header ads

আমাদের লোকশিল্প- কামরুল হাসান




আমাদের লোকশিল্প’ রচনার বিষয়বস্তু নিজের ভাষায় লেখো।
যা প্রতিটি সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর দিতে প্রয়োজন

বাংলাদেশের সমৃদ্ধ ও ঐতিহ্যবাহী লোকশিল্প। লেখক এখানে খাদ্যশস্যের পর কুটিরশিল্পকেই এদেশের মানুষের জীবনের সঙ্গে সবচেয়ে নিবিড়ভাবে জড়িত বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন। একসময় নিত্যব্যবহার্য প্রায় সকল পণ্যই গ্রামের কুটিরে তৈরি হতো, যা শিল্পগুণে লোকশিল্পের মর্যাদা পেয়েছে। রচনাটিতে বিশেষভাবে ঢাকার মসলিন কাপড়ের কথা বলা হয়েছে, যা তার সূক্ষ্মতার জন্য বিশ্বজোড়া খ্যাতি অর্জন করেছিল এবং মোগল সম্রাটদের বিলাসের বস্তু ছিল। মসলিনের ধারাবাহিকতায় জামদানি শাড়ি আজও দেশের গর্বের বস্তু। শীতলক্ষ্যা নদীর তীরের আর্দ্র আবহাওয়া জামদানি বুননের জন্য বিশেষ উপযোগী হওয়ায় এই শিল্প সেখানেই বিকাশ লাভ করেছে। এরপর লেখক নকশিকাঁথার কথা তুলে ধরেছেন, যা কেবল একটি সাধারণ কাঁথা নয়, বরং এর প্রতিটি ফোঁড়ে লুকিয়ে আছে গ্রামীণ নারীদের জীবনকাহিনী, তাদের সুখ-দুঃখ ও পরিবেশের প্রতিচ্ছবি। বর্ষাকালে গ্রামীণ নারীরা যখন অবসর পেতেন, তখন কাঁথায় আপন মনের মাধুরী মিশিয়ে অপূর্ব নকশা ফুটিয়ে তুলতেন। তাঁতশিল্প ছাড়াও খাদি বা খদ্দর, পার্বত্য চট্টগ্রামের চাকমা, কুকি, মুরং ও সিলেটের মণিপুরিদের তৈরি পোশাক, কাঁসা-পিতলের বাসন, পোড়ামাটির শিল্পকর্ম, কাঠের কাজ, শীতলপাটি, বাঁশ ও শোলার তৈরি বিভিন্ন সামগ্রী এবং কাপড়ের পুতুলের মতো বিভিন্ন লোকশিল্পের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। এই শিল্পগুলো শুধু দেশের মানুষের চাহিদা মেটায় না, বরং এগুলোর শৈল্পিক ও সাংস্কৃতিক মূল্যও অপরিসীম। রচনাটির শেষভাগে লেখক এই লোকশিল্পের সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তার মতে, যথাযথ পরিকল্পনা ও উদ্যোগের মাধ্যমে এই শিল্পগুলোকে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব, যা দেশের ঐতিহ্য রক্ষার পাশাপাশি দরিদ্র নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনেও সহায়ক হবে। লোকশিল্পের মাধ্যমে দেশের মানুষের হৃদয় ও সংস্কৃতির প্রকাশ ঘটিয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক স্থাপন করাও সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।



আমাদের লোকশিল্প 
কামরুল হাসান

খাদ্যশস্যের পরেই বাংলাদেশের মানুষের জীবনের সঙ্গে যে জিনিসটি অতি নিবিড়ভাবে জড়িয়ে আছে, তা হলো এখানকার কুটিরশিল্প। এক সময়ে ঘর-গৃহস্থালির নিত্য ব্যবহারের প্রায় সব পণ্যই এদেশের গ্রামের কুটিরে তৈরি হতো। আজও অনেক কিছুই হয়। এগুলো কুটিরশিল্পের মাধ্যমে তৈরি হলেও শিল্পগুণ বিচারে এ ধরনের সামগ্রী লোকশিল্পের মধ্যে গণ্য।

আমাদের দেশের বিভিন্ন লোকশিল্পের কতকগুলো এক সময়ে এমন উচ্চমানের ছিল যে, আজও আমরা সেসব জিনিসের কথা স্মরণ করে গর্ববোধ করি।

প্রথমে বলতে হয় ঢাকাই মসলিনের কথা। ঢাকা শহরের অদূরে ডেমরা এলাকার তাঁতিদের এ অমূল্য সৃষ্টি এককালে দুনিয়া জুড়ে তুলেছিল প্রবল আলোড়ন। ঢাকার মসলিন তৎকালীন মোগল বাদশাহদের বিলাসের বস্তু ছিল। মসলিন কাপড় এত সূক্ষ্ম সুতা দিয়ে বোনা হতো যে, ছোট একটি আংটির ভিতর দিয়ে অনায়াসে কয়েকশ গজ মসলিন কাপড় প্রবেশ করিয়ে দেওয়া সম্ভব ছিল। শুধু কারিগরি দক্ষতার নয়, এ ধরনের কাপড় বোনবার জন্য শিল্পী মন থাকাও প্রয়োজন। আজ সেই মসলিন নেই। তবে মসলিন যারা বুনত, তাদের বংশধরেরা যুগ যুগ ধরে এ শিল্পধারা বহন করে আসছে বলে জামদানি শাড়ি আমরা আজও দেখতে পাই। বর্তমান যুগে জামদানি শাড়ি দেশে-বিদেশে শুধু পরিচিতই নয়, গর্বের বস্তু।


এমনি আর একটি গ্রামীণ লোকশিল্প আজ লুপ্তপ্রায় হলেও কিছু কিছু নমুনা পাওয়া যায়। এটি হলো নকশিকাঁথা। এক সময় বাংলাদেশের গ্রামে গ্রামে এ নকশিকাঁথা তৈরির রেওয়াজ ছিল। এক একটি সাধারণ আকারের নকশিকাঁথা সেলাই করতেও কমপক্ষে ছয় মাস লাগত। বর্ষাকালে যখন চারদিকে পানি থৈ থৈ করে, ঘর থেকে বাইরে বের হওয়া যেত না, এমন মৌসুমই ছিল নকশিকাঁথা সেলাইয়ের উপযুক্ত সময়। মেয়েরা সংসারের কাজ সাঙ্গ করে দুপুরের খাওয়া-দাওয়া সেরে পাটি বিছিয়ে পানের বাটাটি পাশে নিয়ে পিঁয়ে মেলে বসতেন এ বিচিত্র নকশা তোলা কাঁথা সেলাই করতে। পাড়াপড়শিরাও সুযোগ পেলে আসত গল্প করতে। আপন পরিবেশ থেকেই মেয়েরা তাঁদের মনের মতো করে কাঁথা সেলাইয়ের অনুপ্রেরণা পেতেন। এমনি এক একটি কাঁথা সেলাই কত গল্প, কত হাসি, কত কান্নার মধ্যে দিয়ে শেষ হতো তা বলা যায় না। শুধু কতকগুলো সূক্ষ্ম সেলাই আর রং-বেরঙের নকশার জন্যই নকশিকাঁথা বলা হয় না বরং কাঁথার প্রতিটি সুঁচের ফোঁড়ের মধ্যে লুকিয়ে আছে এক-একটি পরিবারের কাহিনি, তাদের পরিবেশ, তাদের জীবনগাথা।


আমাদের দেশের লোকশিল্প বিভিন্ন রূপে ভিন্ন ভিন্ন অঞ্চলে প্রাধান্য পেয়েছে। তাঁতশিল্প বাংলাদেশের সব এলাকাতেই আছে; তবে ঢাকা, টাঙ্গাইল, শাহজাদপুর, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এলাকায় তাঁতশিল্পের মৌলিক বৈশিষ্ট্য দেখা যায়।


জামদানি শাড়ির কথা আমরা আলোচনা করেছি। নারায়ণগঞ্জ জেলার নওয়াপাড়া গ্রামে জামদানি কারিগরদের বসবাস। শত শতাব্দীর ধরে এ তাঁতশিল্প বিস্তার লাভ করেছে শীতলক্ষ্যা নদীর তীরবর্তী এ এলাকায়। বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, এ শীতলক্ষ্যা নদীর পানির বাষ্প থেকে যে আর্দ্রতার সৃষ্টি হয় তা জামদানি বুনার জন্য শুধু উপযোগীই নয়, বরং এক অপরিহার্য বস্তু বলা চলে। ভৌগোলিক অবস্থান, আবহাওয়া এবং পরিস্থিতির জন্য শুধু অতীতের তাঁতিদের তাঁতশিল্পই নয়, বর্তমানের বড় বড় কাপড়ের কারখানাও শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে গড়ে উঠেছে।


কুমিল্লা, নোয়াখালী ও চট্টগ্রামে প্রস্তুত খাদি বা খদ্দরের সমাদর শুধু গ্রামজীবনেই নয়, শহরের আধুনিক সমাজেও যথেষ্ট রয়েছে। খাদি কাপড়ের বিশেষত্ব হচ্ছে, এর সবটাই হাতে প্রস্তুত। তুলা থেকে হাতে সুতা কাটা হয়। গ্রামবাসীরা অবসর সময়ে সুতা কাটে। এদের বলা হয় কাটুনি। গ্রামে বাড়ির আশেপাশে তুলার গাছ লাগানোর রীতি আছে। সেই গাছের তুলা দিয়ে সুতা কাটা ও হস্ত চালিত তাঁতে এসব সুতার যে কাপড় প্রস্তুত করা হয়, সেই কাপড়ই প্রকৃত খাদি বা খদ্দর। স্বদেশি আন্দোলনের যুগে বিদেশি কাপড় বর্জন করে দেশি কাপড় ব্যবহারের যে আদর্শ প্রচারিত হয়েছিল তারই সাফল্যের স্বাক্ষর এই খাদি।


পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি, বান্দরবান, রামগড় এলাকার চাকমা, কুকি ও মুরং মেয়েরা এবং সিলেটের মণিপুরি অঞ্চলের মেয়েরা তাদের নিজেদের ও পুরুষদের পরিধেয় বস্ত্র বুনে থাকে। এ কাপড়গুলো সাধারণত মোটা ও টেকসই হয়। নকশা, রং ও বুনন কৌশল সবই তাদের নিজস্ব ঐতিহ্যে অনুযায়ী হয়।


বাংলাদেশের গ্রামে গ্রামে কাঁসা ও পিতলের বাসনপত্র এককালে বেশ প্রচলিত ছিল। আজও শত শত গ্রাম্য কারিগর তৈরি করে বিচিত্র ধরনের তৈজসপত্র। প্রথমে মাটির ছাঁচ করে তার মধ্যে ঢেলে দেয় গলিত কাঁসা। ধীরে ধীরে এ গলিত ধাতু ঠান্ডা হয়ে আসে। তখন ওপর থেকে মাটির ছাঁচটি ভেঙে ফেললেই ভেতর থেকে বেরিয়ে আসে বদনা, বাটি, গ্লাস, থালা ইত্যাদি। তারপর এগুলো পালিশ করা হয়। এ ধরনের বাসনে নানারকম ফুল পাতার নকশা বা ফরমায়েশকারীর নাম খোদাই করা থাকে। এমনকি আজকাল অতি আধুনিক গৃহসজ্জার সামগ্রী হিসেবে তামা-পিতলের ঘড়া, থালা, ফুলদানি ব্যবহৃত হতে দেখা যায়।


পোড়ামাটির কাজের ঐতিহ্য এদেশে বহু যুগের। মাটির কলস, হাঁড়ি, পাতিল, সানকি, ফুলদানি, দইয়ের ভাঁড়, রসের ঠিলা, সন্দেশ ও পিঠার ছাঁচ, টেপা পুতুল, হিন্দু সম্প্রদায়ের দুর্গা, সরস্বতী, লক্ষ্মী ইত্যাদির মূর্তি গড়ার কাজে বাংলাদেশের পালপাড়া ও কুমোরপাড়ার অধিবাসীরা সারা বছরই ব্যস্ত থাকে। আধুনিক রুচির ফুলদানি, ছাইদানি, চায়ের সেট, কৌটা, বাক্স বা ঘর সাজাবার নানা ধরনের শৌখিন সামগ্রী সব কিছুই মাটি দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে। এ ছাড়া পুরাকালের মসজিদ বা মন্দিরের গায়ে যেসব নকশাদার ইট দেখা যায় তা এদেশের লোকশিল্পের এক অতুলনীয় নিদর্শন।


ঐতিহ্যবাহী মাটির টেপা পুতুলগুলোর মধ্যে শত শত বছর পূর্বেকার পাল বা কুমোরদের যে কারিগরিবিদ্যা এবং শিল্পজ্ঞানের পরিচয় পাওয়া যায়, তা অভাবনীয়।


কাঠের কাজের খুব বেশি শিল্পগুণ আজকাল দেখা না গেলেও অতীতের কিছু কিছু নমুনা যা দেখতে পাওয়া যায় তা থেকে অনুমান করা যায় যে, এ দেশে এক সময় গৃহনির্মাণের কাজে কারুকার্যে ভূষিত কাঠের ব্যবহার ছিল। বিশেষ করে পুরাতন খাট-পালঙ্ক, খুঁটি-দরজা ইত্যাদির নমুনা আজও দেখা যায়। এ ধরনের কাজকে বলা হয় হাসিয়া। বরিশালের কাঠের নৌকার কাজও বেশ নিপুণতার দাবি রাখে।


খুলনার মাদুর এবং সিলেটের শীতলপাটি সকলের কাছে পরিচিত। গ্রীষ্মকালে ব্যবহারে আরামদায়ক বলেই নয়, শীতলপাটির নকশা একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্যের পরিচায়ক। অতীতে শীতলপাটির বহু দক্ষ কারিগর ছিল। এ শিল্পীদের দিয়ে এককালে ঢাকার নবাব পরিবার হাতির দাঁতের শীতলপাটি তৈরি করিয়েছিলেন। ঢাকার জাদুঘরে তা সংরক্ষিত আছে। এটি আমাদের লোকশিল্পের এক অতুলনীয় নিদর্শন।


আমাদের গ্রামের ঘরে ঘরে যে শিকা, হাতপাখা, ফুলপিঠা তৈরি করা হয়, তা মোটেই অবহেলার জিনিস নয়। এদের বিচিত্র নকশা, রং এবং কারিগরি সৌন্দর্যের যে নিদর্শন চোখে পড়ে তা শুধু আমাদের অতি আপন বস্তুই নয়, সৌন্দর্যের দিক দিয়েও এদের স্থান বহু উচ্চে। সাধারণ সামগ্রী হলেও যাঁরা এগুলো তৈরি করেন তাঁদের সৌন্দর্যপ্রিয়তার প্রকাশ ঘটে এসব জিনিসের মধ্য দিয়ে। শিকা গৃহস্থালির জিনিসপত্র ঝুলিয়ে রাখার জন্য তৈরি করা হয়। শুধু প্রয়োজনের বিচারেই নয়, সৌন্দর্যের দিক থেকেও এর একটি বিশেষ স্থান আছে।


আমাদের দেশে বাঁশ অপ্রতুল নয়। বাঁশের নানারকম ব্যবহার ছাড়া আমাদের চলতেই পারে না। ছোটখাটো সামান্য হাতিয়ারের সাহায্যে আমাদের কারিগররা বাঁশ দিয়ে আজকাল আধুনিক রুচির নানা ব্যবহারিক সামগ্রী তৈরি করছে যা শুধু আমাদের নিজেদের দেশেই নয়, বিদেশেও বহুল পরিমাণে ব্যবহৃত হচ্ছে। এ ছাড়া সোলাশিল্পের উৎকৃষ্ট সৃজনশীল নমুনাও দেখা যায় পুতুল, টোপর ইত্যাদির মধ্যে।


কাপড়ের পুতুল তৈরি করা আমাদের দেশের মেয়েদের একটি সহজাত শিল্পগুণ। অনেকাংশে এসব পুতুল প্রতীকধর্মী। অবশ্য আজকাল বাস্তবধর্মী কাপড়ের পুতুল তৈরিও শুরু হয়েছে। এগুলো যেমন আমাদের দেশের ঐতিহ্য ও জীবনের প্রতিনিধিত্ব করে, তেমনি বিদেশি পয়সাও উপার্জন করে।


লোকশিল্প সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণের দায়িত্ব আমাদের সকলের। বাংলাদেশের বিভিন্ন শহর, শহরতলি এবং গ্রামের হাজার হাজার নারী-পুরুষ আছে, যারা কাজ করতে চায় অথচ কাজের অভাবে দিন দিন দারিদ্র্যের শিকার হচ্ছে। সুপরিকল্পিত উপায়ে এবং যত্নपूर्वक লোকশিল্প প্রসারের দিকে মনোযোগ দিলে তাদের সমস্যার কিছুটা সমাধান হবে।


আমাদের সকলকেই আজ আপন পরিবেশ এবং পরিস্থিতির দিকে শুধু চোখ দিয়ে তাকালে হবে না, হৃদয় দিয়েও তাকাতে হবে। লোকশিল্পের ভিতর দিয়ে হৃদয়-মনের প্রকাশ হলে তা বিদেশিদের হৃদয়ে সাড়া জাগাবে। এভাবে দেশে দেশে হৃদয়ের সম্পর্ক গড়ে তোলার কাজেও আমাদের লোকশিল্প সাহায্য করতে পারে।


শব্দার্থ ও টীকা

নিবিড় - ঘনিষ্ঠ।
পণ্য - বিক্রি করা যায় এমন জিনিস।
লোকশিল্প - দেশি জিনিস দিয়ে দেশের মানুষের হাতে তৈরি শিল্পসম্মত দ্রব্য।
অমূল্য - মূল্য দিয়ে যার বিচার করা যায় না।
অপ্রতুল - যথেষ্ট নয়।
দক্ষতা - নিপুণতা, কুশলতা।
লুপ্তপ্রায় - লোপ পেতে বসেছে এমন।
রেওয়াজ - রীতি, পদ্ধতি, ধরন।
অনুপ্রেরণা - উদ্দীপনা, উৎসাহ।
জীবনগাথা - জীবনের কাহিনি।
অপরিহার্য - যা এড়ানো যায় না, আবশ্যিক।
মণিপুরি - মণিপুর-সম্পর্কিত, মণিপুরে উৎপন্ন।
ঠিলা - মাটির কলসি, ঘট।


No comments

Thank you, best of luck

Theme images by sbayram. Powered by Blogger.