বনি মিলে যখন শব্দ তৈরি হয়, তখন ধ্বনি-প্রতীকের উচ্চারণ কোথাও অপরিবর্তিত থাকে আবার কোথাও পরিবর্তিত বা বিকৃত হয়ে যায়। নিচে অ্যা ধ্বনির উচ্চারণরীতি উল্লেখ করা হলো।

বাংলা বর্ণমালায় বর্তমানে ব্যবহৃত স্বরবর্ণের সংখ্যা ১১টি। এগুলো হলো অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ।
প্রমিত বাংলা উচ্চারণে মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা ৭টি। এগুলো হলো: ই, এ, অ্যা, আ, অ, ও, উ। বাংলা মুখের ভাষায় স্বরধ্বনি অ্যা-ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হলেও এই বর্ণের জন্য পৃথক কোনো বর্ণচিহ্ন বাংলা বর্ণমালায় নেই।

অ্যা ধ্বনির উচ্চারণ: 
পূর্বেই উল্লেখ করা হয়েছে যে 'অ্যা' ধ্বনির কোনো স্বতন্ত্র ধ্বনি-চিহ্ন নেই। কয়েকটি ক্ষেত্রে আ ধ্বনির উচ্চারণ অ্যা হয়।

১. শব্দের শুরুতে যুক্ত ব্যঞ্জনের জ্ঞ আ-কার থাকলে জ্ঞাত [গ্যাঁতো] জ্ঞান [গ্যাঁন/গ্যান] জ্ঞাপন [গ্যাঁপন]।
২. য-ফলা যুক্ত ব্যঞ্জনের সঙ্গে আ-কার বা আ-ধ্বনির উচ্চারণ প্রায় ক্ষেত্রেই অ্যা হয়। যেমন:
খ্যাতি [খ্যাতি]
ব্যাপার [ব্যাপার্]
ত্যাগ [ত্যাগ্‌ ]
ব্যাকরণ [ব্যাকরোন্‌]
লক্ষণীয় শব্দের মধ্যে জ্ঞা থাকলে আ-ধ্বনি কখনো অ্যা, কখনো আ উচ্চারিত হয়। যেমন: বিজ্ঞান [বিগ্‌গ্যাঁন/বিগ্‌গাঁন্]

নমুনা প্রশ্ন-উত্তর:
১. ভাষার ক্ষুদ্রতম একক কী?
উত্তর: ধ্বনি।


২. ধ্বনি কাকে বলে?
উত্তর: ভাষার অবিভাজ্য ক্ষুদ্রতম একককে ধ্বনি বলে।


৩. ব্যাকরণে ধ্বনি কাকে বলে?
উত্তর: মানুষের বাগ্যন্ত্রের সাহায্যে তৈরি আওয়াজকে ধ্বনি বলে।


৪. ভাষার মৌলিক উপাদান কয়টি?
উত্তর: চারটি।


৫. ভাষার মৌলিক উপাদানগুলো কী কী?
উত্তর: ধ্বনি, শব্দ, বাক্য ও অর্থ।


৬. মানুষের ‘কথা’ কী?
উত্তর: অর্থযুক্ত কিছু ধ্বনি।


৭. ধ্বনি উৎপাদনের মূল উৎস কী?
উত্তর: ফুসফুস।


৮. ধ্বনি কোথা দিয়ে নির্গত হয়?
উত্তর: মুখ দিয়ে।


৯. ধ্বনি উৎপাদনে কোন অঙ্গগুলো ব্যবহৃত হয়?
উত্তর: মুখ, নাসিকা, কণ্ঠ।


১০. বর্ণ কাকে বলে?
উত্তর: ধ্বনিকে লিখে প্রকাশ করার প্রতীককে বর্ণ বলে।


১১. বর্ণমালা কাকে বলে?
উত্তর: বর্ণসমষ্টির সুনির্দিষ্ট সাজানো ক্রমকে বর্ণমালা বলে।


১২. বাংলা ভাষায় বর্ণ কয় প্রকার?
উত্তর: দুই প্রকার।


১৩. বর্ণ কী কী প্রকার?
উত্তর: স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণ।


১৪. ধ্বনি কয় প্রকার?
উত্তর: দুই প্রকার।


১৫. ধ্বনির প্রকার কী কী?
উত্তর: স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনি।


১৬. ধ্বনি কীভাবে সৃষ্টি হয়?
উত্তর: ফুসফুস থেকে নির্গত বাতাস বাক্-প্রত্যঙ্গের সংস্পর্শে এসে ধ্বনি সৃষ্টি করে।


১৭. ধ্বনি গঠনে কোন অঙ্গ গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: বাক্-প্রত্যঙ্গ।


১৮. ভাষার ভিত্তি কী?
উত্তর: ধ্বনি।


১৯. অর্থবোধক ধ্বনিসমষ্টিকে কী বলে?
উত্তর: ভাষা।


২০. ধ্বনির সাধারণ অর্থ কী?
উত্তর: আওয়াজ।
২১. স্বরধ্বনি কাকে বলে?
উত্তর: যে ধ্বনি নিজে নিজে উচ্চারিত হয় তাকে স্বরধ্বনি বলে।


২২. স্বরবর্ণ কাকে বলে?
উত্তর: স্বরধ্বনির লিখিত রূপকে স্বরবর্ণ বলে।


২৩. বাংলা স্বরবর্ণ কয়টি?
উত্তর: ১১টি।


২৪. স্বরবর্ণগুলো কী কী?
উত্তর: অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ।


২৫. অ, আ কোন ধ্বনি?
উত্তর: কণ্ঠ্যধ্বনি।


২৬. ই, ঈ কোন ধ্বনি?
উত্তর: তালব্যধ্বনি।


২৭. উ, ঊ কোন ধ্বনি?
উত্তর: ওষ্ঠ্যধ্বনি।


২৮. ঋ কোন ধ্বনি?
উত্তর: মূর্ধন্যধ্বনি।


২৯. এ, ঐ কোন ধ্বনি?
উত্তর: কণ্ঠ্যতালব্যধ্বনি।


৩০. ও, ঔ কোন ধ্বনি?
উত্তর: কণ্ঠৌষ্ঠ্যধ্বনি।


৩১. স্বরধ্বনি উচ্চারণে অন্য ধ্বনির প্রয়োজন হয় কি?
উত্তর: না।


৩২. স্বরধ্বনি কীভাবে উচ্চারিত হয়?
উত্তর: স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হয়।


৩৩. মৌলিক স্বরধ্বনি কয়টি?
উত্তর: ৭টি।


৩৪. মৌলিক স্বরধ্বনি কী কী?
উত্তর: ই, এ, অ্যা, আ, অ, ও, উ।


৩৫. অ্যা ধ্বনির আলাদা বর্ণ আছে কি?
উত্তর: নেই।


৩৬. অ্যা ধ্বনি কোথায় বেশি ব্যবহৃত হয়?
উত্তর: মুখের ভাষায়।


৩৭. স্বরধ্বনি কী ধরনের ধ্বনি?
উত্তর: স্বতন্ত্র ধ্বনি।


৩৮. স্বরধ্বনি কি পূর্ণভাবে উচ্চারিত হয়?
উত্তর: হ্যাঁ।


৩৯. স্বরধ্বনির উচ্চারণ সহজ কেন?
উত্তর: অন্য ধ্বনির সাহায্য লাগে না বলে।


৪০. স্বরবর্ণের কাজ কী?
উত্তর: ধ্বনিকে লিখে প্রকাশ করা।


৪১. ব্যঞ্জনধ্বনি কাকে বলে?
উত্তর: যে ধ্বনি স্বরধ্বনি ছাড়া উচ্চারিত হয় না।


৪২. ব্যঞ্জনবর্ণ কাকে বলে?
উত্তর: ব্যঞ্জনধ্বনির লিখিত রূপকে ব্যঞ্জনবর্ণ বলে।


৪৩. ব্যঞ্জনবর্ণ কয়টি?
উত্তর: ৩৯টি।


৪৪. ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণে কী প্রয়োজন?
উত্তর: স্বরধ্বনির সাহায্য।


৪৫. ব্যঞ্জনধ্বনি কয় ভাগে বিভক্ত?
উত্তর: পাঁচ ভাগে।


৪৬. এই পাঁচ ভাগকে কী বলে?
উত্তর: বর্গ।


৪৭. ক বর্গের বর্ণগুলো কী?
উত্তর: ক খ গ ঘ ঙ।


৪৮. চ বর্গের বর্ণগুলো কী?
উত্তর: চ ছ জ ঝ ঞ।


৪৯. ট বর্গের বর্ণগুলো কী?
উত্তর: ট ঠ ড ঢ ণ।


৫০. ত বর্গের বর্ণগুলো কী?
উত্তর: ত থ দ ধ ন।


৫১. প বর্গের বর্ণগুলো কী?
উত্তর: প ফ ব ভ ম।


৫২. ক, খ, গ কোন ধ্বনি?
উত্তর: কণ্ঠ্যধ্বনি।


৫৩. চ, ছ, জ কোন ধ্বনি?
উত্তর: তালব্যধ্বনি।


৫৪. ট, ঠ, ড কোন ধ্বনি?
উত্তর: মূর্ধন্যধ্বনি।


৫৫. ত, থ, দ কোন ধ্বনি?
উত্তর: দন্ত্যধ্বনি।


৫৬. প, ফ, ব কোন ধ্বনি?
উত্তর: ওষ্ঠ্যধ্বনি।


৫৭. কণ্ঠ্যধ্বনি কোথায় উচ্চারিত হয়?
উত্তর: কণ্ঠে।


৫৮. তালব্যধ্বনি কোথায় উচ্চারিত হয়?
উত্তর: তালুতে।


৫৯. মূর্ধন্যধ্বনি কোথায় উচ্চারিত হয়?
উত্তর: মূর্ধায়।


৬০. দন্ত্যধ্বনি কোথায় উচ্চারিত হয়?
উত্তর: দন্তে।


৬১. ওষ্ঠ্যধ্বনি কোথায় উচ্চারিত হয়?
উত্তর: ঠোঁটে।


৬২. ব্যঞ্জনধ্বনি কি স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হয়?
উত্তর: না।


৬৩. ব্যঞ্জনধ্বনির প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: স্বরধ্বনির ওপর নির্ভরশীল।


৬৪. বর্গের নাম কীভাবে নির্ধারিত হয়?
উত্তর: প্রথম ধ্বনির নাম অনুসারে।


৬৫. ক বর্গের প্রথম বর্ণ কী?
উত্তর: ক।


৬৬. প বর্গের শেষ বর্ণ কী?
উত্তর: ম।


৬৭. ব্যঞ্জনধ্বনি কি পূর্ণ উচ্চারিত হয়?
উত্তর: না।


৬৮. ব্যঞ্জনধ্বনি কী ছাড়া অসম্পূর্ণ?
উত্তর: স্বরধ্বনি ছাড়া।


৬৯. ব্যঞ্জনবর্ণ কী প্রকাশ করে?
উত্তর: ব্যঞ্জনধ্বনি।


৭০. ব্যঞ্জনধ্বনি কি অর্থবোধক?
উত্তর: একা নয়।


৭১. নাসিক্যধ্বনি কাকে বলে?
উত্তর: নাক দিয়ে উচ্চারিত ধ্বনি।


৭২. নাসিক্যধ্বনির উদাহরণ কী?
উত্তর: ঙ, ঞ, ণ, ন, ম।


৭৩. নাসিক্যধ্বনির অপর নাম কী?
উত্তর: অনুনাসিকধ্বনি।


৭৪. অঘোষধ্বনি কাকে বলে?
উত্তর: উচ্চারণে ঘোষ সৃষ্টি হয় না এমন ধ্বনি।


৭৫. অঘোষধ্বনির উদাহরণ কী?
উত্তর: ক, খ, চ, ছ।


৭৬. ঘোষধ্বনি কাকে বলে?
উত্তর: উচ্চারণে ঘোষ সৃষ্টি হয় এমন ধ্বনি।


৭৭. ঘোষধ্বনির অপর নাম কী?
উত্তর: নাদধ্বনি।


৭৮. অল্পপ্রাণ ধ্বনি কাকে বলে?
উত্তর: কম বায়ুচাপযুক্ত ধ্বনি।


৭৯. অল্পপ্রাণ ধ্বনির উদাহরণ কী?
উত্তর: ক, গ।


৮০. মহাপ্রাণ ধ্বনি কাকে বলে?
উত্তর: বেশি বায়ুচাপযুক্ত ধ্বনি।


৮১. মহাপ্রাণ ধ্বনির উদাহরণ কী?
উত্তর: খ, ঘ।


৮২. অঘোষ ধ্বনির আরেক নাম কী?
উত্তর: শ্বাসধ্বনি।


৮৩. ঘোষধ্বনি কেমন শব্দ তৈরি করে?
উত্তর: আঘাতজনিত শব্দ।


৮৪. বর্গের প্রথম দুটি ধ্বনি কী?
উত্তর: অঘোষ।


৮৫. বর্গের তৃতীয় ধ্বনি কী?
উত্তর: ঘোষ।


৮৬. বর্গের দ্বিতীয় ধ্বনি কেমন?
উত্তর: মহাপ্রাণ।


৮৭. বর্গের প্রথম ধ্বনি কেমন?
উত্তর: অল্পপ্রাণ।


৮৮. অনুস্বার কী ধরনের ধ্বনি?
উত্তর: পরাশ্রয়ী ধ্বনি।


৮৯. বিসর্গ কী ধরনের ধ্বনি?
উত্তর: পরাশ্রয়ী ধ্বনি।


৯০. চন্দ্রবিন্দু কী ধরনের ধ্বনি?
উত্তর: পরাশ্রয়ী ধ্বনি।


৯১. পরাশ্রয়ী ধ্বনি কাকে বলে?
উত্তর: যে ধ্বনি স্বতন্ত্রভাবে উচ্চারিত হয় না।


৯২. পরাশ্রয়ী ধ্বনির সংখ্যা কয়টি?
উত্তর: তিনটি।


৯৩. ধ্বনির আরেক নাম কী?
উত্তর: আওয়াজ।


৯৪. ধ্বনি কি সবসময় অর্থবোধক?
উত্তর: না।


৯৫. ধ্বনির মাধ্যমে কী গঠিত হয়?
উত্তর: শব্দ।


৯৬. শব্দের মাধ্যমে কী গঠিত হয়?
উত্তর: বাক্য।


৯৭. বাক্যের মাধ্যমে কী প্রকাশ পায়?
উত্তর: অর্থ।


৯৮. ধ্বনি ছাড়া ভাষা সম্ভব কি?
উত্তর: না।


৯৯. ধ্বনি কি ভাষার মূল ভিত্তি?
উত্তর: হ্যাঁ।


১০০. ধ্বনি উৎপাদনে বায়ুর ভূমিকা কী?
উত্তর: প্রধান।


---
১০১. উচ্চারণ কী?
উত্তর: বাচনিক প্রক্রিয়া।


১০২. শুদ্ধ উচ্চারণ কেন প্রয়োজন?
উত্তর: সঠিক অর্থ প্রকাশের জন্য।


১০৩. অশুদ্ধ উচ্চারণ কী ঘটায়?
উত্তর: অর্থবিভ্রান্তি।


১০৪. প্রমিত ভাষা অনুসরণ কেন জরুরি?
উত্তর: শুদ্ধ উচ্চারণের জন্য।


১০৫. অ্যা ধ্বনির স্বতন্ত্র বর্ণ আছে কি?
উত্তর: নেই।


১০৬. জ্ঞান শব্দের উচ্চারণ কী?
উত্তর: [গ্যাঁন/গ্যান]


১০৭. জ্ঞাত শব্দের উচ্চারণ কী?
উত্তর: [গ্যাঁতো]


১০৮. জ্ঞাপন শব্দের উচ্চারণ কী?
উত্তর: [গ্যাঁপন]


১০৯. ব্যাপার শব্দের উচ্চারণ কী?
উত্তর: [ব্যাপার]


১১০. ব্যাকরণ শব্দের উচ্চারণ কী?
উত্তর: [ব্যাকরোন্‌]


১১১. বিজ্ঞান শব্দের উচ্চারণ কী?
উত্তর: [বিগ্‌গ্যাঁন/বিগ্‌গাঁন্]


১১২. য-ফলা যুক্ত হলে কী পরিবর্তন হয়?
উত্তর: আ → অ্যা হয়।


১১৩. যুক্তব্যঞ্জনে আ ধ্বনি কী হয়?
উত্তর: অনেক ক্ষেত্রে অ্যা হয়।


১১৪. ভাষা প্রকাশের উপায় কয়টি?
উত্তর: দুইটি।


১১৫. ভাষা প্রকাশের উপায় কী কী?
উত্তর: বলা ও লেখা।


১১৬. উচ্চারণের শুদ্ধতা কী রক্ষা করে?
উত্তর: ভাষার সৌন্দর্য।


১১৭. ধ্বনি পরিবর্তিত হলে কী হয়?
উত্তর: অর্থ পরিবর্তন হয়।


১১৮. আঞ্চলিকতা কেন পরিহার করা উচিত?
উত্তর: শুদ্ধ ভাষা ব্যবহারের জন্য।


১১৯. ধ্বনির নিজস্ব কী থাকে?
উত্তর: উচ্চারণ ও গাম্ভীর্য।


১২০. ধ্বনি মিলিয়ে কী তৈরি হয়?
উত্তর: শব্দ।


১. স্বরধ্বনির উচ্চারণ স্থান ও বৈশিষ্ট্য অনুসারে অ, আ কী ধ্বনি?
উত্তর: কণ্ঠ্যধ্বনি
২. প্রত্যেক বর্গের প্রথম দুটি ধ্বনি এবং শ, ষ, স এগুলোর উচ্চারণকালে আঘাতজনিত ঘোষ বা শব্দ সৃষ্টি হয় না বলে, এগুলোকে কী ধ্বনি বলে?
উত্তর: অঘোষ ধ্বনি বলে।
৩. ঘোষ ধ্বনি কাকে বলে?
উত্তর: যে সব ধ্বনি উচ্চারণকালে আঘাতজনিত ঘোষ বা শব্দ সৃষ্টি হয় তাদের ঘোষধ্বনি বলে।
৪. ঘোষধ্বনির অপর নাম কী?
উত্তর: নাদধ্বনি
৫. ব্যাকরণে ধ্বনি কাকে বলে?
উত্তর: ব্যাকরণে মানুষের বাগ্যন্ত্রের সাহায্যে তৈরি আওয়াজকে ধ্বনি বলে।
৬. র, ড়, ঢ়, ষ এর উচ্চারণ স্থান কোনটি?
উত্তর : মূর্ধা
৭. যেসব ধ্বনির উচ্চারণস্থান তালু, তাদের কী বলে?
উত্তর: তালব্যধ্বনি বলে।
৮. নাসিক্য ধ্বনির অপর নাম কী?
উত্তর: অনুনাসিকধ্বনি
৯. 'ং' (অনুস্বার), 'ঃ' (বিসর্গ) এবং 'ঁ' (চন্দ্রবিন্দু) এগুলো কী ধ্বনি?
উত্তর: পরাশ্রয়ী ধ্বনি:
১০. 'ং' (অনুস্বার), 'ঃ' (বিসর্গ) এবং ‘ ঁ’ (চন্দ্রবিন্দু) এদের পরাশ্রয়ী ধ্বনি বলা হয় কেন?
উত্তর: এই ধ্বনি তিনটি স্বতন্ত্রভাবে উচ্চারিত হতে পারে না বলে এদের পরাশ্রয়ী ধ্বনি বলে।
১১. ব্যাকরণ শব্দের সঠিক উচ্চারণ কী?
উত্তর: [ব্যাকরোন্‌]
১২. বিজ্ঞান শব্দের সঠিক উচ্চারণ কী?
উত্তর: [বিগ্‌গ্যাঁন/বিগ্‌গাঁন্]


১. ভাষার ক্ষুদ্রতম একক হিসেবে কোনটি সঠিক?
ক. শব্দ
খ. বাক্য
গ. ধ্বনি
ঘ. অর্থ
উত্তর: গ. ধ্বনি

২. “মানুষের বাগ্যন্ত্রের সাহায্যে তৈরি আওয়াজকে ধ্বনি বলে”—এটি কোন বিষয়ের সংজ্ঞা?
ক. শব্দ
খ. ধ্বনি
গ. বাক্য
ঘ. বর্ণ
উত্তর: খ. ধ্বনি

৩. ভাষার মৌলিক উপাদান হিসেবে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?

ক. ধ্বনি

খ. শব্দ

গ. বাক্য

ঘ. বর্ণ

উত্তর: ঘ. বর্ণ

৪. “মানুষের কথা হলো অর্থযুক্ত কিছু ধ্বনি”—এখানে ‘কথা’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

ক. বাক্য

খ. শব্দ

গ. ভাষা

ঘ. ধ্বনি

উত্তর: গ. ভাষা

৫. ধ্বনি উৎপাদনের মূল উৎস কোনটি?

ক. মুখ

খ. কণ্ঠ

গ. ফুসফুস

ঘ. নাসিকা

উত্তর: গ. ফুসফুস

৬. ধ্বনি নির্গত হয় কোন অঙ্গ দিয়ে?

ক. নাসিকা

খ. মুখ

গ. কণ্ঠ

ঘ. জিহ্বা

উত্তর: খ. মুখ

৭. ধ্বনিকে লিখে প্রকাশ করার প্রতীককে কী বলা হয়?

ক. শব্দ

খ. বাক্য

গ. বর্ণ

ঘ. ধ্বনি

উত্তর: গ. বর্ণ

৮. বর্ণসমষ্টির সুনির্দিষ্ট সাজানো ক্রমকে কী বলে?

ক. শব্দ

খ. বাক্য

গ. বর্ণমালা

ঘ. ধ্বনি

উত্তর: গ. বর্ণমালা

৯. ধ্বনি কয় প্রকার?

ক. এক

খ. দুই

গ. তিন

ঘ. চার

উত্তর: খ. দুই

১০. “যে ধ্বনি নিজে নিজে উচ্চারিত হয়”—এটি কোন ধ্বনির বৈশিষ্ট্য?

ক. ব্যঞ্জনধ্বনি

খ. স্বরধ্বনি

গ. নাসিক্যধ্বনি

ঘ. ঘোষধ্বনি

উত্তর: খ. স্বরধ্বনি

১১. স্বরধ্বনির লিখিত রূপকে কী বলা হয়?

ক. ব্যঞ্জনবর্ণ

খ. স্বরবর্ণ

গ. বর্ণমালা

ঘ. ধ্বনি

উত্তর: খ. স্বরবর্ণ

১২. বাংলা ভাষায় স্বরবর্ণের সংখ্যা কত?

ক. ৭

খ. ৯

গ. ১১

ঘ. ১২

উত্তর: গ. ১১

১৩. “অ, আ” কোন শ্রেণির ধ্বনি?

ক. তালব্য

খ. কণ্ঠ্য

গ. ওষ্ঠ্য

ঘ. মূর্ধন্য

উত্তর: খ. কণ্ঠ্য

১৪. “ই, ঈ” কোন শ্রেণির ধ্বনি?

ক. কণ্ঠ্য

খ. তালব্য

গ. ওষ্ঠ্য

ঘ. দন্ত্য

উত্তর: খ. তালব্য

১৫. “উ, ঊ” কোন শ্রেণির ধ্বনি?

ক. তালব্য

খ. দন্ত্য

গ. ওষ্ঠ্য

ঘ. কণ্ঠ্য

উত্তর: গ. ওষ্ঠ্য

১৬. ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণে কোনটির সাহায্য প্রয়োজন?

ক. শব্দ

খ. বাক্য

গ. স্বরধ্বনি

ঘ. বর্ণ

উত্তর: গ. স্বরধ্বনি

১৭. ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা কত?

ক. ৩৫

খ. ৩৭

গ. ৩৯

ঘ. ৪১

উত্তর: গ. ৩৯

১৮. “ক খ গ ঘ ঙ”—এগুলো কোন বর্গের অন্তর্ভুক্ত?

ক. চ বর্গ

খ. ক বর্গ

গ. ত বর্গ

ঘ. প বর্গ

উত্তর: খ. ক বর্গ

১৯. Ôচ ছ জ ঝ ঞ”—এগুলো কোন বর্গের অন্তর্ভুক্ত?

ক. ট বর্গ

খ. ত বর্গ

গ. চ বর্গ

ঘ. প বর্গ

উত্তর: গ. চ বর্গ

২০. Ôট ঠ ড ঢ ণ”—এগুলো কোন বর্গের অন্তর্ভুক্ত?

ক. ক বর্গ

খ. চ বর্গ

গ. ট বর্গ

ঘ. প বর্গ

উত্তর: গ. ট বর্গ

২১. `ত থ দ ধ ন' এগুলো কোন বর্গের অন্তর্ভুক্ত?

ক. ত বর্গ

খ. প বর্গ

গ. ক বর্গ

ঘ. চ বর্গ

উত্তর: ক. ত বর্গ

২২. ‘প ফ ব ভ ম’ এগুলো কোন বর্গের অন্তর্ভুক্ত?

ক. ক বর্গ

খ. চ বর্গ

গ. ট বর্গ

ঘ. প বর্গ

উত্তর: ঘ. প বর্গ

২৩. ট, ঠ, ড, ঢ” কোন শ্রেণির ধ্বনি?

ক. দন্ত্য

খ. তালব্য

গ. মূর্ধন্য

ঘ. ওষ্ঠ্য

উত্তর: গ. মূর্ধন্য

২৪. `ত, থ, দ, ধ” কোন শ্রেণির ধ্বনি?

ক. দন্ত্য

খ. কণ্ঠ্য

গ. তালব্য

ঘ. ওষ্ঠ্য

উত্তর: ক. দন্ত্য

২৫. `প, ফ, ব, ভ, ম” কোন শ্রেণির ধ্বনি?

ক. দন্ত্য

খ. তালব্য

গ. ওষ্ঠ্য

ঘ. কণ্ঠ্য

উত্তর: গ. ওষ্ঠ্য

২৬. “ঙ, ঞ, ণ, ন, ম”—এগুলো কোন ধরনের ধ্বনি?

ক. ঘোষ

খ. অঘোষ

গ. নাসিক্য

ঘ. মহাপ্রাণ

উত্তর: গ. নাসিক্য

২৭. নাসিক্যধ্বনির অপর নাম কী?

ক. ঘোষধ্বনি

খ. অনুনাসিকধ্বনি

গ. অঘোষধ্বনি

ঘ. পরাশ্রয়ী ধ্বনি

উত্তর: খ. অনুনাসিকধ্বনি

২৮. “যেসব ধ্বনির উচ্চারণে ঘোষ সৃষ্টি হয় না”—এগুলোকে কী বলে?

ক. ঘোষধ্বনি

খ. অঘোষধ্বনি

গ. নাসিক্যধ্বনি

ঘ. মহাপ্রাণ

উত্তর: খ. অঘোষধ্বনি

২৯. ঘোষধ্বনির অপর নাম কী?

ক. শ্বাসধ্বনি

খ. নাদধ্বনি

গ. অনুনাসিক

ঘ. বর্ণ

উত্তর: খ. নাদধ্বনি


৩০. “যে ধ্বনিতে বায়ুচাপ কম থাকে”—এটি কোন ধ্বনি?

ক. মহাপ্রাণ

খ. অল্পপ্রাণ

গ. ঘোষ

ঘ. অঘোষ

উত্তর: খ. অল্পপ্রাণ

৩১. “যে ধ্বনিতে বায়ুচাপ বেশি থাকে”—এটি কোন ধ্বনি?

ক. অল্পপ্রাণ

খ. ঘোষ

গ. মহাপ্রাণ

ঘ. অঘোষ

উত্তর: গ. মহাপ্রাণ

৩২. “ং, ঃ, ঁ”—এগুলো কী ধরনের ধ্বনি?

ক. ঘোষ

খ. অঘোষ

গ. পরাশ্রয়ী

ঘ. নাসিক্য

উত্তর: গ. পরাশ্রয়ী

৩৩. পরাশ্রয়ী ধ্বনি বলা হয় কেন?

ক. স্বতন্ত্রভাবে উচ্চারিত হয়

খ. স্বতন্ত্রভাবে উচ্চারিত হয় না

গ. বেশি বায়ুচাপ লাগে

ঘ. কম বায়ুচাপ লাগে

উত্তর: খ. স্বতন্ত্রভাবে উচ্চারিত হয় না

৩৪. শুদ্ধ উচ্চারণ কেন প্রয়োজন?

ক. সৌন্দর্যের জন্য

খ. অর্থ প্রকাশের জন্য

গ. লেখার জন্য

ঘ. পড়ার জন্য

উত্তর: খ. অর্থ প্রকাশের জন্য


৩৫. অশুদ্ধ উচ্চারণ কী ঘটায়?

ক. সৌন্দর্য বৃদ্ধি

খ. অর্থবিভ্রান্তি

গ. ধ্বনি বৃদ্ধি

ঘ. শব্দ বৃদ্ধি

উত্তর: খ. অর্থবিভ্রান্তি

৩৬. ভাষা প্রকাশের উপায় কয়টি?

ক. এক

খ. দুই

গ. তিন

ঘ. চার

উত্তর: খ. দুই

৩৭. ভাষা প্রকাশের উপায় কী কী?

ক. বলা ও লেখা

খ. পড়া ও লেখা

গ. বলা ও শোনা

ঘ. পড়া ও বলা

উত্তর: ক. বলা ও লেখা

৩৮. অ্যা ধ্বনির জন্য পৃথক বর্ণ আছে কি?

ক. আছে

খ. নেই

গ. কখনো আছে

ঘ. সবসময় আছে

উত্তর: খ. নেই

৩৯. “জ্ঞাত” শব্দের সঠিক উচ্চারণ কোনটি?

ক. জ্ঞাত

খ. গ্যাত

গ. গ্যাঁতো

ঘ. গ্নাত

উত্তর: গ. গ্যাঁতো

৪০. “জ্ঞান” শব্দের সঠিক উচ্চারণ কোনটি?

ক. জ্ঞান

খ. গ্নান

গ. গ্যাঁন

ঘ. জ্যান

উত্তর: গ. গ্যাঁন

৪১. “ব্যাকরণ” শব্দের সঠিক উচ্চারণ কী?

ক. ব্যাকরণ

খ. ব্যাকরোন্‌

গ. ব্যাকরন

ঘ. ব্যাকরুন

উত্তর: খ. ব্যাকরোন্‌


৪২. “বিজ্ঞান” শব্দের সঠিক উচ্চারণ কী?

ক. বিজ্ঞান

খ. বিগ্যান

গ. বিগ্‌গ্যাঁন

ঘ. বিগন

উত্তর: গ. বিগ্‌গ্যাঁন

৪৩. য-ফলা যুক্ত হলে আ ধ্বনি কী হয়?

ক. ই

খ. উ

গ. অ্যা

ঘ. ও

উত্তর: গ. অ্যা

৪৪. ধ্বনি মিলিয়ে কী তৈরি হয়?

ক. বাক্য

খ. শব্দ

গ. বর্ণ

ঘ. অর্থ

উত্তর: খ. শব্দ

৪৫. শব্দ মিলিয়ে কী তৈরি হয়?

ক. ধ্বনি

খ. বাক্য

গ. বর্ণ

ঘ. অর্থ

উত্তর: খ. বাক্য

৪৬. বাক্য কী প্রকাশ করে?

ক. ধ্বনি

খ. শব্দ

গ. অর্থ

ঘ. বর্ণ

উত্তর: গ. অর্থ

৪৭. ধ্বনি ছাড়া ভাষা সম্ভব কি?

ক. হ্যাঁ

খ. না

গ. কখনো

ঘ. আংশিক

উত্তর: খ. না

৪৮. ধ্বনির সাধারণ অর্থ কী?

ক. শব্দ

খ. বাক্য

গ. আওয়াজ

ঘ. বর্ণ

উত্তর: গ. আওয়াজ

৪৯. ধ্বনি উৎপাদনে কোনটির ভূমিকা প্রধান?

ক. পানি

খ. বায়ু

গ. আলো

ঘ. শব্দ

উত্তর: খ. বায়ু

৫০. ধ্বনি ভাষার কী?

ক. অংশ

খ. ভিত্তি

গ. রূপ

ঘ. গঠন

উত্তর: খ. ভিত্তি


No comments

Thank you, best of luck

Theme images by sbayram. Powered by Blogger.