header ads

আমার বাড়ি ।। জসীমউদ্ দীন।।


আমার বাড়ি ;  জসীমউদ্ দীন

আমার বাড়ি যাইও ভোমর,
বসতে দেব পিঁড়ে,
জলপান যে করতে দেব
শালি ধানের চিঁড়ে।

শালি ধানের চিঁড়ে দেব,
বিন্নি ধানের খই,
বাড়ির গাছের কবরী কলা,
গামছা-বাঁধা দই।

আম-কাঁঠালের বনের ধারে
শুয়ো আঁচল পাতি,
গাছের শাখা দুলিয়ে বাতাস
করব সারা রাতি।

চাঁদমুখে তোর চাঁদের চুমো
মাখিয়ে দেব সুখে,
তারা ফুলের মালা গাঁথি,
জড়িয়ে দেব বুকে।

গাই দোহনের শব্দ শুনি
জেগো সকাল বেলা,
সারাটা দিন তোমায় লয়ে
করব আমি খেলা।

আমার বাড়ি ডালিম গাছে
ডালিম ফুলের হাসি,
কাজলা দিঘির কাজল জলে
হাঁসগুলি যায় ভাসি।

আমার বাড়ি যাইও ভোমর,
এই বরাবর পথ,
মৌরি ফুলের গন্ধ শুঁকে
থামিও তব রথ।


শিক্ষক হিসাবে ‘আমার বাড়ি’ কবিতাটি ব্যাখ্যা

প্রিয় শিক্ষার্থীরা, আজ আমরা পল্লীকবি জসীমউদ্ দীনের লেখা একটি চমৎকার কবিতা পড়ব, যার নাম ‘আমার বাড়ি’। এই কবিতাটি তোমাদের 'হাসু' কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে। কবি জসীমউদ্ দীনকে আমরা পল্লীকবি বলি, কারণ তার লেখায় আমাদের গ্রামবাংলার মাটি, মানুষ আর প্রকৃতির কথা খুব সুন্দরভাবে উঠে আসে। এই কবিতাতেও তিনি গ্রামের সরল জীবন আর অতিথিদের প্রতি ভালোবাসা কত গভীর হতে পারে, তা ফুটিয়ে তুলেছেন।

চলো, আমরা কবিতার প্রতিটি চরণে একটু মনোযোগ দিয়ে দেখি।


আমার বাড়ি যাইও ভোমর,
বসতে দেব পিঁড়ে,
জলপান যে করতে দেব
শালি ধানের চিঁড়ে।

এখানে 'ভোমর' বলতে কিন্তু আসল মৌমাছি বোঝানো হয়নি, বরং কবি তার কোনো প্রিয় বন্ধু বা অতিথিকে ভালোবেসে ভোমর বলে সম্বোধন করছেন। গ্রামগঞ্জে যখন কেউ বেড়াতে আসে, তখন তাদের বসতে দেওয়ার জন্য কাঠের বা বাঁশের তৈরি এক ধরনের ছোট আসন ব্যবহার করা হয়, তাকে বলে 'পিঁড়ে'। কবি তার বন্ধুকে পিঁড়িতে বসতে দেবেন এবং জলখাবার হিসেবে শালি ধানের চিঁড়ে দেবেন। শালি ধান হলো এক ধরনের ভালো মানের আমন ধান।


শালি ধানের চিঁড়ে দেব,
বিন্নি ধানের খই,
বাড়ির গাছের কবরী কলা,
গামছা-বাঁধা দই।

শুধু চিঁড়ে নয়, কবি আরও অনেক কিছু দিয়ে তার অতিথিকে আপ্যায়ন করবেন। বিন্নি ধানের খই দেবেন, যা আমাদের দেশের পুরনো জাতের ধান থেকে তৈরি হয়। আর দেবেন তার বাড়ির গাছের মিষ্টি কবরী কলা। 'গামছা-বাঁধা দই' মানে হলো খুব ঘন দই, যা এতটাই ঘন যে গামছায় রাখলেও জল গড়িয়ে পড়ে না। এই সব খাবারই গ্রামবাংলার নিজস্ব ঐতিহ্যবাহী আপ্যায়নের অংশ।

আম-কাঁঠালের বনের ধারে
শুয়ো আঁচল পাতি,
গাছের শাখা দুলিয়ে বাতাস
করব সারা রাতি।

কবি শুধু অতিথির খাবারের ব্যবস্থা করেননি, তার আরামের কথাও ভেবেছেন। তিনি বলছেন, আম আর কাঁঠালের ছায়াঘেরা বনের ধারে তার বন্ধু যেন আঁচল পেতে শুয়ে বিশ্রাম নেয়। আর কবি নিজে সারা রাত ধরে গাছের ডাল দুলিয়ে বাতাস করে তার বন্ধুর সেবা করবেন। ভাবো, কতটা আন্তরিকতা থাকলে একজন মানুষ এমনভাবে অতিথির সেবা করতে চায়!


চাঁদমুখে তোর চাঁদের চুমো
মাখিয়ে দেব সুখে,
তারা ফুলের মালা গাঁথি,
জড়িয়ে দেব বুকে।


এই চরণে কবির ভালোবাসা আরও গভীর ও আত্মিক হয়ে উঠেছে। তিনি তার বন্ধুর সুন্দর মুখটিকে চাঁদের মতো সুন্দর বলেছেন এবং সেই চাঁদের মতো মিষ্টি মুখে চাঁদের আলো ছড়িয়ে পড়ার কথা বলেছেন। তিনি তারা ফুল দিয়ে মালা গেঁথে বন্ধুর বুকে পরিয়ে দেবেন। এখানে একজন বন্ধুর প্রতি আরেকজন বন্ধুর গভীর ভালোবাসার প্রকাশিত হয়েছে।


গাই দোহনের শব্দ শুনি
জেগো সকাল বেলা,
সারাটা দিন তোমায় লয়ে
করব আমি খেলা।


গ্রামের সকাল কতটা শান্ত ও সুন্দর হয়, তা এই চরণে বোঝানো হয়েছে। অতিথি গরুর দুধ দোহনের শব্দ শুনে সকালে ঘুম থেকে উঠবে। শহরে যেমন গাড়ির হর্ন বা নানা রকম আওয়াজে ঘুম ভাঙে, গ্রামে তেমন নয়। আর এরপর কবি বলেছেন, সারাটা দিন তিনি তার বন্ধুর সাথে খেলাধুলা করে কাটাবেন। এটি গ্রামীণ জীবনের সরল আনন্দকে ফুটিয়ে তোলে।


আমার বাড়ি ডালিম গাছে
ডালিম ফুলের হাসি,
কাজলা দিঘির কাজল জলে
হাঁসগুলি যায় ভাসি।

কবি তার বাড়ির চারপাশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যও বর্ণনা করেছেন। তার বাড়ির ডালিম গাছে ডালিম ফুল ফুটেছে, যা দেখে মনে হচ্ছে যেন ফুলগুলো হাসছে। 'কাজলা দিঘি' মানে হলো কাজলের মতো কালো জলযুক্ত দিঘি। সেই দিঘির কালো জলে হাঁসেরা আপন মনে ভেসে বেড়াচ্ছে। এই দৃশ্যগুলো অতিথির মনকে শান্ত ও আনন্দিত করবে।


আমার বাড়ি যাইও ভোমর,
এই বরাবর পথ,
মৌরি ফুলের গন্ধ শুঁকে
থামিও তব রথ।

সবশেষে কবি তার বন্ধুকে আবার আসার আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন। তিনি পথের দিকনির্দেশনাও দিচ্ছেন – এই পথ ধরেই সোজা আসতে হবে। আর পথে মৌরি ফুলের সুগন্ধ শুঁকে থেমে যেতে বলেছেন, যা ইঙ্গিত করে যে মৌরি ফুল তার বাড়ির কাছেই আছে। 'রথ' বলতে এখানে কবির বন্ধুর বাহনকে বোঝানো হয়েছে, যা আধুনিক যুগে গাড়ি বা অন্য কোনো বাহন হতে পারে।


এই কবিতার মূল বার্তা কী?
এই কবিতার মূল উদ্দেশ্য হলো আমাদের ঐতিহ্যবাহী অতিথি পরায়ণতা বা মেহমানদারির গুণকে তুলে ধরা। বাঙালিরা যুগ যুগ ধরে অতিথিদের খুব ভালোবাসে এবং তাদের জন্য সব রকম ব্যবস্থা করে। এই কবিতায় আমরা সৌজন্য, শিষ্টাচার এবং মানবপ্রেমের এক অসাধারণ দৃষ্টান্ত দেখতে পাই। একই সাথে এটি আমাদের গ্রামীণ জীবনের সৌন্দর্য, সরলতা এবং প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের গভীর সম্পর্ককেও ফুটিয়ে তুলেছে।
কবি জসীমউদ্ দীন চেয়েছেন এই কবিতার মাধ্যমে তোমরা আমাদের গ্রামবাংলার সহজ-সুন্দর জীবন এবং অতিথিদের প্রতি আন্তরিকতার গুরুত্ব বুঝতে পারো।


শব্দার্থ
ভোমর
মৌমাছি। ভ্রমরের কথ্য রূপ ভোমর। কবিতাটিতে কোনো বন্ধু বা প্রিয়জনকে ভোমর বলে সম্বোধন করে নিজের বাড়িতে আসার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

শালি ধান
এক প্রকার আমন ধান, যা হেমন্তকালে উৎপন্ন হয়।

বিন্নি ধান
বাংলাদেশের আদি জাতের ধানগুলোর একটি।

কবরী কলা
-স্বাদের জন্য বিখ্যাত এক প্রকার কলা।

'গামছা-বাঁধা দই'
অধিক ঘনত্বের ফলে যে দই গামছায় রাখলেও রস গড়িয়ে পড়ে না।

'শুয়ো আঁচল পাতি' 
আঁচল পেতে শুয়ে থেকো।

'গাই দোহনের শব্দ' 
গাভীর দুধ দোহনের শব্দ। 

কাজলা দিঘি
কাজলের মতো কালো জলের দিঘি।

পাঠের উদ্দেশ্য
আন্তরিক অতিথি পরায়ণতার মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের সৌজন্য, শিষ্টাচার ও মানবপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করা। গ্রামীণ জীবনের সৌন্দর্য বিষয়ে সচেতন করা।

বিষয়ববস্তু
কবিতাটি কবি জসীমউদ্দীনের 'হাসু' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। এখানে কোনো বন্ধু বা প্রিয়জনকে নিজের গ্রামের বাড়িতে নিমন্ত্রণ করেছেন কবি। তিনি তাকে আপ্যায়ন করতে চান শালি ধানের চিঁড়া, বিন্নি ধানের খই, কবরী কলা এবং গামছা বাঁধা দই দিয়ে। প্রকৃতির সান্নিধ্যে কেমন করে অতিথির প্রাণ জুড়াবে তারও এক নিবিড় পরিচয় আছে কবিতাটিতে। যুগ যুগ ধরেই অতিথি আপ্যায়নে বাঙালির সুনাম রয়েছে। অতিথির বিশ্রাম ও আনন্দের জন্য গৃহস্থের আন্তরিক প্রয়াস এ কবিতায় বিশেষভাবে লক্ষণীয়। অতিথি যে গৃহে এসেছেন সেই গৃহের গাছ, ফুল, পাখিও যেন অতিথিকে আপ্যায়নে উন্মুখ হয়ে আছে। অতিথিকে ভালোবাসার মধ্য দিয়ে সৌজন্য, শিষ্টাচার ও মানবপ্রেমের অসাধারণ বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে এ কবিতায়।

কবি-পরিচিতি
কবি জসীমউদ্ দীন   ১৯০৩ খ্রিষ্টাব্দে ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর কবিতায় আমরা পল্লির মানুষ ও প্রকৃতির সহজ-সুন্দর রূপটি দেখতে পাই। পল্লির মাটি ও মানুষের সঙ্গে তাঁর কবিহৃদয় যেন এক হয়ে মিশে আছে। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাহিনিকাব্য: নক্সী কাঁথার মাঠ, সোজন বাদিয়ার ঘাট; কাব্যগ্রন্থ: রাখালী, বালুচর, মাটির কান্না; নাটক: বেদের মেয়ে। তাঁর শিশুতোষ গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে হাসু, এক পয়সার বাঁশী, ডালিমকুমার। ১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দে তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।

"আমার বাড়ি" কবিতা থেকে MCQ প্রশ্ন-উত্তর

১. কবি কাকে তার বাড়িতে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন?

ক. শিক্ষক
খ. পথিক
গ. ভোমর
ঘ. গ্রামবাসী
উত্তর: গ. ভোমর

২. অতিথিকে বসতে দেওয়ার জন্য কবি কী দেবেন?
ক. চেয়ার
খ. পিঁড়ে
গ. মোড়া
ঘ. মাদুর
উত্তর: খ. পিঁড়ে

৩. জলপানের জন্য কবি কীসের চিঁড়ে দেবেন?
ক. বিন্নি ধানের
খ. শালি ধানের
গ. আউশ ধানের
ঘ. আমন ধানের
উত্তর: খ. শালি ধানের

৪. অতিথির জন্য কবি কোন ধানের খই দেবেন?
ক. শালি ধানের
খ. আমন ধানের
গ. বিন্নি ধানের
ঘ. আউশ ধানের
উত্তর: গ. বিন্নি ধানের

৫. বাড়ির গাছের কোন ফল দিয়ে কবি অতিথিকে আপ্যায়ন করবেন?
ক. আম
খ. কাঁঠাল
গ. লিচু
ঘ. কবরী কলা
উত্তর: ঘ. কবরী কলা

৬. কবি কোন ধরনের দই দিয়ে অতিথিকে আপ্যায়ন করবেন?
ক. পাতলা দই
খ. মিষ্টি দই
গ. গামছা-বাঁধা দই
ঘ. টক দই
উত্তর: গ. গামছা-বাঁধা দই

৭. অতিথিকে কোথায় আঁচল পেতে শুতে বলা হয়েছে?
ক. উঠানে
খ. বারান্দায়
গ. আম-কাঁঠালের বনের ধারে
ঘ. ঘরের মধ্যে
উত্তর: গ. আম-কাঁঠালের বনের ধারে

৮. অতিথিকে সারা রাত বাতাস করার জন্য কবি কী দুলিয়ে দেবেন?
ক. হাতপাখা
খ. গাছের শাখা
গ. কাপড়
ঘ. চামর
উত্তর: খ. গাছের শাখা

৯. কবি চাঁদমুখে কী মাখিয়ে দেবেন?
ক. চন্দন
খ. টিপ
গ. চাঁদের চুমো
ঘ. কাজল
উত্তর: গ. চাঁদের চুমো

১০. কবি কী ফুলের মালা গেঁথে অতিথির বুকে জড়িয়ে দেবেন?
ক. গোলাপ
খ. বেলি
গ. তারা ফুল
ঘ. জবা
উত্তর: গ. তারা ফুল

১১. সকালবেলায় কীসের শব্দ শুনে অতিথি জাগবে?
ক. পাখির কিচিরমিচির
খ. মোরগের ডাক
গ. গাই দোহনের শব্দ
ঘ. মানুষের কোলাহল
উত্তর: গ. গাই দোহনের শব্দ

১২. সকালে জেগে উঠে কবি অতিথির সঙ্গে কী করার কথা বলেছেন?
ক. গল্প
খ. বেড়াতে যাওয়া
গ. খেলা
ঘ. পড়ালেখা
উত্তর: গ. খেলা

১৩. কবির বাড়ির কোন গাছে ডালিম ফুলের হাসি দেখা যায়?
ক. আম গাছে
খ. কাঁঠাল গাছে
গ. ডালিম গাছে
ঘ. মৌরি গাছে
উত্তর: গ. ডালিম গাছে

১৪. দিঘির জলের রং কেমন?
ক. নীল
খ. সবুজ
গ. স্বচ্ছ
ঘ. কাজল
উত্তর: ঘ. কাজল

১৫. কাজলা দিঘির কাজল জলে কী ভাসি যায়?
ক. মাছ
খ. নৌকা
গ. হাঁসগুলি
ঘ. পাতা
উত্তর: গ. হাঁসগুলি

১৬. অতিথিকে পথ চিনতে কীসের গন্ধ শুঁকে আসতে বলা হয়েছে?
ক. গোলাপ ফুলের
খ. মৌরি ফুলের
গ. বেলি ফুলের
ঘ. রজনীগন্ধা ফুলের
উত্তর: খ. মৌরি ফুলের

১৭. অতিথিকে কী থামিয়ে কবির বাড়িতে আসার কথা বলা হয়েছে?
ক. গাড়ি
খ. নৌকা
গ. রথ
ঘ. বাইসাইকেল
উত্তর: গ. রথ


১৮. 'আমার বাড়ি' কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
ক. রাখালী
খ. বালুচর
গ. হাসু
ঘ. সোজন বাদিয়ার ঘাট
উত্তর: গ. হাসু

১৯. 'পিঁড়ে' কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
ক. ঘুমানোর জন্য
খ. বসার জন্য
গ. হাঁটার জন্য
ঘ. ফসল তোলার জন্য
উত্তর: খ. বসার জন্য

২০. 'শালি ধান' কখন উৎপন্ন হয়?
ক. গ্রীষ্মকালে
খ. বর্ষাকালে
গ. হেমন্তকালে
ঘ. শীতকালে
উত্তর: গ. হেমন্তকালে

২১. কোন কলা স্বাদের জন্য বিখ্যাত?
ক. সাগর কলা
খ. চম্পা কলা
গ. কবরী কলা
ঘ. কাঠালি কলা
উত্তর: গ. কবরী কলা

২২. 'গামছা-বাঁধা দই' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
ক. দই গামছায় বেঁধে বিক্রি করা
খ. ঘন দই
গ. টক দই
ঘ. পাতলা দই
উত্তর: খ. ঘন দই

২৩. 'শুয়ো আঁচল পাতি' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?


ক. আঁচল পেতে শুয়ে থাকা


খ. আঁচল বিছিয়ে রাখা


গ. আঁচল দিয়ে বাতাস করা


ঘ. আঁচল দিয়ে মুখ মোছা


উত্তর: ক. আঁচল পেতে শুয়ে থাকা


২৪. 'গাই দোহনের শব্দ' মানে কী?


ক. গরুর ডাক


খ. দুধ দোহনের শব্দ


গ. গরুর হাঁটাচলার শব্দ


ঘ. গরুর খাওয়ার শব্দ


উত্তর: খ. দুধ দোহনের শব্দ


২৫. 'কাজলা দিঘি' বলতে কেমন দিঘি বোঝানো হয়েছে?


ক. নীল জলের দিঘি


খ. স্বচ্ছ জলের দিঘি


গ. কাজলের মতো কালো জলের দিঘি


ঘ. সবুজ জলের দিঘি


উত্তর: গ. কাজলের মতো কালো জলের দিঘি


২৬. কবিতাটিতে কোন প্রাণীটিকে 'ভোমর' বলে সম্বোধন করা হয়েছে?


ক. মৌমাছি


খ. ভ্রমর


গ. বন্ধু বা প্রিয়জন


ঘ. পাখি


উত্তর: গ. বন্ধু বা প্রিয়জন


২৭. কবিতাটিতে অতিথির জন্য কোন ফলের বনের কথা বলা হয়েছে?


ক. পেয়ারা-আঙুরের


খ. আম-কাঁঠালের


গ. লিচু-জামরুলের


ঘ. নারকেল-সুপারির


উত্তর: খ. আম-কাঁঠালের


২৮. রাতের বেলায় কবি কী দিয়ে অতিথিকে বাতাস করবেন?


ক. ফ্যান


খ. হাতপাখা


গ. গাছের শাখা দুলিয়ে


ঘ. স্বয়ং বাতাস বয়ে আসবে


উত্তর: গ. গাছের শাখা দুলিয়ে


২৯. 'চাঁদমুখে তোর চাঁদের চুমো' - এখানে 'চাঁদমুখ' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?


ক. গোল মুখ


খ. সুন্দর মুখ


গ. সাদা মুখ


ঘ. উজ্জ্বল মুখ


উত্তর: খ. সুন্দর মুখ


৩০. কবি অতিথির সঙ্গে কখন খেলা করবেন?


ক. সকাল বেলা


খ. দুপুর বেলা


গ. সারাটা দিন


ঘ. সন্ধ্যা বেলা


উত্তর: গ. সারাটা দিন


৩১. ডালিম ফুলের হাসির মাধ্যমে কীসের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে?


ক. ফুল ফোটার আনন্দ


খ. সৌন্দর্য


গ. অতিথির আগমন


ঘ. পরিবেশের সজীবতা


উত্তর: ক. ফুল ফোটার আনন্দ


৩২. হাঁসগুলি কোথায় ভাসি যায়?


ক. পুকুরে


খ. নদীতে


গ. বিলে


ঘ. কাজলা দিঘির কাজল জলে


উত্তর: ঘ. কাজলা দিঘির কাজল জলে


৩৩. 'এই বরাবর পথ' – এই চরণটিতে কীসের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে?


ক. সোজা পথ


খ. আঁকাবাঁকা পথ


গ. চেনা পথ


ঘ. গ্রামের পথ


উত্তর: গ. চেনা পথ


৩৪. 'মৌরি ফুলের গন্ধ শুঁকে থামিও তব রথ' – এখানে 'রথ' শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?


ক. পালকি


খ. ঘোড়ার গাড়ি


গ. বাহন


ঘ. চক্র


উত্তর: গ. বাহন


৩৫. কবি অতিথির বুকে কী জড়িয়ে দেবেন?


ক. চাদর


খ. মালা


গ. হাত


ঘ. বস্ত্র


উত্তর: খ. মালা


৩৬. কবি তার বন্ধুকে কোন ধরনের জীবনের স্বাদ দিতে চেয়েছেন?


ক. শহুরে জীবনের


খ. বিলাসবহুল জীবনের


গ. গ্রামীণ জীবনের


ঘ. আধুনিক জীবনের


উত্তর: গ. গ্রামীণ জীবনের


৩৭. কবিতাটিতে কোন ঋতুর ইঙ্গিত পাওয়া যায়?


ক. গ্রীষ্ম


খ. বর্ষা


গ. হেমন্ত (শালি ধানের উল্লেখ থেকে)


ঘ. বসন্ত


উত্তর: গ. হেমন্ত (শালি ধানের উল্লেখ থেকে)


৩৮. কোন বিষয়ের প্রতি কবি বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়েছেন?


ক. শিক্ষা


খ. সংস্কৃতি


গ. আতিথেয়তা


ঘ. ভ্রমণ


উত্তর: গ. আতিথেয়তা


৩৯. কবিতাটিতে মূলত কোন স্থানের বর্ণনা করা হয়েছে?


ক. শহর


খ. উপশহর


গ. গ্রাম


ঘ. পাহাড়


উত্তর: গ. গ্রাম


৪০. 'আমি' শব্দটি দ্বারা কাকে বোঝানো হয়েছে?


ক. অতিথি


খ. কবি


গ. গ্রামের মানুষ


ঘ. ভোমর


উত্তর: খ. কবি


No comments

Thank you, best of luck

Theme images by sbayram. Powered by Blogger.